43 BCS

Shariful Islam Zinna
Shariful Islam Zinna

১) কোনটি নামধাতুর উদাহরণ?

চল্

কর্

বেতা

পড়ু

বেতা

ব্যাখ্যা:
• নাম ধাতু:
বিশেষ্য, বিশেষণ ও ধন্যাত্মক অব্যয়ের পর ‘আ’ প্রত্যয়যোগে যে সব ধাতু গঠিত হয়, সেগুলোকে নামধাতু বলা হয়।
যেমন:
• সে ঘুমাচ্ছে।- এখানে, 'ঘুম্‌' থেকে নাম ধাতু 'ঘুমা'।
• রাসেল ধমকাচ্ছে।- এখানে 'ধমক্‌' থেকে নাম ধাতু 'ধমকা'।

তেমনিভাবে,
অপশনের 'বেতা' একটি নাম ধাতু। 'বেত্‌' এর সাথে 'আ' প্রত্যয়যুক্ত হয়ে বেতা নাম ধাতু গঠিত হয়েছে।

-------------------------
• সাধিত ধাতু: 

মৌলিক ধাতু কিংবা কোনো কোনো নাম-শব্দের সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে সাধিত ধাতু গঠিত হয়। আবার যেসব ধাতু বিশ্লেষণ করলে এক বা একাধিক প্রত্যয় পাওয়া যায় তাকেও সাধিত ধাতু বলা হয়।
যেমন:
- দেখ্‌ + আ= দেখা।
- পড় + আ= পড়া।
- বল + আ=বলা।

• সাধিত ধাতু আবার ৩ প্রকার। যথা:
১. নাম ধাতু,
২. প্রযোজক (নিজন্ত) ধাতু ও
৩. কর্মবাচ্যের ধাতু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২) ‘গড্ডলিকা প্রবাহ' বাগ্‌ধারায় ‘গড্ডল' শব্দের অর্থ কী?

স্রোত

ভেড়া

একত্র

ভাসা

ভেড়া

ব্যাখ্যা:
• গড্ডল (বিশেষ্য পদ),
- শব্দটি অর্বাচীন সংস্কৃত থেকে আগত।
অর্থ:
- ভেড়া,
- গাড়ল,
- মেষ।

অন্যদিকে,
• ‘গড্ডলিকা প্রবাহ’ বাগ্‌ধারার অর্থ - অন্ধভাবে অনুসরণ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখ।

৩) 'তাতে সমাজজীবন চলে না।' - এ বাক্যটির অস্তিবাচক রূপ কোনটি?

তাতে সমাজজীবন চলে।

তাতে না সমাজজীবন চলে।

তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে।

তাতে সমাজজীবন সচল হয়ে পড়ে।

তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে।

ব্যাখ্যা:
• বাক্য রূপান্তর:
মূলভাব বা অর্থ অপরিবর্তিত রেখে এক শ্রেণির বাক্যকে অন্য শ্রেণির বাক্যে পরিবর্তন কারার নামই হলো বাক্য রূপান্তর।

• নেতিবাচক বাক্য থেকে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তরের নিয়ম:
নেতিবাচক বাক্যকে অস্তিবাচক বাক্যে রূপান্তর করতে হলে মৌলিক অর্থ বা মূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে নিচের সাধারণ সূত্রগুলো অবলম্বন করতে হবে।

১. বাক্য পরিবর্তিত হলেও মূল অর্থ অপরিবর্তিত থাকবে।
যেমন:
নেতিবাচক: সেটা কখনোই সফল হতে পারে না।
নেতিবাচক: সেটা সর্বদাই অসফল হয়।

২. 'না', 'নয়', 'নি', 'নেই', 'নহে' ইত্যাদি নঞর্থক পদ তুলে দিতে হয় এবং শব্দের পরিবর্তন ঘটিয়ে হ্যা-বাচক ভাব ফুটিয়ে তুলতে হয়।
যেমন:
নেতিবাচক: কোথাও শান্তি ছিল না
অস্তিবাচক: সর্বত্র অশান্তি ছিলো।

৩. প্রয়োজনমতো নেতিবাচক শব্দের বাক্যাংশকে অস্তিবাচক শব্দ দ্বারা অস্তিবাচকে রূপান্তর করতে হয়।
যেমন:
নেতিবাচক: শহিদের মৃত্যু নেই।
অস্তিবাচক: শহিদেরা অমর।

তেমনিভাবে,
নেতিবাচক: তাতে সমাজজীবন চলে না।
অস্তিবাচক: তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৪) “তােমারেই যেন ভালােবাসিয়াছি শত রূপে শত বার/জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।” - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কবিতার অংশ?

অনন্ত প্রেম

উপহার

ব্যক্ত প্রেম

শেষ উপহার

অনন্ত প্রেম

ব্যাখ্যা:
“তােমারেই যেন ভালােবাসিয়াছি
শত রূপে শত বার

জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।”

- উল্লেখ্য পঙ্‌ক্তিগুলো কবিতাটি বরীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'মানসী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘অনন্ত প্রেম’ কবিতার।

-------------------------
• "মানসী" কাব্যগ্রন্থ:

- রবীন্দ্রনাথ রচিত "মানসী" কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯০ সালে প্রকাশিত এবং গ্রন্থটি কবির কাব্যকলার পূর্ণ প্রতিষ্ঠামূলক কাব্যগ্রন্থ।
- তাই কবি বুদ্ধদেব বসু ‘মানসী’ কাব্যকে “রবীন্দ্র-কাব্যের অণুবিশ্ব বলেছেন”।
- এই কাব্যগ্রন্থে মোট ৬৬টি কবিতা রয়েছে।
- কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, “নূতন আবেষ্টনে এই কবিতাগুলি সহসা যেন নবদেহ ধারণ করল।”

মানসীর কবিতাগুলো দুই ভাগে বিভক্ত। একদিকে অতীত জীবনের পিছুটানমূলক কবিতা, অন্যদিকে নবযৌবনের নিরুদ্ধ উদ্দীপনার খরদীপ্তি। 

উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলো হলো-
- উপহার,
- নিস্ফল উপহার,
- ক্ষণিক মিলন,
- নিস্ফল কামনা,
- অহল্যার প্রতি,
- নবদম্পতির প্রেমালাপ,
- মানসিক অভিসার,
- পুরুষের উক্তি,
- নারীর উক্তি,
- ব্যক্ত প্রেম,
- গুপ্ত প্রেম,
- অনন্ত প্রেম,
- শেষ উপহার ইত্যাদি।
----------------------------

অনন্ত প্রেম
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

"তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি
শত রূপে শত বার
জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।
চিরকাল ধরে মুগ্ধ হৃদয়
গাঁথিয়াছে গীতহার—
কত রূপ ধ’রে পরেছ গলায়,
নিয়েছ সে উপহার
জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।"

উৎস: ‘মানসী’ কাব্যগ্রন্থ; ‘অনন্ত প্রেম’ কবিতা এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর।

৫) হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি কী?

পণ্ডিত

বিদ্যাসাগর

শাস্ত্রজ্ঞ

মহামহােপাধ্যায়

মহামহােপাধ্যায়

ব্যাখ্যা:
• হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি - মহামহোপাধ্যায়। 

----------------------
• হরপ্রসাদ শাস্ত্রী:
- তিনি প্রাচ্যবিদ্যা বিশারদ, এবং সংস্কৃতের পণ্ডিত ছিলেন।
- ১৮৯৮ সালে সরকারের দেওয়া সম্মান ‘মহামহোপাধ্যায়' উপাধি (মহারানী ভিক্টোরিয়ার ৬০তম রাজ্যাঙ্কে প্রবর্তিত);
- ১৯১১ সালে ‘সি.আই.ই' উপাধি; ১৯২১ সালে ইংল্যান্ডের রয়্যাল এশিয়াটিক সোসাইটির অনারারি মেম্বার মনোনয়ন পান। 
- ১৯২৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনারারি ডি.লিট উপাধি লাভ করেন।

তার রচিত সাহিত্যকর্ম:
- বেণের মেয়ে,
- বাল্মীকির জয়,
- মেঘদূত,
- প্রাচীন বাংলার গৌরব।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

৬) ক্ষুদ্র জাতিগােষ্ঠী নিয়ে লেখা উপন্যাস কোনটি?

তেইশ নম্বর তৈলচিত্র

ক্ষুধা ও আশা

কর্ণফুলি

ধানকন্যা

কর্ণফুলি

ব্যাখ্যা:
• ‘কর্ণফুলী’ উপন্যাস:
- সাহিত্যিক আলাউদ্দিন আল আজাদের বিখ্যাত উপন্যাস কর্ণফুলী।
- তাঁর 'কর্ণফুলী' উপন্যাস পাহাড় সমুদ্র ঘেরা একটি বিশেষ জনপদের উপন্যাস।
- উপন্যাসে চাকমা উপজাতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। উপজাতীয় জীবন কাহিনি নিয়ে রচিত চাকমাদের জীবন সংগ্রামের চিত্র এ উপন্যাসের উপজীব্য।
- উপন্যাসে চাকমা ভাষারও ব্যবহার করা হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- আদিবাসী রাঙ্গামিলা,
- প্রেমিক দেওয়ানপুত্র (চাকমা),
- বাঙালি ইসমাইল,
- জলি, রমজান প্রমুখের জীবন যাপন ও প্রণয় এ উপন্যাসে বর্ণিত।

------------------------
• আলাউদ্দিন আল আজাদ:
- তিনি একাধারে শিক্ষাবিদ, কবি, কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, গবেষক, সাহিত্য-সমালোচক ছিলেন।
- জন্ম ৬ মে ১৯৩২ সালে, নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার রামনগর গ্রামে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্সসহ স্নাতক (১৯৫৩) ও স্নাতকোত্তর (১৯৫৪)।
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র উপন্যাসটির বিষয়বস্ত্ত অবলম্বনে বসুন্ধরা নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক সুভাষ দত্ত।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগন্থ: 
- জেগে আছি,
- ধানকন্যা,
- জীবন জমিন প্রভৃতি।

• তাঁর উপন্যাস:
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র,
- কর্ণফুলী,
- শেষরাত বসন্তের প্রথমদিন,
- ক্ষুধা ও আশা,
- শ্যামল ছায়ার সংবাদ।

• নাটক:
- ধন্যবাদ,
- নিঃশব্দ যাত্রা,
- নরকে লাল গোলাপ।

• কাব্যগ্রন্থগুলো মধ্যে:
- মানচিত্র,
- ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ,
- লেলিহান পান্ডুলিপি,
- নিখোঁজ সনেটগুচ্ছ, 
- সাজঘর,
- শ্রেষ্ঠ কবিতা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাস, ড. সৌমিত্র শেখর।

৭) 'নীল লােহিত' কোন লেখকের ছদ্মনাম?

অরুণ মিত্র

সমরেশ বসু

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

সমরেশ মজুমদার

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

ব্যাখ্যা:
• সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বেশ কয়েকটি ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করতেন।
যেমন:
- নীল লোহিত,
- নীল উপাধ্যায়,
- সনাতন পাঠক।

বিভিন্ন লেখক ব্যবহৃত কিছু ছদ্মনাম হলো:
- সমরেশ বসুর ছদ্মনাম - কালকূট।
- সোমেন চন্দের ছদ্মনাম - ইন্দ্রকুমার সোম।
- বিমল ঘোষ এর ছদ্মনাম - মৌমাছি।
- সতীনাথ ভাদুড়ী ব্যবহৃত ছদ্মনাম - চিত্রগুপ্ত।
- বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম - যাযাবর।
- বিমল মিত্র এর ছদ্মনাম - জাবালি।
- কালিকানন্দএ র ছদ্মনাম - অবধূত।
- সৈয়দ মুজতবা আলীর ছদ্মনাম - প্রিয়দর্শী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৮) বাগযন্ত্রের অংশ কোনটি?

স্বরযন্ত্র

ফুসফুস

দাঁত

উপরের সবকটি

উপরের সবকটি

ব্যাখ্যা:
• বাগ্‌যন্ত্র: 
ধ্বনি উচ্চারণ করতে যেসব প্রত্যঙ্গ কাজে লাগে, সেগুলোকে একত্রে বাগ্‌যন্ত্র বলে।
মানবদেহের উপরিভাগে অবস্থিত ফুসফুস থেকে শুরু করে ঠোঁট পর্যন্ত ধ্বনি উৎপাদনে ব্যবহৃত প্রতিটি প্রত্যঙ্গই বাগ্‌যন্ত্রের অন্তর্ভূক্ত।

বাগ্‌যন্ত্রের অংশসমূহ হলো:
১. ফুসফুস,
২. শ্বাসনালি,
৩. স্বরযন্ত্র,
৪. জিভ,
৫. আলজিভ,
৬. তালু,
৭. মূর্ধা,
৮. দন্তমূল,
৯. ওষ্ঠ,
১০. নাসিকা
১১. দাঁত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।

৯) রবীন্দ্রনাথ কোন কারক বাদ দিতে চেয়েছিলেন?

করণ কারক

সম্প্রদান কারক

অপাদান কারক

অধিকরণ কারক

সম্প্রদান কারক

ব্যাখ্যা:
• কারক ও এর প্রকারভেদ:
বাক্যের ক্রিয়াপদের সাথে নাম পদের যে সম্পর্ক তাকে কারক বলে। আমরা আগে জেনে এসেছি, কারক ৬ প্রকার।
যথা: কর্তৃ কারক, কর্ম কারক, করণ কারক, অপাদান কারক, সম্প্রদান কারক ও অধিকরণ কারক।

তবে,
• মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (২০২১ সংস্করণ) অনুসারে, সম্প্রদান কারককে বাদ দেওয়া হয়েছে।
- নতুন সংস্করণ অনুসারে, কারক ছয় প্রকার।
- যথা: কর্তৃ কারক, কর্ম কারক, করণ কারক, অপাদান কারক, অধিকরণ কারক ও সমন্ধ কারক।
- ড. হায়াৎ মামুদ তার ভাষা শিক্ষা বইয়ে, নিমিত্ত কারক নামে একটি কারকের শ্রেণি অন্তর্ভুক্ত করেছেন।

• মাধ্যমিক ব্যাকরণের নতুন সংস্করণ এবং হায়াৎ মামুদ সহ অনেক বইয়ে সম্প্রদান কারক নেই।
- কারণ, সম্প্রদান কারকের তাত্ত্বিক বৈধতা স্বীকার্য নয়।
- বাংলায় সম্প্রদান কারকের দরকার নেই - এই কথা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ অনেকেই বলে গেছেন।

• নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ বই (২০২১) অনুসারে,
- সম্প্রদান কারককে কর্ম কারকের মধ্যে দেখানো হয়েছে।
- আর সম্বন্ধ পদকে সম্বন্ধ কারক হিসেবে দেখানো হয়েছে।

১০) কেন্তুমের কোন দুটি শাখা এশিয়ার অন্তর্গত?

হিত্তিক ও তুখারিক

তামিল ও দ্রাবিড়

আর্য ও অনার্য

মাগধী ও গৌড়ী

হিত্তিক ও তুখারিক

ব্যাখ্যা:
• ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠীর শ্রেণিবিভাগ:
ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠীর প্রাচীন শাখা - ৯টি। আধুনিককালে অনেকে ১০টি বলেও উল্লেখ করেছেন।
আমরা যেহেতু আধুনিক যুগের মানুষ তাই সেহেতু আধুনিক মতকেই স্বীকার করবো।

ভাষাতাত্ত্বিক অধ্যাপক অ্যাসকোলি আদি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠী থেকে সৃষ্ট ভাষাগুলোকে দুটো প্রধান ভাগে ভাগ করেছেন।
- একটি শতম (Satam) ও অন্যটি কেন্তম (Centum)।
- কেন্তম ও শতম এ বিভাজন হয়েছিলো মূলত কণ্ঠবর্ণের উচ্চারণ বৈশিষ্ঠ্য লক্ষ্য করে।
- এ বিভাজনের ফলে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠির অন্তর্ভূক্ত ভাষাগুলোর ভেতর একটি ভৌগোলিক বিভাজনও হয়।
- অ্যাসকোলির ধারণা - কেন্তম গোষ্ঠীর ভাষাগুলো সব পশ্চিমের আর শতম গোষ্ঠির ভাষাগুলো সব পূর্বের।

• বর্তমানকালে হিত্তি বা হিত্তিক (Hittic) ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় গোষ্ঠীর দশম শাখা হিসেবে পরিচিত।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, এশিয়া মাইনরে প্রায় দেড় হাজার খ্রিস্টপূর্বে হিত্তি (হিত্তিক) ভাষা প্রচলিত ছিল। এবং তোখারিক (তুখারিক) ভাষা মধ্য এশিয়ায় খ্রিস্টীয় অষ্টম শতক পর্যন্ত জীবিত ছিল।

• কোনো কোনো পণ্ডিত হিত্তিকে ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষার সমগোত্রীয় এবং সমান স্তরের ভাষা বলে অভিহিত করেছেন। ড. সুকুমার সেন এ মতকে সমর্থন করে হিত্তির মূল ভাষার নাম 'ইন্দো-হিট্টীয়' বলে উল্লেখ করেছেন। হিত্তি এবং তোখারীয় ভাষা আবিষ্কারের পর ইন্দো-ইউরোপীয় মূল ভাষা বিভাগের কিছুটা পরিবর্তন ঘটলেও প্রাথমিক দুটি বিভাগ (কেন্তুম্ ও শতম্) অস্বীকার করা যায় না। আধুনিক ভাষাতাত্ত্বিকগণ কেন্তুম এবং শতম্ এ দুটি বিভাগকে স্বীকার করেই ভাষার বিভিন্ন শ্রেণিবিন্যাসে নিয়োজিত হয়েছেন। সুতরাং হিত্তি এবং তুখারীয় ভাষা আবিষ্কারের পরেও কেন্তুম ও শতমের নামকরণের গুরুত্ব ও সার্থকতা রয়েছে।



উৎস: ইন্দো-ইউরোপীয় থেকে বাংলা (বাংলা ভাষার ইতিহাস), রেজাউল ইসলাম।

১১) 'রুখের তেন্তুলি কুমীরে খাই’--এর অর্থ কী?

তেজি কুমিরকে রুখে দিই

বৃক্ষের শাখায় পাকা তেঁতুল

গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়

ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হয়

গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়

ব্যাখ্যা:
• দুলি দুহি পীঢ়া' ধরণ ন জাই।
রুখের তেন্তলি কুম্ভীরে খাই'।

বাংলা অর্থ: 
মাদি কচ্ছপ দোহন করে  দুগ্ধ-পাত্রে, দুধ ধরানো গেল না। গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়।

------------------------
• কুক্কুরীপা:

- কুক্কুরীপা চর্যাগীতির তিনটি গানের রচয়িতা (২, ২০ ও ৪৮)।
- এদের মধ্যে একটি গান [৪৮ সংখ্যক পুথির লুপ্ত অংশ ছিল। তিনি উচ্চবংশীয় ছিলেন বলে ধারণা করা হয়। তাঁর চর্যার ভাষা সে ইঙ্গিত বহন করে।
- কুক্কুরীপা তান্ত্রিক নাম কিংবা ছদ্মনাম। কুলীন বা উচ্চবংশীয় হলেও কাব্যমূর্তির কারণে বা তান্ত্রিকতার আকর্ষণে তিনি এ নাম ব্যবহার করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হয়। নামের সঙ্গে 'পা' যুক্ত থাকায় কেউ কেউ একে গুরুর প্রতি শ্রদ্ধাসূচক ছদ্মনাম বলে মনে করেন।

- তারানাথের মতে, সঙ্গে সবসময় একটি কুক্কুরী থাকত বলে তাঁর নামকরণ হয়েছে কুকুরীপা।
- কুক্কুরীপা বাংলার উত্তরখণ্ডের অধিবাসী ছিলেন বলে ধারণা করা হয়। অবশ্য হিন্দিভাষীরা তাঁকে কপিলাবস্তু বা বুদ্ধের জন্মস্থান নেপালের লোক বলেছেন।

- সংস্কৃত রচনা 'মহামায়াসাধন'-এর রচয়িতা হিসেবে কুক্কুরীপার নাম পাওয়া গেছে। এ থেকে অনুমিত হয়, তিনি মহামায়ার উপাসক ছিলেন। ড. শহীদুল্লাহর মতে, কুক্কুরীপা ৭৪০ থেকে ৮২০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে জীবিত ছিলেন। ধারণা করা হয়, ৮০৯ খ্রিষ্টাব্দে রাজা ধর্মপালের শাসনামলে কুকুরীপা তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছিলেন।

• তাঁর রচিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে
- যোগভাবনাপ্রদেশ,
- স্রবপরিচ্ছদ।

কুক্কুরীপা রচিত চর্যারপদগুলো হলো:
১. দুলি দুহি পীঢ়া' ধরণ ন জাই। রুখের তেন্তলি কুম্ভীরে খাই'।
২. আঙ্গন ঘরপণ সুন ভো বিআতী। কানেট চোরে নিল অধরাতী।
৩. সসুরা নিদ গেল বহুড়ী জাগই'। কানেট চোরে নিল কা গই মাগই 1
৪. দিবসহি' বহুড়ী কাউহি' ডর' ভাই'। রাতি ভইলে কামরু জাই"।
৫. অইসনী” চর্যা কুকুরীপাত্র গাইল"। কোড়ি মাঝে একু হিঅহি" সমাইল।

আধুনিক গদ্যে রূপান্তর:
১. মাদি কচ্ছপ দোহন করে  দুগ্ধ-পাত্রে, দুধ ধরানো গেল না। গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়।
২. ওগো প্রসূতি, ঘরের কাছে আঙিনা। অর্ধরাতে চোর কানপাশা নিয়ে গেল।
৩. শ্বশুর নিদ্রা গেল, বধূ রইল জেগে। কানপাশা চোরে নিলে কার কাছে মাগা যায়?
৪. দিনে বধূ কাকের ভয়ে ভীত হয়। রাত হলে কামরাজ্যে [বা কামরূপ) যায়।
৫. এমন চর্যা কুক্করীপা গাইলেন। কোটির মধ্যে একের চিত্তে তা প্রবেশ করল।

উৎস: ‘চর্যাগীতি পাঠ’ ড. মাহবুবুল হক।

১২) কত সালে 'দুর্গেশনন্দিনী' উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয়?

১৮৬০

১৮৬১

১৮৬৫

১৮৬৭

১৮৬৫

ব্যাখ্যা:
• দুর্গেশনন্দিনী:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী'।
- দুর্গেশনন্দিনীর শব্দের অর্থ প্রধানের কন্যা।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী'।
- উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৮৬৫ খ্রিষ্টাব্দে।
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র: তিলোত্তমা।

উপন্যাসের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- বীরেন্দ্র সিংহ,
- ওসমান,
- জগৎসিংহ,
- তিলোত্তমা,
- আয়েশা,
- বিমলা প্রমুখ।

-------------------
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস 'রাজমোহনস ওয়াইফ'। উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা।
- তাঁর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' প্রকাশিত হয় ১৮৬৫। এটি তাঁর রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাসও।
- 'ললিতা তথা মানস' (১৮৫৬) কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এটি তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
- 'কপালকুণ্ডলা' তাঁর রচিত দ্বিতীয় বাংলা উপন্যাস (১৮৬৬)।
- আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।

১৩) বাংলা সাহিত্যে প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিকের নাম কী?

বেগম রােকেয়া

কাদম্বরী দেবী

স্বর্ণকুমারী দেবী

নূরুন্নাহার ফয়জুন্নেসা

স্বর্ণকুমারী দেবী

ব্যাখ্যা:
• স্বর্ণকুমারী দেবী:
- স্বর্ণকুমারী দেবী বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক।
- তিনি কলকাতার জোড়াসাঁকো জন্মগ্রহণ করেন। সম্পর্কে তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বোন।
- তিনি ১৮৭২ সালে প্রকাশিত ভারতী পত্রিকা সম্পাদনা করেন ।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- দীপ নির্বাণ,
- মেবার রাজ,
- মালতী,
- বিদ্রোহ,
- বিচিত্রা,
- স্বপ্নবাণী,
- মিলনরাত্রি।

• বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা জন্য কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জগত্তারিণী স্বর্ণপদক লাভ করেন ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৪) ‘আমার দেখা নয়াচীন’ কে লিখেছেন?

মওলানা ভাসানী

আবুল ফজল

শহীদুল্লা কায়সার

শেখ মুজিবুর রহমান

শেখ মুজিবুর রহমান

ব্যাখ্যা:
• আমার দেখা নয়াচীন:
• ‘আমার দেখা নয়াচীন’ শেখ মুজিবর রহমান রচিত তৃতীয় গ্রন্থ
। স্মৃতিনির্ভর এ ভ্রমণকাহিনি তিনি রচনা করেন ১৯৫৪ সালে কারাগারে রাজবন্দি থাকাকালে।

• আমার দেখা নয়াচীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৫২ সালের রাজনৈতিক জীবনের প্রথমদিকে গণচীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা একটি ডায়েরির পুস্তকি রূপ।

• ১৯৫২ সালের ২-১২ই অক্টোবর চীনের পিকিংয়ে এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে এ সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে নয়াচীন সফর করেন। শিল্পিত মন ও সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণে সদ্য বিপ্লবোত্তর গণচীনের শাসনব্যবস্থা ও জীবনচিত্র তুলে ধরেছেন প্রাঞ্জল ভাষায়। এ গ্রন্থে বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদবিরোধী মনোভাব, অসাম্প্রদায়িক ভাবাদর্শ ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনার গভীর পরিচয় মেলে।

• 'আমার দেখা নয়াচীন' বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০২০ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায়'। একুশে গ্রন্থমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। বইটি প্রকাশ করেছে বাংলা একাডেমি।

• বইটির ভূমিকা লিখেছেন বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা ও বাংলাদেশের সমসাময়িক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: ‘আমার দেখা নয়াচীন’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ‘১৪ আগস্ট ২০২০,  প্রথম আলো রিপোর্ট’।

১৫) মনসা দেবীকে নিয়ে লেখা বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কী?

মনসামঙ্গল

মনসাবিজয়

পদ্মপুরাণ

পদ্মাবতী

পদ্মপুরাণ

ব্যাখ্যা:
• মনসা দেবীকে নিয়ে লেখা বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম: 'পদ্মপুরাণ'।

• পদ্মপুরাণ: 
- মনসামঙ্গল কাব্যধারার অন্যতম কবি বিজয়গুপ্ত।
- পদ্মাপুরাণ নামক মনসামঙ্গল কাব্য রচনা করে তিনি মঙ্গলকাব্যের ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।
- তিনি মনসামঙ্গলকাব্যের যে পুঁথি পাওয়া গেছে, প্রাপ্ত এই পুঁথিভিত্তিক প্রাচীনতম কবি।
- মনসামঙ্গল কাব্যের অপর নাম - পদ্মাপুরাণ।

এছাড়া, মনসামঙ্গলের অন্যতম কবি নারায়ণ দেব। তাঁর রচিত কাব্যের নামও পদ্মাপুরাণ।
কবি  বিপ্রদাস পিপিলাই রচনা করেছেন- মনসাবিজয়। 

-----------------
মনসামঙ্গল:
• মনসামঙ্গল মঙ্গলকাব্যগুলির মধ্যে প্রাচীনতম।
• ‘মনসামঙ্গল' কাব্যের অপর নাম ‘পদ্মাপুরাণ’।
• সাপের দেবী মনসার স্তব, কাহিনি ইত্যাদি নিয়ে রচিত কাব্য ‘মনসামঙ্গল’। 
• চাঁদ সওদাগর প্রথম দিকে মনসা বিরূপতা করে, পরে মনসা দেবীর অলৌকিক শক্তির প্রভাব স্বীকার করে তার বশ্যতা স্বীকার করাই মনসামঙ্গল কাব্যসমূহের প্রধান আখ্যান।
• দেবতা ও মানুষের দ্বন্দ্বে সামাজিক শ্রেণিবৈষম্য এবং চাঁদের সঙ্গে মনসার বিবাদে আর্য-অনার্য দ্বন্দ্ব প্রকাশ পেয়েছে।
• কানা হরিদত্ত মনসামঙ্গলের আদি কবি ।

• এই কাব্যের অন্যান্য চরিত্রগুলো
- বেহুলা,
- লখিন্দর,
- সনকা,
- সাপের দেবী মনসা।
- মধ্যযুগের সংগ্রামী নারী চরিত্র হলো বেহুলা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬) ‘মানুষের মৃত্যু হলে তবুও মানব থেকে যায়’- কে রচনা করেন এই কাব্যাংশ?

সুধীন্দ্রনাথ দত্ত

প্রেমেন্দ্র মিত্র

সমর সেন

জীবনানন্দ দাশ

জীবনানন্দ দাশ

ব্যাখ্যা:
• ‘মানুষের মৃত্যু হলে তবুও মানব থেকে যায়’- কবিতাংশটুকুর রচয়িতা: 'জীবনানন্দ দাশ'।
- কবিতাটি ‘জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা’ (১৯৫৪) গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে।

----------
মানুষের মৃত্যু হলে,
- জীবনানন্দ দাশ। 

"মানুষের মৃত্যু হলে তবুও মানব
থেকে যায়; অতীতের থেকে উঠে আজকের মানুষের কাছে
প্রথমত চেতনার পরিমাপ নিতে আসে।
আজকের আগে যেই জীবনের ভিড় জমেছিল
তারা মরে গেছে;
অন্ধকারে হারায়েছে; (সংক্ষেপিত) 

------------------------ 
• জীবনানন্দ দাশ:
- জীবননান্দ দাশ আধুনিক যুগের এবং ত্রিশের দশকের অন্যতম কবি।
- তিনি ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক। তিনি ব্রহ্মবাদী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন বিখ্যাত কবি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে “চিত্ররূপময়” কবিতা বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- তাঁকে বলা হয়ে থাকে- ধূসরতার কবি, তিমির হননের কবি, নির্জনতার কবি, রূপসী বাংলার কবি।

• জীবনানন্দ দাশ রচিত উপন্যাস: 
- মাল্যবান,
- সতীর্থ, 

• জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ-
- ঝরাপালক,
- ধূসর পাণ্ডুলিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া, বাংলা কবিতা সাময়িকী।

১৭) দৌলত উজির বাহরাম খান সাহিত্যসৃষ্টিতে কার পৃষ্ঠপােষকতা লাভ করেন?

সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ

কোরেশী মাগন ঠাকুর

সুলতান বরবক শাহ

জমিদার নিজাম শাহ

জমিদার নিজাম শাহ

ব্যাখ্যা:

• দৌলত উজির বাহরাম খান:
দৌলত উজির বাহরাম খান রচিত 'লাইলী-মজনু' কাব্যটি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান কাব্যধারায় একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসাবে স্থান পেয়েছে।
- তিনি সাহিত্যসৃষ্টি করার ক্ষেত্রে 'জমিদার নিজাম শাহ' এর পৃষ্ঠপােষকতা লাভ করেন।
- কবি তার কাব্যে যে আত্মপরিচয় লিখে গেছেন, তা থেকে তেমন বিস্তারিত তথ্য অবগত হওয়া যায় না। কবির ব্যক্তিজীবনের পরিচয় থেকে জানা যায়, তিনি চট্টগ্রামের ফতেহবাদ বা জাফরাবাদের অধিবাসী ছিলেন।
- কবির পিতা মোবারক খান চট্টগ্রামের অধিপতির কাছ থেকে ‘দৌলত উজির’ উপাধি পেয়েছিলেন। কবির পূর্বপুরুষ হামিদ খান গৌড়ের সুলতান হুসেন শাহের প্রধান আমত্য।
- তিনি অল্প বয়সে পিতৃহীন হলে চট্টগ্রামের অধিপতি নেজাম শাহ সুর তাঁকে পিতৃপদ (উজির) প্রদান করেন।
- নিজাম শাহ গৌড়ের নৃপতি থাকাকালিন বাহরাম খান তাঁর ‘লাইলী-মজনু’ কাব্যটি রচনা করেন।

দৌলত উজির বাহরাম খানের দুটি আখ্যানকাব্য হলো:
• লায়লী-মজনু ও
• ইমাম-বিজয়।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম ও বাংলাপিডিয়া।

১৮) চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান কোথায়?

বাংলাদেশ

নেপাল

উড়িষ্যা

ভুটান

নেপাল

ব্যাখ্যা:
চর্যাপদ:
• বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাচর্যবিনিশ্চয় বা চর্যাগীতিকোষ বা চর্যাগীতি বা চর্যাপদ।
• ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবার গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
• ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়।

• চর্যাপদের পদ সংখ্যা: চর্যাপদের পদ সংখ্যা ৫০টি। তবে সুকুমার সেন মনে করেন পদসংখ্যা ৫১টি।
• উদ্ধারকৃত পদের সংখ্যা: চর্যাপদের সাড়ে ৪৬টি পদ পাওয়া যায়। 
 
• অনুদ্ধারকৃত/বিলুপ্ত পদের সংখ্যা: সাড়ে ‍৩টি। প্রাপ্ত সাড়ে ৪৬টি পদের মধ্যে ভুসুকুপা রচিত ২৩নং পদটি খণ্ডিত আকারে পাওয়া গেছে। পদটির ৬টি পদ পাওয়া গেছে কিন্তু বাকি ৪টি পদ পাওয়া যায়নি।
• এছাড়াও চর্যাপদের ২৪নং (কাহ্নপা রচিত), ২৫নং (তন্ত্রীপা রচিত) এবং ৪৮নং (কুক্কুরীপা রচিত) পদগুলো পাওয়া যায়নি। 

• চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র। 
• ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।
• সংস্কৃত ভাষায় মুনিদত্ত চর্যাপদের ব্যাখ্যা করেন। তিনি ১১নং পদের ব্যাখ্যা করেননি।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১৯) কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?

কাঁদো নদী কাঁদো

নেকড়ে অরণ্যে

রাঙা প্রভাত

প্রদোষে প্রাকৃতজন

নেকড়ে অরণ্যে

ব্যাখ্যা:
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'নেকড়ে অরণ্য' এর লেখক - শওকত ওসমান।
- উপন্যাসটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।

-----------------------
• শওকত ওসমান:
- ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক। 
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান।
- উপন্যাস ও গল্প রচয়িতা হিসেবেই শওকত ওসমানের মুখ্য পরিচয়; তবে প্রবন্ধ, নাটক, রম্যরচনা, স্মৃতিকথা ও শিশুতোষ গ্রন্থও তিনি রচনা করেছেন। 
- তাঁর 'জননী' ও 'ক্রীতদাসের হাসি' উপন্যাস দুটি প্রশংসিত হয়েছে। জননীতে সামাজিক জীবন ও ক্রীতদাসের হাসিতে রাজনৈতিক জীবনের কিছু অন্ধকার দিক উন্মোচিত হয়েছে। 
- তিনি  বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬২), আদমজি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৬), একুশে পদক (১৯৮৩), ফিলিপস পুরস্কার (১৯৯১), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৯৭) লাভ করেন।
- তিনি ১৯৯৮ সালের ১৪ই মে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- জাহান্নম হইতে বিদায়, 
- দুই সৈনিক, 
- নেকড়ে অরণ্য, 
- জলাংগী।

অন্যদিকে,
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাসে গ্রামীণ ও কুমারডাঙ্গার শহুরে পরিবেশের বর্ণনা করা হয়েছে এবং ব্যক্তির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সুখ দুঃখ নিয়ে সামষ্টিক অভিজ্ঞতা রচনা করা হয়েছে।

• আবুল ফজল রচিত উপন্যাস- রাঙা প্রভাত।

• শওকত আলী রচিত 'প্রদোষে প্রাকৃতজন' উপন্যাসে রাজা লক্ষণ সেনের সময়ের সমাজ ও মানুষের দ্বন্দ্ব তুলে ধরা হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।

২০) 'মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’ কাব্যগ্রন্থের কবি কে?

রফিক আজাদ

শঙ্খ ঘােষ

শক্তি চট্টোপাধ্যায়

শামসুর রাহমান

শঙ্খ ঘােষ

ব্যাখ্যা:
• 'মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’ কাব্যগ্রন্থের লেখক: 'শঙ্খ ঘােষ'।

• শঙ্খ ঘোষ:

- শঙ্খ ঘোষের জন্ম ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২, অধুনা বাংলাদেশের চাঁদপুরে। কুন্তক তাঁর ছদ্মনাম।
- তিনি ছিলেন লব্ধপ্রতিষ্ঠ কবি, প্রাবন্ধিক ও সম্পাদক। 
- শিক্ষালাভ করেছেন চন্দ্রপ্রভা বিদ্যাপীঠ, পাকশি (বাংলাদেশের পাবনা জেলায়); প্রেসিডেন্সি কলেজ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনাসূত্রে যুক্ত ছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে।
- 'দিনগুলি রাতগুলি' (১৯৫৬) তারঁ প্রথম কাব্যগ্রন্থ।

তার উল্লেখযোগ্য কবিতার বই:
- মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে,
- চুপ করো, শব্দহীন হও,
- সবিনয় নিবেদন,
- বুক পেতে শুয়ে আছি ঘাসের উপরে চক্রবালে,
- হওয়া।

কবির প্রাপ্ত নানা পুরস্কারের মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য:
- সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার (১৯৭৭),
- রবীন্দ্র পুরস্কার (১৯৮৯),
- কবীর সম্মান (১৯৯৮),
- সরস্বতী সম্মান (১৯১৮),
- অজ্ঞানপীঠ পরস্থার (২০১৬)।

উৎস: ‘সীমান্তবীহিন দেশে দেশে’ শঙ্খ ঘোষ এবং প্রথম আলো ও দৈনিক ইত্তেফাক রিপোর্ট।

২১) আসমান কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?

পর্তুগিজ

ফরাসি

আরবি

ফারসি

ফারসি

ব্যাখ্যা:
• আসমান।
- শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত।

• আসমান শব্দের বিশেষ্য - আকাশ।
• আসমান শব্দের বিশেষণ - আসমানি।

• ফারসি ভাষা থেকে আগত আরো কিছু শব্দ হলো: 

গ্রেপ্তারি, গ্রেফতার, দারোগা, লুঙ্গি, সাদা, আসমান, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চাকর, চারপায়া, ছয়লাপ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২২) নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি কোনটি?

অ্যা

ব্যাখ্যা:
• নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি-আ।

• স্বরধ্বনির উচ্চারণ:

 উচ্চারণের সময়ে জিভের উচ্চতা অনুযায়ী, জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী এবং ঠোঁটের উন্মুক্তি অনুযায়ী স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়।
 
উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
যথা -
১. উচ্চ স্বরধ্বনি - ই, উ।
২. উচ্চ -মধ্য স্বরধ্বনি - এ, ও।
৩. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি - অ্যা, অ।
৪. নিম্ন স্বরধ্বনি - আ।

• স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কতটুকু খোলা বা বন্ধ থাকে অর্থাৎ কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয়, তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
- সংবৃত: [ই], [উ]।
- অর্ধ-সংবৃত: [ এ ], [ও]। 
- বিবৃত: [আ]।
- অর্ধ-বিবৃত: [অ্যা], [অ]।

• সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কম খোলে; বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট বেশি খোলে।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

২৩) ‘জিজীবিষা' শব্দটির অর্থ কী?

জীবননাশের ইচ্ছা

বেঁচে থাকার ইচ্ছা

জীবনকে জানার ইচ্ছা

জীবন-জীবিকার পথ

বেঁচে থাকার ইচ্ছা

ব্যাখ্যা:
• জিজীবিষা (বিশেষ্য পদ):
অর্থ-
- বেঁচে থাকার ইচ্ছা;
- জীবনের আকাঙ্খা (তখনকার মরণাতঙ্ক নিরুপম জিজীবিষার উত্তরসাক্ষ্য নয়-সুধীন্দ্রনাথ দত্ত)।

অন্যদিকে,
• ‘বাঁচতে ইচ্ছা’ এর এক কথায় প্রকাশ - জিজীবিষা।

এরূপ আরও কিছু এক কথায় প্রকাশ-
- 'হনন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জিঘাংসা।
- 'গমন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জিগমিষা।
- 'বিজয় লাভের ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিজিগীষা।
- 'জয় করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জিগীষা
- 'নিন্দা করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - জুগুপ্সা ।
- 'ভোজন করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বুভুক্ষা।
- 'লাভ করার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - লিপ্সা।
- 'দেখবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - দিদৃক্ষা।
- 'বলবার ইচ্ছা' এর এক কথায় প্রকাশ - বিবক্ষা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৪) বড় > বড্ড - এটি কোন ধরনের পরিবর্তন?

বিষমীভবন

সমীভবন

ব্যঞ্জনদ্বিত্ব

ব্যঞ্জন-বিকৃতি

ব্যঞ্জনদ্বিত্ব

ব্যাখ্যা:
• দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্ব:
কখনো কখনো জোর দেয়ার জন্য শব্দের অন্তর্গত ব্যঞ্জনের দিত্ব উচ্চারণ হয়, একে দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বলে।
যেমন:
- পাকা > পাক্কা;
- সকাল > সক্কাল।

তেমনিভাবে- বড় > বড্ড।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৫) 'সপ্তকাণ্ড রামায়ণ' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?

রামায়ণের সাত পর্ব

রামায়ণে বর্ণিত বৃক্ষ

রামায়ণে বর্ণিত সাতটি সমুদ্র

বৃহৎ বিষয়

বৃহৎ বিষয়

ব্যাখ্যা:
• 'সপ্তকাণ্ড রামায়ণ' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - বৃহৎ বিষয়।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা হলো:
- ‘ঢাকের বাঁয়া’ অর্থ - অকেজো।
- ‘ঢেঁকির কুমির’ অর্থ - অপদার্থ।
- ‘ঢাক পেটানো’ অর্থ - প্রচার করা।
- ‘উড়নচণ্ডী’ অর্থ - বেহিসেবি।
- ‘হাড়হদ্দ’ অর্থ - সবকিছু।
- ‘ঢাকঢাক গুড় গুড়’ অর্থ - লুকোচুরি।
- ‘দিবাস্বপ্ন’ অর্থ - অলীক কল্পনা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

২৬) 'Attested' শব্দের বাংলা পরিভাষা কী?

প্রত্যায়িত

সত্যায়িত

প্রত্যয়িত

সত্যয়িত

সত্যায়িত

ব্যাখ্যা:
• ‘Attested’ শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ - সত্যায়িত।

অন্যদিকে,
• ‘Certified’ শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ - প্রত্যয়িত।
• ‘Verified’ শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ - প্রতিপাদিত।
• ‘Authenticated’ শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ - প্রমাণীকৃত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।

২৭) ‘ডেকে ডেকে হয়রান হচ্ছি।'-এ বাক্যে ‘’ডেকে ডেকে’ কোন অর্থ প্রকাশ করে?

অসহায়ত্ব

বিরক্তি

কালের বিস্তার

পৌনঃপুনিকতা

পৌনঃপুনিকতা

ব্যাখ্যা:
• ক্রিয়াবাচক শব্দের দ্বিরুক্তি:
- পৌনঃপুনিকতা বোঝাতে: ডেকে ডেকে হয়রান হয়েছি।
- বিশেষণ রূপে: এ দিকে রোগীর তো যায় যায় অবস্থা।
- স্বলপকাল স্থায়ী বোঝাতে: দেখতে দেখতে আকাশ কালো হয়ে গেলো।
- ক্রিয়া বিশেষণ বোঝাতে: দেখে দেখে যেও।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

২৮) ভুল বানান কোনটি?

ভূবন

অন্তঃসার

মুহূর্ত

অদ্ভুত

ভূবন

ব্যাখ্যা:
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে-
- ভূবন বানানটি সঠিক নয়।
- শুদ্ধ বানান: ভুবন। 

• ভুবন (বিশেষ্য),
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয় = (√ ভূ + অন),
অর্থ: পৃথিবী, জগৎ। 

অন্যদিকে,
অন্তঃসার, মুহূর্ত ও অদ্ভুত বানানগুলো শুদ্ধ।  

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৯) ‘যিনি বিদ্বান, তিনি সর্বত্র আদরণীয়।’-এটি কোন ধরনের বাক্য?

সরল বাক্য

জটিল বাক্য

যৌগিক বাক্য

খণ্ড বাক্য

জটিল বাক্য

ব্যাখ্যা:
• জটিল বাক্য:
যে বাক্যে প্রধান খণ্ডবাক্যের অধীন এক বা একের বেশি অপ্রধান খণ্ডবাক্য থাকে বা একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের এক বা একাধিক বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হলে তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে।

যে-সে, যারা-তারা, যিনি-তিনি, যাঁরা-তাঁরা, যা-তা প্রভৃতি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যদিও-তবুও, যেহেতু-সেহেতু, যত-তত, যেটুকু-সেটুকু, যেমন-তেমন, যখন-তখন প্রভৃতি সাপেক্ষ যোজক দিয়ে যখন অধীন বাক্যগুলো যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে।

যেমন:
- যে রক্ষক, সে ভক্ষক।
- যে ছেলেটি এখানে এসেছিল, সে আমার ভাই।
- যদি তুমি যাও, তবে তার দেখা পাবে।
- সে যে কোথায়, তা আমার জানা নেই। 
- যিনি বিদ্বান, তিনি সর্বত্র আদরণীয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।

৩০) 'চিকিৎসাশাস্ত্র' কোন সমাস?

কর্মধারয়

বহুব্রীহি

অব্যয়ীভাব

তৎপুরুষ

কর্মধারয়

ব্যাখ্যা:
• 'চিকিৎসা বিষয়ক যে শাস্ত্র = চিকিৎসাশাস্ত্র; কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ। 
- এটি একটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।

------------------------- 
• কর্মধারয় সমাস: 
যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান্য পায়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
• বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে বা বিশেষ্য ও বিশেষণ ভাবাপন্ন পদে যে সমাস হয় এবং যেখানে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায় তাকে ‘কর্মধারয়’ সমাস বলে।
যেমন -
- গোলাপ নামের ফুল = গোলাপফুল।
- ঘরে আশ্রিত জামাই = ঘরজামাই।

• মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস: 
- যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন-
- সিংহ চিহ্নিত আসন= সিংহাসন। 
 - চিকিৎসা বিষয়ক যে শাস্ত্র = চিকিৎসাশাস্ত্র।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ব্যাকরণ ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।

৩১) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

চৌবেরিয়া গ্রাম, নদীয়া

কাঁঠালপাড়া গ্রাম, চব্বিশ পরগনা

বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর

দেবানন্দপুর গ্রাম, হুগলি

বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর

ব্যাখ্যা:
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি।
- তার আত্মজীবনীর নাম বিদ্যাসাগর চরিত বা আত্মচরিত।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাসের,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

৩২) 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' প্রতিষ্ঠিত হয়

১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯২৬

১৯ জানুয়ারি ১৯২৬

১৯ মার্চ ১৯২৬

২৬ মার্চ ১৯২৭

১৯ জানুয়ারি ১৯২৬

ব্যাখ্যা:
• মুসলিম সাহিত্য-সমাজ:
- মুসলিম সাহিত্য-সমাজ ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন যুক্তিবাদী ও প্রগতিশীল শিক্ষক ও ছাত্রের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম হল ইউনিয়ন কক্ষে বাংলা ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি মুসলিম সাহিত্য-সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

- সংগঠনটির পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিভাগের অধ্যাপক আবুল হুসেন, মুসলিম হলের ছাত্র এ.এফ.এম আবদুল হক, ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের ছাত্র আবদুল কাদির প্রমুখের ওপর। তারাই ছিলেন প্রথম কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য।

- নেপথ্যে থেকে দায়িত্ব পালন করতেন ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক কাজী আবদুল ওদুদ ও যুক্তিবিদ্যার অধ্যাপক কাজী আনোয়ারুল কাদীর।

এছাড়াও-
- মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপাত্র শিখা পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন আবুল হোসেন।
- এই পত্রিকার স্লোগান ছিলো - 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব'।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩৩) ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ কার লেখা?

এস. ওয়াজেদ আলী

আবুল হাসেম

আবুল মনসুর আহমদ

আবুল হুসেন

আবুল মনসুর আহমদ

ব্যাখ্যা:
• 'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর' (১৯৬৮) গ্রন্থটির রচয়িতা আবুল মনসুর আহমদ।
- এটি একটি রাজনীতি বিষয়ক গ্রন্থ।
- আবুল মনসুর আহমদ রচিত রাজনীতি বিষয়ক আরেকটি গ্রন্থ হলো: ‘শেরে বাংলা থেকে বঙ্গবন্ধু’ (১৯৭৩)।

--------------
• আবুল মনসুর আহমদ:
- সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক।
- আবুল মনসুর আহমদ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকলেও বিদ্রুপাত্মক রচনার লেখক হিসেবেই তিনি সমধিক পরিচিত।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- আয়না ও
- ফুড কনফারেন্স।

আত্মচরিত:
- আত্মকথা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

৩৪) “ঐ ক্ষেপেছে পাগলি মায়ের দামাল ছেলে”-কে এই দামাল ছেলে?

কাজী নজরুল ইসলাম

কামাল পাশা

চিত্তরঞ্জন দাস

সুভাষ বসু

কামাল পাশা

ব্যাখ্যা:
এখানে দামাল ছেলে বলতে কামাল পাশাকে বুঝিয়েছে। কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

কামাল পাশা
- কাজী নজরুল ইসলাম

"ঐ খেপেছে পাগ্লি মায়ের দামাল ছেলে কামাল ভাই,
অসুর-পুরে শোর উঠেছে জোর্সে সামাল সামাল তাই।
কামাল! তু নে কামাল কিয়া ভাই!
হো হো   কামাল! তু নে কামাল কিয়া ভাই!"

---------------------------
• 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ: 
- 'অগ্নিবীণা' কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। 
- এই কাব্যের জনপ্রিয় কবিতা 'বিদ্রোহী'। 
- 'বিদ্রোহী' কবিতার জন্যই মূলত তিনি 'বিদ্রোহী  কবি' হিসাবে পরিচিত হন।
- কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা- প্রলয়োল্লাস।
- 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেন।

• অগ্নিবীণা কাব্যে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে। কবিতাগুলো হলো:
- প্রলয়োল্লাস, 
- বিদ্রোহী, 
- রক্তাম্বর-ধারিণী মা, 
- আগমণী, 
- ধূমকেতু, 
- কামাল পাশা, 
- আনোয়ার, 
- রণভেরী, 
- শাত-ইল-আরব, 
- খেয়াপারের তরণী, 
- কোরবানী, 
- মহররম।  

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থ।

৩৫) সজনীকান্ত দাস সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী?

শনিবারের চিঠি

রবিবারের ডাক

বিজলি

বঙ্গদর্শন

শনিবারের চিঠি

ব্যাখ্যা:
• সজনীকান্ত দাস সম্পাদিত পত্রিকা- 'শনিবারের চিঠি'।

----------------------------
• শনিবারের চিঠি পত্রিকা:
- শনিবারের চিঠি  স্যাটায়ার ধর্মী সাহিত্যিক পত্রিকা। প্রথম দিকে এটি সাপ্তাহিক পরে মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল হাস্য কৌতুকের মাধ্যমে সমসাময়িক সাহিত্য-চর্চাকে আক্রমণ করা।
- পত্রিকাটি ১৯৩০ - ৪০ এর দশকে কলকাতা কেন্দ্রিক বাংলা সাহিত্যের জগতে বেশ আলোড়ন তুলেছিলো। এই পত্রিকার সঙ্গে কল্লোল গোষ্ঠীর দ্বন্দ ছিলো আক্রমণাত্মক; তবে তৎকালীন সাহিত্যকে বিশেষভাবে পত্রিকাটি অনুপ্রাণিত করেছিল।
- পত্রিকার প্রাণপুরুষ ছিলেন - সজনীকান্ত দাস। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পত্রিকাটির প্রকাশনার সাথে জড়িত ছিলেন। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন।
- উল্লেখ্য, পত্রিকাটির প্রথম সম্পাদক ছিলেন- যোগানন্দ দাস।

- শনিবারের চিঠির প্রায় সব রচনা বেনামে প্রকাশিত হয়েছে।
- লেখকদের মধ্যে উলে­খযোগ্য ছিলেন,  অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রামানন্দ চট্টপাধ্যায়,  সুনীতিকুমার চট্টপাধ্যায়, অশোক চট্টপাধ্যায়, সুবিমল রায়,  মোহিতলাল মজুমদার, সজনীকান্ত দাস, যোগানন্দ দাস, নীরদচন্দ্র চৌধুরী প্রমুখ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩৬) What is the antonym for the word 'deformation'?

distortion

contortion

wholeness

disfigurement

wholeness

ব্যাখ্যা:
Deformation (noun):
English Meaning: The action or process of deforming or distorting/The result of a distorting process.
Bangla Meaning: বিকৃতি, বিকলতা

SYNONYMS:-distortion, malformation, contortion, buckling, twisting, warping, bending, disfigurement etc
ANTONYMS: straightening, unbending, wholeness, etc.

সুতরাং,
- deformation (আকৃতি পরিবর্তন) এর Antonym হচ্ছে wholeness = সম্পূর্ণতা, সমগ্রতা

• অন্যদিকে, 
- contortion - দুমড়ানো অবস্থা।
- disfigurement (noun) বিকৃতি এবং distortion (noun) বিকৃতি; বিকৃত ঘটনা হচ্ছে deformation এর Synonymous.

Source: 
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
3. বাংলা একাডেমি (ইংলিশ-বাংলা) Dictionary.

৩৭) Words inscribed on a tomb is an-

epitome

epithet

episode

epitaph

epitaph

ব্যাখ্যা:
• Words inscribed on a tomb is an - epitaph.

• Epitaph (Noun):

English Meaning:
1. a phrase or form of words written in memory of a person who has died, especially as an inscription on a tombstone.
2. Something by which a person, time, or event will be remembered.
Bangla meaning: সমাধিলিপি।

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে - 
Epitome (Noun):
English Meaning: A person or thing that is a perfect example of a particular quality or type.
Bangla Meaning: সারসংক্ষেপ; গুণাবলির প্রতীক

• Epithet (Noun):
English Meaning: An adjective or phrase expressing a quality or attribute regarded as characteristic of the person or thing mentioned.
Bangla Meaning: কোনো চরিত্রের গুণাবলিসূচক বিশেষণ অথবা বর্ণনা। যেমন Akbar the great.

• Episode (Noun):
English meaning: An event or a group of events occurring as part of a sequence; an incident or period considered in isolation.
Bangla meaning: কোনো সুদীর্ঘ কাহিনির অন্তর্গত উপাখ্যান।

Source:
1. Oxford and Bangla Academy.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৩৮) The phrase 'dog days' means-

hot weather

cold shower

rain-soaked streets

ice storm

hot weather

ব্যাখ্যা:
• 'Dog days' phraseটির অর্থ- Hot weather.

• Dog days:
English Meaning: the hottest period of the year / a period of stagnation or inactivity/ hot weather.
Bangla Meaning: বছরের সবচেয়ে গরম দিন /গরম দিন/ খারাপ সময় / অচলাবস্থা।

Ex. Sentence: The dog days of summer are a difficult period for those who have to work out in the open.
Bangla Meaning: যাদেরকে বাইরে কাজ করতে হয় তাদের জন্য গ্রীষ্মের গরম দিনগুলো খুব কঠিন সময়।

Source:
1. Live MCQ Lecture.

৩৯) Which gender is the word 'orphan'?

neuter

feminine

common

masculine

common

ব্যাখ্যা:
• Orphan (Noun):
English Meaning: এতিম শিশু/এতিম
Bangla Meaning: A child whose parents are dead.

• সুতরাং এটি ছেলে-মেয়ে উভয়কেই বুঝায়।
- তাই সঠিক উত্তর - common gender.
----------------------
• Gender:
- যে সকল শব্দ দ্বারা কোন noun or pronoun এর পুরুষ, স্ত্রী বা এদের কোনটিই নয় বা অবচেতন পদার্থ(ক্লীব) ইত্যাদি বুঝায় তাদেরকে Gender বলে।
- Gender সাধারনত চার প্রকার।

1. Masculine Gender:
- যে noun বা pronoun দ্বারা কোন প্রাণীর পুরুষ বাচক অবস্থাকে বোঝায় তাকে Masculine Gender বলে।
যেমন – Man, Boy, Brother, Bull, He, Dog, Cock, ইত্যাদি।

2. Feminine Gender:
- যে noun বা pronoun দ্বারা কোন প্রাণীর স্ত্রী বাচক অবস্থাকে বোঝায় তাকে Feminine Gender বলে।
- যেমন – Woman, Cow, Sister, Girl, She, Bitch, Hen, ইত্যাদি।

3. Neuter Gender:
- যে noun দ্বারা কোন প্রাণীর স্ত্রী বা পুরুষ কোন অবস্থাকে বোঝায় না তাকে Neuter Gender বলে।
- যেমন - Book, Pen, Table, ইত্যাদি।

4. Common Gender:
- যে noun বা pronoun দ্বারা কোন প্রাণীর পুরুষ বা স্ত্রী যে কোন অবস্থাকে বোঝায় তাকে Common Gender বলে।
- যেমন – Baby, Cousin, Student, Teacher, Citizen, Enemy, ইত্যাদি।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy 
2. Oxford Learner's Dictionary.

৪০) Who wrote the play “The Way of the World”?

William Shakespeare

William Congreve

Ben Jonson

Oscar Wilde

William Congreve

ব্যাখ্যা:
• 'The Way of the World':
- এটি হচ্ছে William Congreve রচিত একটি বিখ্যাত নাটক।
- Comedy of Manner এর ধারায় লেখা 5acts বিশিষ্ট এই playটি ১৭০০ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এই play টিকে William Congreve এর অন্যতম সেরা সৃষ্টি হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।
- Way of The World এ লেখক তাঁর তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থা এবং এর রীতিনীতি গুলোকে বিশেষ করে প্রেম এবং বিবাহ সম্পর্কিত বিষয় গুলোকে নিয়ে উপহাস করেছেন।
- The plot concerns the efforts of the lovers Millamant and Mirabell to obtain the permission of Millamant’s aunt for their marriage.
- একে অন্যের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবার জন্য এবং Millamant এর aunt এর নিকট থেকে অনুমতি নেয়ার জন্য তারা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে।
- নানারকম ভুল বোঝাবুঝি, ষড়যন্ত্র এবং হাস্যরস এর মাধ্যমে কাহিনি সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে।
- Despite a scheme that goes awry and after several misunderstandings and other complications are cleared up, the two finally obtain her consent.
 
• Major Characters:
- Mirabell,
- Fainall,
- Marwood,
- Mrs. Arabella Fainall,
- Lady Wishfort,
- Petulant, etc.
 
• William Congreve:
- তিনি Restoration Period এর একজন স্বনামধন্য সাহিত্যিক এবং Comedy of Manners এর জন্য বিশেষ ভাবে বিখ্যাত।
- He shaped the English comedy of manners through his brilliant comic dialogue, his satirical portrayal of the war of the sexes, and his ironic scrutiny of the affectations of his age.
 
• His famous plays:
- The Way of The World,
- Love for Love,
- The Double Dealer,
- The Old Bachelor etc.
 
Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman and Britannica.

৪১) “Better to reign in Hell, than serve in Heav'n.'' --Who wrote this?

Geoffrey Chaucer

Christopher Marlowe

John Milton

P. B. Shelley

John Milton

ব্যাখ্যা:
• "Better to reign in Hell, than to serve in Heaven." 
- John Milton wrote this in his famous epic 'Paradise Lost'.
- উক্তিটি Paradise lost কেন্দ্রীয় চরিত্র Satan এর বলা ।
- Satan, the leader of the fallen angels tries to inspire his comrade after being thrown away by God from Heaven to Hell।
- It is Satan's rally cry to his comrades to rise up and fight with him even though they have been cast into hell.

• Paradise Lost:
- এটি John Milton লিখিত একটি Epic.
- The theme of Paradise Lost or 'Paradise Lost' attempted to Justify the ways of God to men.
- তার লেখা Paradise lost কে the great Epic in English হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৬৬৭ সালে প্রকাশিত এই বইটি মোট বারো খণ্ডে বিভক্ত।
- এটি Blank verse (অমিত্রাক্ষর ছন্দ)- এ রচিত।
- খ্রিষ্টীয় ধর্মীয় মতবাদকে প্রাধান্য দিয়ে আদি মানব এবং মানবী Adam & Eve এর স্বর্গ থেকে মর্ত্যে আগমনের কাহিনী হচ্ছে এই মহাকাব্যটির মূল উপজীব্য বিষয়।

• Paradise Lost কাব্যটি প্রধানত দুটো অংশে বিভক্ত: প্রথমত, শয়তানের বিদ্রোহ এবং দ্বিতীয়ত, আদম ও হাওয়ার পতন।
- ঈশ্বরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার শাস্তি স্বরূপ শয়তান এবং তার সহযোগীদের স্বর্গ থেকে বিতাড়িত করে দেওয়া হয়।
- শয়তান স্বর্গ থেকে বিতাড়িত হওয়ার পরে মানবজাতির উপর প্রতিশোধ নিতে চায়। সে আদম ও ইভ কে দিয়ে তাদের ঈশ্বরের আদেশ লঙ্ঘনের পরিকল্পনা করে। শয়তান ইভকে প্রলুব্ধ করে গার্ডেনে যেয়ে নিষিদ্ধ ফল খাওয়ার জন্য, এবং ফলস্বরূপ, এক প্ররযায়ে আদম অ ইভ দুজনে সেই ফল খায় এবং এর ফলস্বরূপ তাদের দুজনকেও স্বর্গ থেকে বিতাড়িত করা হয়।। 
-  এই কাব্যটি মানুষের স্বাধীন ইচ্ছা, পাপ, এবং পুনঃরুদ্ধারের থিম নিয়ে আলোচনা করে। এটি ঈশ্বরের মহত্ব এবং তাঁর ন্যায়ের প্রতিফলন ঘটায়। মিলটনের এই রচনাটি ইংরেজি সাহিত্যের একটি অমর সৃষ্টি হিসেবে পরিচিত।

• এই Epic এর আরো বিখ্যাত কিছু উক্তি -
- Of Man's First Disobedience, and the Fruit Of that Forbidden Tree, whose mortal taste Brought Death into the World, and all our woe. (First line)
- Death is the golden key that opens the place of eternity.
- Solitude sometimes is the best society.
- Awake, arise or be forever fall'n.
- The mind is its own place, and in itself can make a heaven of hell, a hell of heaven.
- What hath night to do with sleep?
- So farewell hope, and with hope farewell fear.

• এই Epic এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ -
- Adam,
- Eve,
- Satan,
- Beelzebub,
- Raphael,
- Michael,
- Mamoon,
- Belial,
- Gabriel, etc.

• John Milton (1608-1674):
- He was born in London, England in 1608.
- তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
- তিনি William Shakespeare এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
- মূলত কবি হিসেবে প্রসিদ্ধ হলেও মিল্টন কিছু উচ্চমানের রাজনৈতিক প্রবন্ধও লিখেছিলেন।
- তাকে বলা হয় the Epic Poet. এছাড়া great master of Blank Verse ও বলা হয়।

• Some notable works of him:
- Paradise Lost (Epic);
- Paradise Regained (Epic);
- Of Education (Prose);
- Lycidas (Elegy);
- Comus (masque/ a type of theatre entertaining poetry),
- On Shakespeare (First published poem),
- Samson Agonistes,
- L'Allegro,
- Il Penseroso,
- Of Education,
- Areopagitica, etc.

Source: Live MCQ Lecture and Britannica.

৪২) Who is not an Irish writer?

Oscar Wilde

James Joyce

Jonathan Swift

D. H. Lawrence

D. H. Lawrence

ব্যাখ্যা:
• Of the following, D. H. Lawrence is not an Irish writer.

• D.H. Lawrence: 
- D.H. Lawrence, in full David Herbert Lawrence is an English author
- তিনি ছিলেন একাধারে ঔপন্যাসিক, কবি, নাট্যকার, প্রবন্ধকার, সাহিত্য সমালোচক।
- তার novel Sons and Lovers, The Rainbow এবং Women in Love তাকে 20th century এর সবচেয়ে influential English writers হিসেবে প্রকাশ করে।

• David Herbert Lawrence's well-known novels:
- Sons and Loves,
- The White Peacock,
- The Rainbow,
- Women in Love,
- Lady Chatterley's Lover,
- A Modern Lover.

• অন্যদিকে, 
• Oscar Wilde
- He was an Irish poet, novelist, and dramatist.
- This Irish-born poet became London’s most popular playwright in the early 1890s.
- His full name was Oscar Fingal O’Flahertie Wills Wilde.
- Ravenna হচ্ছে তাঁর বিখ্যাত poem এবং His only novel - The Picture of Dorian Gray (1891)

• James Joyce:
- বিংশ শতাব্দী অর্থাৎ Modern Period এর বিখ্যাত novelist দের মধ্যে James Joyce অন্যতম।
- He was an Irish novelist noted for his experimental use of language and exploration of new literary methods.
- James Joyce’s Ulysses (1922), a complex evocation of the inner states of the characters Leopold and Molly Bloom and Stephen Dedalus.
- Ulysses হলো James Joyce রচিত বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।
- James Joyce তার `Stream of Consciousness’ (চেতনার অন্তঃশীল প্রবাহ) টেকনিকের জন্যে বিখ্যাত।

• Jonathan Swift:
- তিনি একজন Anglo-Irish author এবং clergyman ছিলেন।
- তিনি Neoclassical period এর একজন Author.
- Jonathon Swift, an Anglo-Irish author, who was the foremost prose satirist in the English language.
- অর্থাৎ, ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত ব্যঙ্গরচয়িতা বা satirist হলেন Jonathan Swift.
- তার রচিত বিখ্যাত satire হলো ‘Gulliver’s Travels’.
- তাঁর ছদ্মনাম Isaac Bickerstaff.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.

৪৩) 'A herd of cattle is passing.' The underlined word is a/an -

adverb

adjective

collective noun

abstract noun

collective noun

ব্যাখ্যা:
• Herd (Noun):
Meaning: A large group of animals, especially hoofed mammals, that live, feed, or migrate together or are kept together as livestock.
বাংলা অর্থ - (বিশেষত গবাদিপশুর) দল; পাল।
-  শব্দটি একটা Collective Noun.

• Collective Noun:

- A Collective Noun is the name of a number (or collection) of persons or things taken together and spoken of as one whole.
- যে সকল Noun দ্বারা সমজাতীয় কিছু ব্যক্তি, বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায় তাদেরকে Collective Noun বলে।
- অর্থাৎ কিছু Common Noun এর সমষ্টিকেই collective noun বলে।
- কিছু collective noun হচ্ছে - cattle, herd, army, public, library, jury, committee, crew, majority, minority etc.

- Collective noun এর পূর্বে সংখ্যা বসিয়ে কিংবা এরপর s/es বসিয়ে plural করে এদেরকে common noun এ পরিণত করা হয়।
- যেমন: Three committees drafted proposals for revising the rules. Here 'committees' is a common noun.
- Commmittee (বিশেষ কাজ সম্পাদনের জন্য নির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ; কমিটি; সমিতি) সাধারণত একটি collective noun.
- কিন্তু এর পূর্বে three (সংখ্যা) বসায় এটি common noun এ পরিণত হয়েছে।

• অন্যদিকে, 
- Collective noun এর পূর্বে article বসলেও তা collective noun থাকে, common noun হয় না।

৪৪) What is the adjective form of the word 'people'?

populous

popular

popularity

popularize

populous

ব্যাখ্যা:
• People (noun) (countable noun]
English Meaning: Human beings in general or considered collectively.
Bangla Meaning: ব্যক্তিবর্গ; মানুষের সমষ্টি; জনতা; মানুষের মিলিত দল।

• অপশন গুলোর মধ্যে - 
• Populous (Adjective):
- English Meaning: Having a large population; densely populated.
- Bangla Meaning: জনবহুল; জনাকীর্ণ; ঘনবসতিপূর্ণ।

• Popular (Adjective):
- English Meaning: Liked, admired, or enjoyed by many people or by a particular person or group.
- Bangla Meaning: জনপ্রিয়

• Popularity: (noun) [Uncountable noun]
English Meaning: the fact that something or someone is liked, enjoyed, or supported by many people.
Bangla Meaning:  জনপ্রিয়তা; লোকপ্রিয়তা; লোকগ্রাহ্যতা; লোকপ্রীতি।

• Popularize: (verb-transitive)
English Meaning: to make something become popular.
Bangla Meaning: জনপ্রিয়/লোকপ্রিয়/লোকপ্রচলিত করা।

• Populous এবং Popular এ দুটো শব্দই Adjective হলেও people এর Adjective মূলত populous যা People কে অন্তর্ভুক্ত করে।
- অন্যদিকে Popular অন্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর গুণ হয়ে থাকে।
- তাই সঠিক উত্তর - populous.

Source: 
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.
3. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৪৫) 'He contemplated marrying his cousin.' Here 'marrying' is a/an-

present participle

gerund

verb

infinitive

gerund

ব্যাখ্যা:
• 'He contemplated marrying his cousin.' Here 'marrying' is a - Gerund.
• এখানে, - Contemplate – Verb এর Object হওয়ার কারণে এটা Noun হয়েছে।
- আর Verb+ing – Noun হিসেবে ব্যবহৃত হলে এটা Gerund হয়।  


 • Gerund:
- Verb এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun এর কাজ করে অর্থাৎ Verb ও noun এর কাজ করে, তাহলে তাকে Gerund বলে।
- সংক্ষেপে: Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun.
- It is a word ending in "-ing" that is made from a verb and used like a noun:
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.

• Functions of the Gerund:
কোন বাক্যে Gerund ব্যবহৃত হয়:
1. As subject: Rising early is a good habit.
2. As object: I like playing Badminton.
3. As an object of a preposition: The old woman is tired of walking.
4. As a complement of a verb: Working is earning.

৪৬) 'No Second Troy' is a-

short story

novel

poem

drama

poem

ব্যাখ্যা:
• No Second Troy:
- এটি W. B. Yeats রচিত একটি কবিতা,

• এই কবিতাটি Yeats তার প্রেমিকা Maud Gonne এর কাছ থেকে পাওয়া final rejection এর পর লিখা।
- ‘No Second Troy’ was written after the final rejection of Yeats’s love offer and sudden marriage to John MacBride, who, ironically was later made the martyr of the Irish Freedom Movement by the efforts of Yeats himself.
- কবিতাটি blank verse এ রচিত দুই স্তবক বিশিষ্ট একটি কবিতা।
- এতে মোট ১২টি লাইন রয়েছে।

• কবিতাটির শেষ দুটি পঙক্তি হচ্ছে - 
Why, what could she have done, being what she is?
Was there another Troy for her to burn?

• William Buttler Yeats is a famous literary figure who belongs to the Modern Period.
- একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে, তার সাহিত্যকর্ম গুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন
- নিজের জন্মভূমির প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ তার বিভিন্ন কবিতায় লক্ষ্য করা যায়।
- W.B Yeats কে Ireland এর National poet বলা হয়ে থাকে।
- তিনি ১৯২৩ সালে প্রথম আইরিশ হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 

• তাঁর রচিত কিছু বিখ্যাত কবিতা - 
- No Second Troy,
- A Prayer for My Daughter,
- The Tower,
- Sailing to Byzantium,
- The Second Coming,
- Easter 1916,
- The Man Who Dreamed of Fairyland,
- The Stolen Child,
- The Lake Isle of Innisfree,
- September 1913,
- An Irish Airman Foresees His Death.

• W.B Yeats রচিত কিছু play হচ্ছে - 
- The Countess Cathleen,
- The Hour Glass,
- The Only Jealousy of Emer,
- The Dreaming of the Bones,
- Calvary,
- At Hawk's Wall, etc.

Source: Britannica.

৪৭) Who is not a modern poet?

W. B. Yeats

W. H. Auden

John Keats

T. S. Eliot

John Keats

ব্যাখ্যা:
• Of the following John Keats is not a Modern poet.

• John Keats:
- English Romantic lyric poet who devoted his short life to the perfection of a poetry marked by vivid imagery, great sensuous appeal, and an attempt to express a philosophy through classical legend.
• John Keats এর Title গুলো হলো -
- Poet of Beauty,
- Poet of sensuousness,
- A Death Hunted Poet,
-The Youngest Poet of English Literature.
- এছাড়া তিনি ছিলেন- Physician, surgeon, এবং Doctor.
- John Keats তার Sense of Beauty এর জন্য বিখ্যাত।
- তার সাহিত্যকর্মের মধ্যে আছে, sonnets, odes, and epics ইত্যাদি।

• John Keats's famous poems are:
- Ode to Psyche,
- Ode on Melancholy,
- To Autumn,
- Bright Star,
- On First Looking into Chapman's Homer,
- Lamia,
- Hyperion,
- The Eve of St,
- La Belle Dame Sans Merci.

• অন্যদিকে, 
• William Buttler Yeats is a famous literary figure who belongs to the Modern Period.
- একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে, তার সাহিত্যকর্ম গুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন
- নিজের জন্মভূমির প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ তার বিভিন্ন কবিতায় লক্ষ্য করা যায়।
- W.B Yeats কে Ireland এর National poet বলা হয়ে থাকে।
- তিনি ১৯২৩ সালে প্রথম আইরিশ হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 

•  W. H. Auden এর পুরো নাম হচ্ছে Wystan Hugh Auden.
- তিনি একজন Modern British-American poet.
- তাঁর কবিতার জন্য বিংশ শতাব্দীর একজন Leading literary figure হিসেবে পরিচিত।
- তিনি "The Age of Anxiety" কবিতার জন্য ১৯৪৮ সালে Pulitzer Prize জিতেছিলেন।

• T. S. Eliot (Thomas Stearns Eliot)
-  He was born in September 26, 1888, St. Louis, Missouri, U.S.
- ১৯৬৫ সালের ৪ জানুয়ারি তিনি লন্ডনে মারা যান।
- Eliot কে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক বিবেচেনা করা হয়। 
- তিনি একাধারে  American-English poet, playwright, literary critic এবং editor.
- He is a leader of the Modernist movement in poetry in such works as The Waste Land and Four Quartets.
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে Nobel Prize পান।

Source: Britannica, Live MCQ Lecture and bbc. com

৪৮) Who is the author of the novel 'The God of Small Things'?.

Thomas Hardy

Jhumpa Lahiri

R. K. Narayan

Arundhati Roy

Arundhati Roy

ব্যাখ্যা:
• "The God of Small Things" written by Arundhati Roy.
- 'The God of Small Things' Arundhati Roy এর একটি award-winning novel.
- 1960 সালে Kerella, India তে বসবাস কারী একটি পরিবারের কাহিনীর মাধ্যমে সামাজিক নানান চিত্র তথা caste- discrimination কে তুলে ধরেছেন লেখিকা।
- ১৯৯৭ সালে এটি প্রকাশিত এই novel এর জন্য Arundhati Roy, Booker Prize লাভ করেন।

• Summary: 
• গল্পটি মূলত কেরালার একটি উচু জাতের পরিবারকে ঘিরে আবর্তিত, যেখানে দুই যমজ ভাইবোন, Estha and Rahel, তাদের শৈশবে পরিবারের জটিল সম্পর্কের মাঝে বেড়ে ওঠে। উপন্যাসে সামাজিক বিভাজন, প্রাচীন রীতি ও নিষিদ্ধ ভালোবাসার টানাপোড়েনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

• উপন্যাসে "Ammu" এবং "Baba" হচ্ছেন Estha and Rahel এর মা-বাবা। Ammu ছিলেন এক সংগ্রামী নারী, যিনি জীবনে স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছেন এবং নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্তানদের মানুষ করেছেন। তিনি সমাজের রীতিনীতির বিরুদ্ধে গিয়ে ভালোবাসার সন্ধান করেন, যার জন্য তাঁকে কঠোর পরিণতির সম্মুখীন হতে হয়।

• অন্যদিকে,"Baba" ছিলেন একজন মদ্যপ এবং দায়িত্বহীন ব্যক্তি, যিনি পরিবারের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা পালন করেননি বরং নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করতে ও চাকরি রক্ষা করতে তিনি তার বাচ্চাদের মা কে তার অফিসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে তুচ্ছভাবে উপস্থাপন করেছিলেন। তার এই স্বার্থপরতা এবং দায়িত্বজ্ঞানহীনতা Ammu এর জীবনে আরও বিপর্যয় ডেকে আনে এবং পরিবারটিকে দুর্দশার মধ্যে ফেলে দেয়। তাঁর এই আচরণের জন্যই Ammu সংসার ছেড়ে সন্তানদের নিয়ে ফিরে আসতে বাধ্য হন।

• "Valutha" চরিত্রটি একজন নিম্নবর্ণের শ্রমিক, যাঁর সাথে Ammur প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাঁদের এই সম্পর্কই সমাজের চোখে অপরাধ হয়ে দাঁড়ায় এবং শেষমেশ ভয়ানক পরিণতির দিকে নিয়ে যায়।

• এই গল্পের চরিত্রগুলো সমাজের প্রচলিত নিয়মের বিরুদ্ধে দাঁড়ায় এবং পরিণামে ভোগ করে নিঃসঙ্গতা ও দুঃখ। এই উপন্যাসে কল্পনা ও বাস্তবতার মিশ্রণে মানবিক অনুভূতির সূক্ষ্মতা এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের প্রতিফলন রয়েছে।

• এই Novel এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ - 
- Ammu 
- Baba
- Estha 
- Rahel
- Valutha, etc.

• Arundhati Roy:
- full name Suzanna Arundhati Roy
- She is an Indian author, actress, and political activist.
- Born: November 24, 1961, Shillong, Meghalaya, India. 
- Indian author, actress, and political activist.
- She is best known for the award-winning novel The God of Small Things (1997) and for her involvement in environmental and human rights causes.

• Key Works: 
- The God of Small Things
- The Ministry of Utmost Happiness.

Source: Britannica

৪৯) Which of the following novels is not written by an English writer?

A Passage to India

Sons and Lovers

One Hundred Years of Solitude

Pride and Prejudice

One Hundred Years of Solitude

ব্যাখ্যা:
• of the following, One Hundred Years of Solitude is not written by an English writer.
-'One Hundred Years of Solitude' is a novel written by the Colombian writer Gabriel Garcia Marquez.

• One Hundred Years of Solitude:
- এটি সর্বপ্রথম ১৯৬৭ সালে Spanish Language এ Cien años de soledad নামে প্রকাশিত হয়।
- এই novel টিকে লেখকের masterpeice হিসেবে ববেচনা করা হয় এবং  the foremost example of his style of magic realism.
- This is the author’s epic tale of seven generations of the Buendía family that also spans a hundred years of turbulent Latin American history, from the postcolonial 1820s to the 1920s.
- তিনি ১৯৮২ সালে সাহিত্য novel পুরস্কার লাভ করেন mostly for his masterpiece 'One Hundred Years of Solitude'.

• গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ কলম্বিয়ার একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক।
- তাঁকে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক বিবেচনা করা হয়।
- গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ রচিত বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস One Hundred Years of Solitude বা নিঃসঙ্গতার একশ বছর।
- এই উপন্যাসেরই একটি বিখ্যাত উক্তি হলো - They were so close to each other that they preferred death to separation.

• Gabriel Garcia Marquiz's other notable works - 
- Love in the Time of Cholera,
- Memories of My Melancholy Whores,
- News of a Kidnapping,
- No One Writes to the Colonel,
- One Hundred Years of Solitude,
- The Leaf Storm ইত্যাদি।

• অন্যদিকে, 
ক) A Passage to India
- 'A Passage to India' is written by  E.M. Forster, who is a British novelist, essayist এবং social and literary critic.
- তিনি Modern Period এর একজনন সাহিত্যিক।
- His 'A Passage to India' was published in 1924 and is considered one of the author's finest works.
- এই novel টিতে মূলত racism and colonialism ফুটে উঠেছে।
- The book portrays the relationship between the British and the Indians in India.

খ) Sons and Lovers
- English novelist, D.H. Lawrance, in full, David Herbert Lawrence wrote the novel 'Sons and Lovers'.
- ১৯১৩ সালে প্রকাশিত এটি D.H Lawrence এর semi-autobiographical novel.
- এই novel টিকে Lawrence এর প্রথম mature novel ও বলা হয়।
- It is a psychological study of the familial and love relationships of a working-class English family.

ঘ) Pride and Prejudice
- 'Pride and Prejudice' হচ্ছে English novelist Jane Austen রচিত একটি romantic novel.
- এটি 1813 সালে তিনটি ভলিউমে প্রকাশিত হয়।
- বুদ্ধিদীপ্ত উপমা এবং চরিত্রগুলোর চমৎকার উপস্থাপনা ও বর্ননার কারনে English Literature এ এই novel টি একটি classic হিসেবে বিবেচিত।
- কাহিনীর শুরু হয় Bennet পরিবারের সাথে Fitzwilliam Darcy নামক একজন জমিদারের সম্পর্কে নিয়ে।
- Elizabeth Bennet এবং Fitzwilliam Darcy একে অপরের প্রেমে পড়তে চায়, কিন্তু বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় যুক্তিহীন কিছু পূর্ব ধারণার কারণে।
- এই novel টিতে Elizabeth Bennet, the daughter of a country gentleman, and Fitzwilliam Darcy, a rich aristocratic landowner এর মধ্যে ক্রমান্বয়ে গড়ে উঠা প্রেমের সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.

৫০) A speech full of too many words is-

a big speech

maiden speech

a verbose speech

an unimportant speech

a verbose speech

ব্যাখ্যা:
• A speech of too many words is called - A verbose speech.
• Verbose (Adjective)
English Meaning: Using or expressing in more words than are needed.
Bangla Meaning: বাগাড়ম্বরপূর্ণ; শব্দাড়ম্বরপূর্ণ: a verbose speech/speaker/style.

• অন্যদিকে, 
• Maiden speech অর্থ পার্লামেন্টে নবাগত সদস্যের প্রথম ভাষণ বা First Speech.

Source:
1. Oxford Learners Dictionary
2. Accessible Academy by Bangla Academy.

৫১) Who is the poet of the poem “Ozymandias”?

P. B. Shelley

William Wordsworth

S. T. Coleridge

John Keats

P. B. Shelley

ব্যাখ্যা:
• ‘Ozymandias’
- P. B Shelley is the poet of the poem “Ozymandias”
- সনেট আকারে লেখা এই কবিতাটি ১৮১৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই কবিতাটি P.B. Shelley এর অন্যতম সাহিত্যকর্ম হিসেবে বিবেচিত হয়।
- The poem offers an ironic commentary on the fleeting nature of power. 
- The central idea of 'Ozymandias' is that All things, both great and small, will perish.
- It tells of a ruined statue of Ozymandias, on which is inscribed, “Look on my Works, ye Mighty, and despair!” Around the statue, “The lone and level sands stretch far away.”

• কবিতার গল্প একজন যাত্রীর বর্ণনা দেয়ার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে, যিনি একটি প্রাচীন ভগ্নস্তূপের মধ্যে একটি ক্ষতিগ্রস্ত মূর্তি দেখতে পান। মূর্তিটির পেডেস্টালে লিখিত ছিল, "“Look on my Works, ye Mighty, and despair!”  কিন্তু, মূর্তিটি এখন ক্ষতিগ্রস্ত এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত, এবং তার চারপাশে কেবল মরুভূমির অশান্ত পরিবেশ ছাড়া কিছুই নেই।

• এখানে, Ozymandias, যিনি এক সময় পৃথিবীজুড়ে শক্তিশালী রাজা ছিলেন, তার ক্ষমতার অস্থায়ীত্ব এবং পৃথিবী থেকে তার মহত্ত্বের বিলুপ্তি তুলে ধরা হয়েছে। কবিতাটি একটি গভীর পাঠ দেয় যে, সব কিছুই শেষ হয়ে যায়—এমনকি সবচেয়ে বড় রাজ্যও, কিন্তু প্রকৃতি এবং সময় অবিচল থাকে।

Famous quotations: 
- My name is Ozymandias, King of Kings; /Look on my Works, ye Mighty, and despair!
- Nothing beside remains.
- Round the decay / Of that colossal Wreck, boundless and bare / The lone and level sands stretch far away.
- The hand that mocked them, and the heart that fed.
- And on the pedestal, these words appear.

• P.B. Shelley:
- তিনি একজন English Romantic poet.
- English Romantic poet whose passionate search for personal love and social justice was gradually channeled from overt actions into poems that rank with the greatest in the English language.

• Some notable work:
- Adonais,
- Mont Blanc,
- Ode to the West Wind,
- Ozymandias,
- Peter Bell the Third,
- Prometheus Unbound (play)
- Queen Mab,
- Rosalind and Helen,
- The Cenci (tragedy play) 
- The Cloud,
- The Masque of Anarchy.

Source: Britannica.

৫২) 'Moby Dick', a novel, was written by -

Herman Melville

Nathaniel Hawthorne

Mark Twain

William Faulkner

Herman Melville

ব্যাখ্যা:
• Moby Dick:
- Herman Melville রচিত একটি novel.
- The novel, 'Moby Dick' by Herman Melville depicts - the story of a whale.
- অর্থাৎ, Moby Dick' in the novel is A Giant Whale.
- উপন্যাসটির কাহিনী আবর্তিত হয়েছে একটি তিমি শিকারকে কেন্দ্র করে।
- একটি whaling vessel বা শিকারকারি জাহাজে করে গল্পের চরিত্রগুলো সমুদ্রের উদ্দেশ্যে তাদের যাত্রা শুরু করে।
- এই জাহাজটি নাম হচ্ছে - 'Pequod'.
- Moby Dick নামক white gaint whale বা তিমিটিকে শিকারের কাহিনীর উপ্যাখান দেখা যায় পুরো কাহিনী জুড়ে, যার সমাপ্তি ঘটে বর্ণনাকারী Ismael ব্যাতীত সকলের মৃত্যুর মধ্যে দিয়েই।
- But the irony is - The white whale does not die in Moby Dick at the end!

• Characters:
- Ishmael (Narrator),
- Ahab (Ship's Captain),
- Queequeg,
- Starbuck,
- Peleg and Bildad (Owner of the ship Pequod), etc.

• Herman Melville 
- তিনি হচ্ছেন একজন American Novelist, short-story writer and poet.
- Moby Dick, a novel by Herman Melville, published in London in October 1851 as "The Whale" and a month later in New York City as Moby-Dick; or, The Whale.
- It is dedicated to Nathaniel Hawthorne.
- Moby Dick is generally regarded as Melville’s magnum opus and one of the greatest American novels.

Famous novels of Herman Melville are:
- Moby Dick,
- White Jacket,
- Bartleby, the Scrivener.

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman and Britannica and Sparksnotes.

৫৩) 'If Winter comes, can Spring be far behind?' - Who wrote this?

William Blake

S. T. Coleridge

Lord Byron

P. B. Shelley

P. B. Shelley

ব্যাখ্যা:
• 'If Winter comes, can Spring be far behind?'
- P. B. Shelley wrote this in his famous poem 'Ode to the West Wind'.

• Ode to the West Wind:

- P. B Shelley wrote the poem 'Ode to the West Wind'.
- ১৮২০ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- কবিতায় তিনি West Wind কে destroyer and preserver বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- Ode to the West Wind, was written in a single sitting on Oct. 25, 1819, at Cascine wood near Florence, Italy.
- কারো কারো মতে, কবিতাটি Shelley তার পুত্র William এর মৃত্যুশোকে লিখেছিলেন। 
- কবি West Wind এর প্রলয়ংকারী ক্ষমতাকে সমাদর করেছেন এবং একইভাবে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এভাবেই যেন বৈপ্লবিক চিন্তাগুলো সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে যায়। 
- এই কবিতাটি Shelley এর আবেগপ্রবণ ভাষা এবং প্রতীকী চিত্রকল্পের একটি প্রধান উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত।
-  "If winter comes, can spring be far behind?" - এই লাইনটির সাথেই কবিতাটি শেষ হয়।
- উক্তিটিকে literary terms Metaphor এর উদাহরন হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।

• Some of his famous quotations are:
- 'Our sweetest songs are those that tell of saddest thought' (Ode To A Skylark).
- 'The more we study, the more we discover our ignorance' (Queen Mab).

• P.B. Shelley:
- তিনি একজন English Romantic poet.
-  তাকে গণ্য করা হয় ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম একজন Revolutionary poets হিসেবে।
- Her passionate search for personal love and social justice was gradually channeled from overt actions into poems that rank with the greatest in the English language.
- মাত্র ২৯ বছর বয়সে মৃত্যু হয় ইংরেজি সাহিত্যের এই উজ্জ্বল নক্ষত্রের।

• Some notable works:
- Adonais,
- Mont Blanc,
- Ode to the West Wind,
- Ozymandias,
- To a Skylark,
- Peter Bell the Third,
- Prometheus Unbound (play)
- Queen Mab,
- Rosalind and Helen,
- The Cenci (play)
- The Cloud,
- The Masque of Anarchy.

Source: Britannica.

৫৪) O' Henry was from -

Canada

America

England

Ireland

America

ব্যাখ্যা:
• O’ Henry (1862-1910):
- তিনি একজন বিখ্যাত আমেরিকান ছোট গল্প লেখক এবং Modern Period এর অন্যতম সাহিত্যিক।
- যদিও তাঁর পুরো নাম বা real name হচ্ছে William Sydney Porter' কিন্তু তিনি O' Henry হিসেবেই সাহিত্য জগতে অধিক পরিচিতি লাভ করেছেন।
- বলা হয়ে থাকেO' Henry is the short-story writer whose tales romanticized the commonplace - বিশেষ করে New York City এর সাধারণ মানুষের জীবন।
- তাঁর সাহিত্যে আমেরিকার নিউইর্ক এর সাধারণ মানুষের জীবন ধারনের চিত্র নতুন মাত্রায় স্থান পেয়েছে।

• His famous works:
- Heart of the West,
- The Gift of the Magi,
- Sixes and Sevens,
- Roads of Destiny,
- Cabbage and Kings,
- The Four million,
- The Voice of the City etc.

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.

৫৫) Where is the setting of the play 'Hamlet'?

England

Italy

France

Denmark

Denmark

ব্যাখ্যা:
• The play 'Hamlet' written by William Shakespeare tells the story of a prince seeking revenge for his father’s murder.
- The setting of the play is in 'Denmark'.
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
-  এটিও 5acts বিশিষ্ট এই tragedy টি ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই ট্র্যাজিডিটি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- Hamlet, Shakespeare রচিত সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত tragedy.

• এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamlet জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ  করতে এবং জানতে পারে যেতার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর  Hamlet পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নিতে চান এবং বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায়।
- শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।
- In Shakespeare's play "Hamlet", 'Ophelia' is Hamlet's love interest.
- Ophelia, Hamlet এর একমাত্র female character, the beloved/lover of the Main Character Hamlet, the daughter of Polonius and the sister of Laertes.

• এই Tragedy এর অন্যতম চরিত্র গুলো হচ্ছে -
- Hamlet,
- Claudius,
- Horatio,
- Laertes,
- Polonius,
- Ophelia,
- Horatio,
- Gertrude, etc.

• Famous quotations of Hamlet:
- Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend.
- To be or not to be that is the question.
- Frailty, thy name is woman.
- Brevity is the soul of wit.
- Listen to many, speak to a few.
- Though this be madness, yet there is method in't.
- Conscience doth make cowards of us all.
- 'There is divinity that shapes our end'.

• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets. 

Source: Britannica and Live MCQ Lecture

৫৬) The word 'to genuflect' means -

to be genuine

to reflect

to bend the knee

to be flexible

to bend the knee

ব্যাখ্যা:
• ’to genuflect' means- to bend the knee.

• To genuflect (Intransitive verb):
English Meaning:
1. Lower one's body briefly by bending one knee to the ground, typically in worship or as a sign of respect.
2.  Show deference or servility.
Bangla Meaning: নতজানু হওয়া।

Example Sentence:
1. As a sign of respect, the knight would genuflect before the king when entering his presence.
2. In some cultures, it is customary to genuflect before entering a place of worship.

Source:
1. Merriam-Webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৫৭) Fill in the blank: She went to New Market _____.

on foot

on feet

by foot

by walking

on foot

ব্যাখ্যা:
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - on foot.
- Complete sentence: She went to New Market on foot.
- Bangla Meaning: তিনি পায়ে হেঁটে নিউমার্কেটে গিয়েছিলেন।

• On foot (Phrase):
Meaning: Walking rather than traveling by car or using other transport.
- if you go somewhere on foot, you walk there.
- অর্থাৎ, যানবাহন ব্যবহারের পরিবর্তে পায়ে হেঁটে কোথাও যাওয়া বোঝাতে On foot ব্যবহৃত হয়।

• Example:
- It takes about 30 minutes on foot, or 10 minutes by car.

৫৮) Fill in the gap:
Birds fly ___ in the sky.

random

at large

at a stitch

are long

at large

ব্যাখ্যা:
• At large (Phrase):
English Meaning: (especially of a criminal or dangerous animal) at liberty; escaped or not yet captured/Freely.
Bangla meaning: মুক্ত বা স্বাধীনভাবে।

Complete sentence: Birds fly at large in the sky.
Bangla Meaning: পাখি মুক্ত/স্বাধীনভাবে আকাশে উড়ে বেড়ায়।

Source: Live MCQ Lecture.

৫৯) Who is the author of 'Jane Eyre'?

Charlotte Brontë

Emily Brontë

Jane Austen

Mary Shelley

Charlotte Brontë

ব্যাখ্যা:
• Jane Eyre:
- Charlotte Bronte is the author of 'Jane Eyre'
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে Jane Eyre অর্থাৎ তাঁর নামেই novel টি নামকরণ করা হয়েছে।
- Charlotte Bronte তাঁর এই Novel টি তাঁর ছদ্মনাম "Currer Bell" এর অধীনে ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত করেন।
- Jane Eyre কে তাঁর Autobiography ও বলা হয়ে থাকে।
- ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি ক্লাসিক হিসাবে বিবেচিত। 

• Summary:  
- একজন নারীর সংগ্রামের গল্প। দশ বছরের একজন অনাথিনী বালিকা যে পিতা মাতার অনুপস্থিতিতে অন্য একটি পরিবারে লালিত পালিত এবং একই সাথে নিগৃহীত হয়। এরপর তার ঠিকানা হয় অনাথ আশ্রমে। 
- পরবর্তীতে Rochester নামক একজন বিত্তশালী পুরুষের প্রেমে পড়ে, কিন্তু তাদের মিলনে অনেক বাধা বিপত্তি দেখা দেয়। 
- নানা প্রতিকূলতা আর ঘাত প্রতিঘাত এড়িয়ে জীবন সংগ্রামে জয়ী হয় Jane Eyre। শেষে Rochester এর সাথে তার মিলনের মাধ্যমে উপন্যাসের শুভ সমাপ্তি ঘটে। 

Main Characters of the novel - 
- Jane Eyre,
- Edward Rochester,
- St. John Rivers,
- Helen Burns,
- Mrs. Reed.

• Charlotte Bronte: 
- তিনি একজন British author.
- English novelist noted for Jane Eyre a strong narrative of a woman in conflict with her natural desires and social condition. 
- Her father was Patrick Brontë is an Anglican clergyman. Irish-born, he had changed his name from the more commonplace Brunty.

• Notable work:
- Jane Eyre,
- Poems by Currer,
- Ellis and Acton Bell,
- Shirley: A Tale,
- The Professor,
- Villette.

Source: Britannica & Live MCQ Lecture.

৬০) The most famous romantic poet of English literature is -

John Dryden

Alexander Pope

William Wordsworth

T. S. Eliot

William Wordsworth

ব্যাখ্যা:
• The most famous romantic poet of English literature is  William Wordsworth.
- He was one of the founders of English Romanticism and one of its most central figures and important intellects.

• William Wordsworth (1770 -1850)
- He is one of the major poets of the Romantic Period.
- William Wordsworth এবং Samuel Taylor Coleridge রচিত Lyrical Ballads এর প্রকাশনার মাধ্যমে Romantic Period এর সূচনা হয় ।
- Lyrical Ballads, William Wordsworth and Samuel Taylor এর যৌথ প্রকাশনা কিন্তু এই প্রকাশনায় William Wordsworth এর অবদান ছিল সর্বোচ্চ ছিল বলে তাকে The father of Romantic Age বলা হয়।
- William Wordsworth তার সাহিত্য জীবনের শুরুতে The French Revolution দ্বারা অনুপ্রাণিত হোন এবং তার কবিতায় এর প্রভাব দেখা যায়।
- French Revolution এর মূল ছিল Liberty, equality and Fraternity.
- Wordsworth, one of them, who greeted the revolution with enthusiasm.

• তাঁর আরো কয়েকটি উপাধি হচ্ছে - 
- Poet of Nature
- Poet of Childhood
- Lake Poet.

• Famous poems of Wordsworth:
- The Solitary Reaper,
- Peter Bell,
- The Recluse,
- The World is too Much with Us,
- Tintern Abbey,
- Rainbow/ My Heart Leaps Up,
- To The Cuckoo,
- Laodamia,
- Lucy Poems,
- The Daffodils,
- Ode on immortality,
- The Excursion,
- Michael etc

• The only play by William Wordsworth is The Borderers.
- The Borderers, a tragedy in five acts, was Wordsworth's first major work.

• অন্যদিকে, 
• John Dryden হচ্ছেন The restoration Period/The Neoclassical period এর একজন English poet, dramatist, and literary critic, যিনি তাঁর সময়ের সাহিত্যিক প্রেক্ষাপটে এতটাই আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন যে, তাঁর যুগটিকে 'The Age of Dryden' হিসাবেও ধরা হয়।

• Alexander Pope is the most famous poet of The Augustan Age/ The Neoclassical period.
- এই যুগের অন্যতম সাহিত্যিক ছিলেন Alexander Pope যিনি এই যুগে তাঁর লেখনীর দ্বারা আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন।
- তিনি একজন Mock Heroic Poet হিসাবেও পরিচিত।

• T. S. Eliot কে Modern Period বা বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক বিবেচেনা করা হয়। 
- তিনি একাধারে  American-English poet, playwright, literary critic এবং editor.
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে Nobel Prize পান।

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica and Live MCQ Lecture.

৬১) Identify the correct synonym for the word 'magnanimous'.

unkind

generous

revengeful

friendly

generous

ব্যাখ্যা:
• Magnanimous (adjective)
- মহানুভব।

• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে -
ক) unkind (adjective)
- নির্দয়; নিষ্ঠুর; অকরুণ; কঠোর।

খ) generous (adjective)
- উদার; সহৃদয়: পর্যাপ্ত; প্রচুর।

গ) revengeful (adjective)
- প্রতিশোধ/প্রতিহিংসাপরায়ণ।

ঘ) friendly (adjective)
- বন্ধুত্বপূর্ণ; বন্ধুজনোচিত; বন্ধুভাবাপন্ন; সহৃদয়; মিত্রোচিত; বন্ধুসুলভ; সানুরাগ; প্রীতিপূর্ণ।

• শব্দগুলোর অর্থানুযায়ী বুঝা যাচ্ছে, Magnanimous এর সঠিক সমার্থক হচ্ছে generous.

Source:
1. Merriam-Webster Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৬২) Choose the right form of verb:
It is high time we (act) on the matter.

are acting

acted

have acted

could act

acted

ব্যাখ্যা:
• Complete Sentence: It is high time we acted on the matter.
- Bangla Meaning: বিষয়টা অনুযায়ী কাজ করার এইটাই উপযুক্ত সময়।

• It is time/It is high time:
- It is time/It is high time থাকলে আর এর পর subject বসলে subject - এরপরের verb টি past form হয়।
- তাই বাক্যটির verb হবে acted

• It is time ও It is high time এর পরে subject না এসে, কোন verb আসলে ঐ verb এর Infinitive form হবে। 
যেমন: It is high time to change our attitude.

Source: A Passage To The English Language: S. M. Zakir Hussain.

৬৩) What is the noun form of the word 'laugh'?

laughing

laughable

laughter

laughingly

laughter

ব্যাখ্যা:
• Laugh - হাসা ; উপহাস করা

• উল্লেখিত প্রশ্নের অপশন গুলো:
• Laughingly: [adverb]
- হাসতে হাসতে; তামাসাছলে

• Laughter: [noun]
- হাসি, উচচহাস্য

• Laughable: [adjective]
- হাস্যকর

• উল্লেখিত অপশন গুলো বিবেচনা করে দেখা যায় laugh শব্দটির noun form হলো laughter.
 
Source: Cambridge Dictionary.

৬৪) Identify the word which is spelt incorrectly:

fluctuation

remission

ocassion

decision

ocassion

ব্যাখ্যা:
• Of the following, Ocassion is spelt incorrectly
- এর শুদ্ধ বানান - Occasion.

• Occasion (Noun):
English Meaning:
1. A particular event, or the time at which it takes place.
2. A special or noteworthy event, ceremony, or celebration.
3. A suitable or opportune time for doing something.
Bangla Meaning: অনুষ্ঠান, ঘটনা, উপলক্ষ

অন্যদিকে,
• Fluctuation (noun):
English Meaning: An irregular rising and falling in number or amount; a variation.
Bangla Meaning: উঠা-নামা করা

• Remission (noun):
English Meaning: The cancellation of a debt, charge, or penalty.
Bangla Meaning: ছাড়।

• Decision (noun):
English Meaning: A conclusion or resolution reached after consideration.
Bangla Meaning: সিদ্ধান্ত।

Source: 
1. Oxford Learner's Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৬৫) Change the voice: 'Nobody trusts a traitor.'

A traitor is trusted.

A traitor should not be trusted.

Everybody hates a traitor.

A traitor is not trusted by anybody.

A traitor is not trusted by anybody.

ব্যাখ্যা:
Active Voice: Nobody trusts a traitor.
Passive Voice: A traitor is not trusted by anybody.

• Active থেকে Passive করতে হলে,
- Active Voice এর Subject – Passive Voice- এ Object হয়।
- Active Voice এর Object – Passive Voice এ- Subject হয়।
- অতিরিক্ত be verb বসে এবং মূল Verb এর Past Participle বসে।
- Object এর আগে by বসে।

• এই হিসেবে "Nobody trusts a traitor." এর Passive Voice
- A traitor is not trusted by anybody.
-  Nobody = not anybody.
- আবার, No one/None = not anyone.

More Example:
Active Voice: No one believes a deceiver.
Passive Voice: A deceiver is not believed by anyone.

৬৬) ___ was both a poet and a painter.

John Keats

Spenser

William Blake

John Donne

William Blake

ব্যাখ্যা:
• Of the following, the Romantic period's famous poet William Blake was both a painter and poet.

• William Blake: 
- ১৭৫৭ সালে তিনি ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তাকে ইংরেজি সাহিত্যের একজন অন্যতম সাহিত্যিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- William Blake is considered to be one of the greatest visionaries of the early Romantic era.  
- লেখক বা কবি পরিচয় ছাড়াও তার মূল পেশা ছিল - 'engraver and watercolor artist'
- অর্থাৎ, তিনি খোদাই করে ছবি তৈরী করতেন এবং জলরঙ দিয়ে ছবি আঁকতেন।
- ছবি ব্যাখ্যা করতে গিয়েই তিনি কবিতা লিখতেন।  

• Best Works:
- Songs of Innocence,
- Songs of Experience,
- The Marriage of Heaven and Hell,
- Milton a poem,
- The Divine image,
- A Vision of the Last Judgment,
- Jerusalem,
- London,
- The Tyger,
- The Lamb,
- The Everlasting Gospel,
- The First Book of Urizen,
- Vala or The Four Zoas,
- Visions of the daughters of Albion, etc.

• John Keats is known as the 'Poet of Beauty'.
- John Keats, an English Romantic lyric poet who devoted his short life to the perfection of a poetry marked by vivid imagery, great sensuous appeal, and an attempt to express a philosophy through classical legend.
• John Keats এর Title গুলো হলো - Poet of Beauty, Poet of sensuousness, A Death Hunted Poet,The Youngest Poet of English Literature.
- এছাড়া তিনি ছিলেন- Physician, surgeon, এবং Doctor.
- John Keats তার Sense of Beauty এর জন্য বিখ্যাত।
- তার সাহিত্যকর্মের মধ্যে আছে, sonnets, odes, and epics ইত্যাদি।

• Edmund Spenser:
- Elizabethan Period এর বিখ্যাত সাহিত্যিক Edmund Spenser, Poet of Poets নামে পরিচিত।
- He is called the Poets of Poet because many later English poets followed his art of Poetry
- He is also known as 'the child of Renaissance and rebirth'.
-The Faerie Queene  তার বিখ্যাত মহাকাব্য এবং The Shepherd’s Calendar তার একটি  বিখ্যাত কবিতা।

• John Donne: 
- John Donne- Renaissance যুগের একজন কবি। 
- Metaphysi­cal poetry এর জনক বলা হয় John Donne কে। 
- তিনি আধ্যাত্মিক কবিতার সূচনা করেছিলেন তাই তাকে Father of Metaphysi­cal poetry বলা হয়।
- এছাড়াও তিনি Poet of Love and Religious হিসেবেও পরিচিত।
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর John Done এর কবিতা দ্বারা অত্যন্ত প্রভাবিত হয়েছিলেন।

Source: Live MCQ Licture & Britannica.

৬৭) Identify the correct sentence:

The girl burst out tears.

The girl burst into tears.

The girl burst with tears.

The girl bursted out tears.

The girl burst into tears.

ব্যাখ্যা:
• Burst into tears (idiom):
- English Meaning: to start to cry.
- Bangla meaning: - কান্নায় ভেঙ্গে পড়া।

• কান্নায় ভেঙে পড়া অর্থে burst into tears হয়।
- বাক্যটি যেহেতু past tense এ আছে তাই burst এর past tense ব্যবহৃত হবে।
- burst এর Past form ও burst.

• সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হচ্ছে - The girl burst into tears.
- Bangla Meaning: মেয়েটি কান্নায় ভেঙ্গে পড়লো।

Source: Merriam-Webster Dictionary.

৬৮) The phrase 'sine die' means -

half-heartedly

doubtfully

fixed

uncertain

uncertain

ব্যাখ্যা:
• Sine die (Adverb):
English Meaning: (with reference to business or proceedings that have been adjourned) with no appointed date for resumption.
Bangla Meaning: অনির্দিষ্টকালের জন্য।
Ex: The meeting adjourned sine die.

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ -
ক) half-heartedly (adverb)
- অর্ধ-উৎসাহে, মনোযোগহীনভাবে, বা অনীহার সঙ্গে।

খ) doubtfully (adverb)
-নিশ্চিতভাবে।

গ) fixed (adjective)
- স্থায়ী, স্থির, ঠিক।

ঘ) uncertain (adjective)
-পরিবর্তনশীল; অস্থির; অনিশ্চিত।

সুতরাং, শব্দগুলোর অর্থানুযায়ী, The idiom 'sine die' means - uncertain.

Source:
1. Merriam-Webster Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৬৯) What kind of play is 'Julius Caesar'?

romantic

anti-romantic

comedy

historical

historical

ব্যাখ্যা:
• 'Julius Caesar' William Shakespeare এর একটি Historical Play এবং Tragedy.
- ১৫৯৯-১৬০০ সালের মধ্যে এই নাটকটি লিখা হয় এবং ১৬২৩ সালে Shakespeare এর First Folio এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- Julius Ceasar এর সাফল্যে ঈর্ষান্বিত ষড়যন্ত্র কারীরা Ceasar এর বন্ধু Brutus কেও Ceasar এর বিরুদ্ধে হত্যার ষড়যন্ত্রে যোগ দিতে রাজি করায়।
- To stop Caesar from gaining too much power, Brutus and the conspirators kill him on the Ides of March.
- Mark Antony drives the conspirators out of Rome and fights them in a battle.
- Brutus and his friend Cassius lose and kill themselves, leaving Antony to rule in Rome.

• Important characters of Julius Caesar:
- Julius Caesar,
- Antonio,
- Cleopatra,
- Cassius,
- Octavia etc.

• এই tragedy এর কয়েকটি বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে - 
- "Cowards die many times before death
   The valiant never taste of death but once." 
- 'Veni, Vidi, Vici (I came, I saw, I conquered')
- 'Brutus, you too!'.

Source: Britannica.

৭০) Do you have any money ___ you?
Fill in the blank with appropriate preposition:

to

over

in

on

on

ব্যাখ্যা:
• Have something on you (Phrase):
Meaning: to be carrying something, for example in a pocket or bag.
Bangla Meaning:- (পকেট বা ব্যাগে) কোনো কিছু থাকা।

Example
1. Can you pay, I don’t seem to have any money on me.
2. Have you got your passport on you?

প্রশ্নে প্রদত্ত বাক্যের অর্থ - তোমার সাথে/পকেটি কি টাকা আছে?
সুতরাং, সঠিক উত্তর - ঘ) on

Source: MacMillan Dictionary.

৭১)

8

2

15

10

15

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন:


সমাধান:
2log23 + log25
= 2log2(3 × 5)
= 2log215
= 15

[ সূত্রঃ   alogab = b ]

৭২)

{ }

{1}

{-1}

{2}

{ }

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন:


প্রশ্ন:
(x - 2)/(x - 1) + 1/(x - 1) - 2 = 0
বা, (x - 2)/(x - 1) + 1/(x - 1) = 2
বা, (x - 2 + 1)/(x - 1) = 2
বা, (x - 1)/(x - 1) = 2 যা অসম্ভব।
x এর এমন কোনো মান নেই যা এই সমীকরণকে সিদ্ধ করে।

এই সমীকরণের কোন সমাধান নাই। সুতরাং এর সমাধান সেট হবে - ∅ বা { }

অন্যভাবে,
(x - 2)/(x - 1) + 1/(x - 1) - 2 = 0
বা, (x - 2)/(x - 1) + 1/(x - 1) = 2
বা, (x - 2 + 1)/(x - 1) = 2 
বা, (x - 1)/(x - 1) = 2 
বা, x - 1 = 2(x - 1) [ সমীকরণের বামপক্ষ বা ডানপক্ষের কোন রাশিরর লব ও হর একই হলে, আড় গুণ করা যাবে না ]
বা, x - 1 = 2x - 2
বা,  x - 2x = - 2 + 1
বা, - x = - 1
∴ x = 1
সমীকরণের বামপক্ষে x = 1 বসালে অসঙ্গায়িত হয়। 
অতএব, এই সমীকরণের কোন সমাধান নাই। সুতরাং এর সমাধান সেট হবে - ∅ বা { }

৭৩) A = {x ∈ IN | 2 < x ≤ 8}
B = {x ∈ IN | x বিজোড় এবং x ≤ 9} হলে, A ∩ B = কত?

{3, 5, 8}

{4, 5, 7}

{3, 4, 5}

{3, 5, 7}

{3, 5, 7}

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: A = {x ∈ IN | 2 < x ≤ 8}
B = {x ∈ IN | x বিজোড় এবং x ≤ 9} হলে, A ∩ B = কত?

সমাধান:
A = {x ∈ IN : 2 < x ≤ 8}
= {3, 4, 5, 6, 7, 8}

B = {x ∈ IN : x বিজোড় এবং x ≤ 9}
= {1, 3, 5, 7, 9}

সুতরাং, A ∩ B = {3, 4, 5, 6, 7, 8} ∩ {1, 3, 5, 7, 9}
= {3, 5, 7}

৭৪) একটি অনুষ্ঠানে কিছু লােক উপস্থিত ছিল। তারা কেবল একজন মাত্র একজনের সাথে একবার করমর্দন করতে পারবে। যদি করমর্দনের সংখ্যা ৩০০ হয়, তাহলে ঐ অনুষ্ঠানে কতজন লােক ছিল?

২৪

২৫

৩০

৬০

২৫

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: একটি অনুষ্ঠানে কিছু লােক উপস্থিত ছিল। তারা কেবল একজন মাত্র একজনের সাথে একবার করমর্দন করতে পারবে। যদি করমর্দনের সংখ্যা ৩০০ হয়, তাহলে ঐ অনুষ্ঠানে কতজন লােক ছিল?

সমাধান:
মনে করি,
ঐ অনুষ্ঠানে n সংখ্যক লোক উপস্থিত ছিল।
প্রশ্নানুসারে, 
nC2 = 300
⇒ n!/{2!(n - 2)!} = 300
⇒ {n(n - 1)(n - 2)!}/{2!(n - 2)!} = 300
⇒ n(n - 1)/2 = 300
⇒ n(n - 1) = 600
⇒ n2 - n - 600 = 0
⇒ n2 - 25n + 24n - 600 = 0
⇒ n(n - 25) + 24(n - 25) = 0
⇒ (n + 24)(n - 25) = 0

n = 25 কিন্তু n এর মান - 24 গ্রহণযোগ্য নয়। [কারণ n এর মান ঋণাত্মক]
সুতরাং ঐ অনুষ্ঠানে 25 জন লোক ছিল।

৭৫) A এবং B দুটি ঘটনা যেন, P(A) = 1/2, P(A ∪ B) = 3/4, P(Bc) = 5/8 হলে, P(Ac ∩ Bc) = কত?

1/8

1/6

1/4

1/2

1/4

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: A এবং B দুটি ঘটনা যেন, P(A) = 1/2, P(A ∪ B) = 3/4, P(Bc) = 5/8 হলে, P(Ac ∩ Bc) = কত?

সমাধান:
ডি মরগ্যানের সূত্র অনুযায়ী,
P(Ac ∩ Bc) = P(A ∪ B)c

∴ P(A ∪ B)c = 1 - P(A ∪ B)
= 1 - 3/4
= 1/4

৭৬) বাস্তব সংখ্যায় {1/(3x - 5)} < (1/3) অসমতাটির সমাধান-

- ∞ < x < 5/3

8/3 < x < ∞

- ∞ < x < 5/2 অথবা 8/3 < x < ∞

- ∞ < x < 5/2 এবং 8/3 < x < ∞

8/3 < x < ∞

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: বাস্তব সংখ্যায় 1/(3x - 5) < 1/3 অসমতাটির সমাধান-

সমাধান:
1/(3x - 5) < 1/3
⇒ {1/(3x - 5)} - (1/3) < (1/3) - (1/3)
⇒ (3 - 3x - 5)/{3(3x - 5)} < 0
⇒ (8 - 3x)/(9x - 15) < 0
⇒ (8 - 3x) (9x - 15)} / {(9x - 15) (9x - 15)} < 0
⇒ {(8 - 3x) (9x - 15)} / {(9x - 15)2} < 0
⇒ (8 - 3x) (9x - 15) < 0
⇒ - 3(3x - 8) (3x - 5) < 0
⇒ (3x - 8) (3x - 5) > 0

∴ x =  x < 5/3 অথবা x > 8/3

∴ নির্ণেয় সমাধান: – ∞ < x < 5/3 অথবা 8/3 < x < ∞

[অপশনে যেহেতু  – ∞ < x < 5/3 অথবা 8/3 < x < ∞ নেই, সেহেতু 8/3 < x < ∞ অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে নেওয়া হয়েছে।]

৭৭) একদল গরু প্রতিবার সমান সংখ্যায় ভাগ হয়ে তিন পথে গমন করে, সাত ঘাটে পানি পান করে, নয়টি বৃক্ষের নিচে ঘুমায় এবং বারাে জন গােয়ালা সমান সংখ্যক গরুর দুধ দোয়ায়; তাহলে গরুর সংখ্যা কত?

522

252

225

155

252

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: একদল গরু প্রতিবার সমান সংখ্যায় ভাগ হয়ে তিন পথে গমন করে, সাত ঘাটে পানি পান করে, নয়টি বৃক্ষের নিচে ঘুমায় এবং বারাে জন গােয়ালা সমান সংখ্যক গরুর দুধ দোয়ায়; তাহলে গরুর সংখ্যা কত?

সমান:
একদল গরু প্রতিবার সমান সংখ্যায় ভাগ হয়ে ৩ পথে গমন করে,
৭ ঘাটে পানি পান করে,
৯ টি বৃক্ষের নিচে ঘুমায় এবং
১২ জন গোয়ালা সমান সংখ্যক গরুর দুধ দোয়ায়। 

তাহলে, গরুর সংখ্যা = ৩, ৭, ৯ এবং ১২ এর ল.সা.গু.
সুতরাং, গরুর সংখ্যা = ২৫২

৭৮) 5x - x2 - 6 > 0 হলে, নিচের কোনটি সঠিক?

x > 3, x < 2

2 > x > 3

x < 2

2 < x < 3

2 < x < 3

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: 5x - x2 - 6 > 0 হলে, নিচের কোনটি সঠিক?

সমাধান:
5x - x2 - 6 > 0
বা, - x2 + 5x - 6 > 0
বা, - (x2 - 5x + 6) > 0 
বা, x2 - 5x + 6 < 0
বা, x2 - 2x - 3x + 6 < 0
∴ (x - 2)(x - 3) < 0 ... ... ... ... ... ... (1)
সমীকরণ (১) সত্য হবে যদি (x - 2) ধনাত্মক ও (x - 3) ঋণাত্মক হয়।
অথবা,
সমীকরণ (১) সত্য হবে যদি (x - 2) ঋণাত্মক ও (x - 3) ধনাত্মক হয়।

যদি (x - 2) ধনাত্মক ও (x - 3) ঋণাত্মক হয় তবে,
x - 2 > 0 
বা, x >2

x - 3 < 0
x < 3

সমীকরণ (১) সত্য হবে যদি  2 < x < 3 হয়।
∴ 5x - x2 - 6 > 0 এর সমাধানঃ 2 < x < 3

অপরপক্ষে, 
সমীকরণ (১) সত্য হবে যদি (x - 2) ঋণাত্মক ও (x - 3) ধনাত্মক হয়।
যদি (x - 2) < 0 ও (x - 3) > 0 হয় তবে,
x - 2 < 0
বা, x < 2

x - 3 > 0
বা, x > 3
সুতরাং সমীকরণ (১) সত্য হবে যদি  x < 2 অথবা x > 3 হয়।
কিন্তু সমীকরণ (১) এর এই সমাধান অপশনে নাই।

অতএব, সমীকরণ (১) এর সমাধানঃ 2 < x < 3

৭৯) 4x + 41 - x = 4 হলে, x = কত?

1/4

1/3

1/2

1

1/2

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: 4x + 41 - x = 4 হলে, x = কত?

সমাধান:
4x + 41 - x = 4
⇒ 4x + 41/4x = 4
⇒ 4x + 4/4x = 4    [41 = 4]

মনে করি, 4x = y
সুতরাং,
y + 4/y = 4
বা, (y2 + 4)/y = 4 
বা, y2 + 4 = 4y
বা, y2 - 4y + 4 = 0
বা, y2 - 2.y.2 + 22 = 0
বা, (y - 2)2 = 0
বা, y - 2 = 0
বা, y = 2
বা, 4x = 2            [y = 4x  বসিয়ে]
বা, (22)x = 21      [21 = 2]
বা, 22x = 21
বা, 2x = 1
∴ x = 1/2

৮০) (1/4) - (1/6) + (1/9) - (2/7) + ………. ধারাটির অসীম পদের সমষ্টি কত?

S = 20/3

S = 3/20

S = 20

S = 3

S = 3/20

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: (1/4) - (1/6) + (1/9) - (2/7) + ………. ধারাটির অসীম পদের সমষ্টি কত?

সমাধান:
ধারাটির প্রথম পদ, a = 1/4
এবং সাধারণ অনুপাত, r = (- 1/6)/(1/4) = - 2/3 < 0

সুতরাং ধারাটির অসীম পদের সমষ্টি,
S = a/(1 - r)
= (1/4)/{1 - (-2/3)}
= (1/4) / (1 + 2/3)
= (1/4) / (5/3)
= 3/20

৮১) একটি কোণের মান তার সম্পূরক কোণের মানের অর্ধেকের সমান। কোণটির মান কত?

৩০°

৬০°

৯০°

১২০°

৬০°

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: একটি কোণের মান তার সম্পূরক কোণের মানের অর্ধেকের সমান। কোণটির মান কত?

সমাধান:
একটি কোণ y হলে, তার সম্পূরক কোণ = 180° - y

প্রশ্নানুসারে,
y = (180° - y)/2
বা, 2y = 180° - y
বা, 2y + y = 180°
বা, 3y = 180°
∴ y = 60°

৮২) ২০% যৌগিক মুনাফায় মূলধন ১০০০০ টাকা ২ বছরের জন্য বিনিয়ােগ করা হলাে। যদি যৌগিক মুনাফা অর্ধ বছর হিসেবে ধরা হয়, তাহলে চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত?

১২

১১

১০

৯৭

১১

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ২০% যৌগিক মুনাফায় মূলধন ১০০০০ টাকা ২ বছরের জন্য বিনিয়ােগ করা হলাে। যদি যৌগিক মুনাফা অর্ধ বছর হিসেবে ধরা হয়, তাহলে চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
বার্ষিক মুনাফার হার = ২০%
সুতরাং অর্ধ-বার্ষিক মুনাফার হার, r = (২০/২)% = ১০%
সময় = ২ বছর
অর্থাৎ সময়, n = ৪ অর্ধ-বছর

প্রারম্ভিক মূলধন, P = ১০০০০ টাকা
আমরা জানি,  চক্রবৃদ্ধি মূলধন, C = P(1 + r)n

সুতরাং চক্রবৃদ্ধি মূলধন = ১০০০০(১ + ১০%)
= ১০০০০(১ + ১০/১০০)
= ১০০০০(১১০/১০০)
= ১০০০০(১১/১০)
= ১০০০০ × (১১) ÷ ১০০০০
= (১১)

৮৩) x = √4 + √3 হলে, x3 + 1/x3 এর মান কত?

5√3

52

5√2

2√5

52

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: x = √4 + √3 হলে, x3 + 1/x3 এর মান কত?

সমাধান:
x = √4 + √3
∴ 1/x = 1/(√4 + √3)
= (√4 - √3)/(√4 + √3)(√4 - √3)
= (√4 - √3)/{(√4)2 - (√3)2}
= (√4 - √3)/(4 - 3)
= √4 - √3

x + 1/x
= √4 + √3 + √4 - √3
= 2√4
= 2 × 2 [√4 = 2]
= 4

x3 + 1/x3
= (x + 1/x)3 - 3.x.(1/x)(x + 1/x)
= 43 - (3 × 4)
= 64 - 12
= 52

৮৪) একটি নৌকা পানির লেভেলে বাঁধা দড়ি দ্বারা একটি ডকের দিকে টানা হয়। নৌকাটি যখন ডক থেকে ১২ ফুট দূরে থাকে, তখন নৌকা থেকে ডক পর্যন্ত দড়ির দৈর্ঘ্য পানির উপর ডকের উচ্চতার দ্বিগুণের চেয়ে ৩ ফুট লম্বা হয়। তাহলে ডকের উচ্চতা কত?

৯ ফুট

৮ ফুট

৫ ফুট

৪ ফুট

৫ ফুট

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: একটি নৌকা পানির লেভেলে বাঁধা দড়ি দ্বারা একটি ডকের দিকে টানা হয়। নৌকাটি যখন ডক থেকে ১২ ফুট দূরে থাকে, তখন নৌকা থেকে ডক পর্যন্ত দড়ির দৈর্ঘ্য পানির উপর ডকের উচ্চতার দ্বিগুণের চেয়ে ৩ ফুট লম্বা হয়। তাহলে ডকের উচ্চতা কত?

সমাধান:
মনে করি,
ডকের উচ্চতা = ক ফুট
নৌকা থেকে ডকের দূরত্ব = ১২ ফুট
নৌকা থেকে ডক পর্যন্ত দড়ির দৈর্ঘ্য = (২ক + ৩) ফুট

প্রশ্নানুসারে, 
(২ক + ৩) = ক + ১২
⇒ ৪ক + ১২ক + ৯ = ক + ১৪৪
⇒ ৩ক + ১২ক - ১৩৫ = ০
⇒ ৩(ক + ৪ক - ৪৫) = ০
⇒ ক + ৪ক - ৪৫ = ০
⇒ ক + ৯ক - ৫ক - ৪৫ = ০
⇒ ক(ক + ৯) - ৫(ক + ৯) = ০
⇒ (ক + ৯)(ক - ৫) = ০
∴ ক = ৫; কিন্তু ক এর মান - ৯ গ্রহণযোগ্য নয়।

৮৫) O কেন্দ্র বিশিষ্ট বৃত্তে x কোণের মান কত?

54°

72°

108°

126°

126°

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: O কেন্দ্র বিশিষ্ট বৃত্তে x কোণের মান কত?


সমাধান:
আমরা জানি, বৃত্তস্থ কোণ কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক।
∠BDC কোণটি বৃত্তস্থ কোণ।
সুতরাং, ∠BDC বৃত্তস্থ কোণটির জন্য
প্রবৃদ্ধ কেন্দ্রস্থ কোণ ∠BOC = 2∠BDC
∠BDC = (1/2) প্রবৃদ্ধ কেন্দ্রস্থ কোণ ∠BOC
প্রবৃদ্ধ কেন্দ্রস্থ  কোণ ∠BOC = 360° - স্থূলকোণ ∠BOC
= 360° - 108°
= 252°

∠BDC = (1/2) × 252°
∴ ∠x = 126°

৮৬) সালােকসংশ্লেষণে সূর্যের আলাের রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করার কর্মদক্ষতা হলাে-

০%

১০ - ১৫%

৩ - ৬%

১০০%

৩ - ৬%

ব্যাখ্যা:
[তাত্ত্বিকভাবে সালােকসংশ্লেষণে সূর্যের আলাের রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করার কর্মদক্ষতা সর্বোচ্চ ১১%। কিন্তু, বাস্তবক্ষেত্রে: সালােকসংশ্লেষণে সূর্যের আলাের রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করার কর্মদক্ষতা ৩% - ৬%। - FAO Agricultural Services Bulletin - 128] - [লিঙ্ক]

সালোকসংশ্লেষণ: 

- যে উদ্ভিদ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায়, সবুজ উদ্ভিদ সূর্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে সালোকসংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস বলে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া


- সালোকসংশ্লেষণের জন্য চারটি প্রয়োজনীয় উপাদান হচ্ছে- আলো, ক্লোরোফিল, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড। 
- সালোকসংশ্লেষণে সূর্যের আলোর রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করার কর্মদক্ষতা হলো ৩-৬%। 
- সালোকসংশ্লেষণের জন্য সুবিধাজনক তাপমাত্রা হলো  ২২-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 
- সূর্য থেকে আসা আলোর শতকরা ১ থেকে ২ ভাগ মাত্র সালোক সংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়। 
- লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয় এবং সবুজ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে কম কার্যকর হয়। 
- উদ্ভিদ কোষের ক্লোরোপ্লাস্টে সালোকসংশ্লেষণ হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৭) জারণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়-

অ্যানােডে

ক্যাথােডে

অ্যানােড এবং ক্যাথােড উভয়টিতে

বর্ণিত কোনটিতেই নয়

অ্যানােডে

ব্যাখ্যা:
• জারণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় অ্যানোডে।

- বিজারণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় ক্যাথোডে।
- যে ধাতব পাতে ধাতু বা কোন আয়ন ইলেকট্রন ছেড়ে দেয় তাকে ঋণাত্মক তড়িৎদ্বার বা অ্যানোড বলে অন্যদিকে যে তড়িৎদ্বারে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ইলেকট্রন শোষিত হয় তাকে ধনাত্মক তড়িৎদ্বার বা ক্যাথোড বলে।
- কোন পরমাণু, আয়ন বা পরমাণুপুঞ্জ (রেডিক্যাল) থেকে এক বা একাধিক ইলেকট্রন অপসারণের মাধ্যমে তড়িৎ-ধনাত্মক আধান বৃদ্ধি বা তড়িৎ-ঋণাত্মক আধান হ্রাসের প্রক্রিয়াকে জারণ বলা হয়।

উৎস: রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৮) পানির অণু একটি-

প্যারাচুম্বক

ডায়াচুম্বক

ফেরােচুম্বক

অ্যান্টিফেরােচুম্বক

ডায়াচুম্বক

ব্যাখ্যা:
• প্যারাচৌম্বক:
- এ সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়। এদেরকে প্যারা চৌম্বক পদার্থ বলে।
- উদাহরণ: অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি প্যারা চৌম্বক পদার্থ।

• ডায়াচৌম্বক:
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়।
- অর্থাৎ, সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে।
- উদাহরণ: হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইতাদি ডায়া চৌম্বক পদার্থ।

• ফেরোচৌম্বক:
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে।
- উদাহরণ: লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি ফেরো চৌম্বক পদার্থ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৯) একটি আদর্শ তড়িৎ উৎসের অভ্যন্তরীণ রােধ কত?

শূন্য

অসীম

অতিক্ষুদ্র

যে কোনাে মান

অসীম

ব্যাখ্যা:

একটি আদর্শ কারেন্ট সোর্সের (Ideal Current Source) প্রতিরোধ অসীম (infinite) হয়।

একটি আদর্শ কারেন্ট সোর্স সবসময় নির্দিষ্ট পরিমাণ কারেন্ট সরবরাহ করে, যেটি লোড বা ভোল্টেজের পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করে না। এর জন্য সোর্সের অভ্যন্তরীণ রোধ অসীম হতে হবে, যাতে কোনো ভোল্টেজ পরিবর্তন হলেও কারেন্ট অপরিবর্তিত থাকে।
যদি রোধ শূন্য (zero) হতো, তাহলে ওহমের সূত্র (V = IR) অনুযায়ী, সামান্য ভোল্টেজ পরিবর্তনেও বিশাল কারেন্ট প্রবাহিত হতে পারত, যা বাস্তবে সম্ভব নয়।
তাই, একটি আদর্শ কারেন্ট সোর্সের রোধ অসীম হতে হয়, যাতে এটি যেকোনো লোডের জন্য নির্দিষ্ট কারেন্ট সরবরাহ করতে পারে।

Source:
"Fundamentals of Electric Circuits" – Charles K. Alexander & Matthew N. O. Sadiku.
2. "Basic Engineering Circuit Analysis" – J. David Irwin & R. Mark Nelms.

৯০) প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলাে-

হাইড্রোজেন

নাইট্রোজেন

মিথেন

ইথেন

মিথেন

ব্যাখ্যা:
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন।
- প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান গুলো হলাে: মিথেন ৮০% - ৯০%, ইথেন ১৩% , প্রোপেন ৩%।
- প্রাকৃতিক গ্যাস প্রধানত কম সংখ্যক কার্বন (C1 - C4) বিশিষ্ট হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ।
- এছাড়াও প্রাকৃতিক গ্যাসে বিউটেন, আইসোবিউটেন, পেন্টেন ইত্যাদি উপাদানও উপস্থিত থাকে।
- আমাদের বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৯৫% - ৯৯%।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৯ সংস্করণ]।

৯১)

১৭

২৫

ব্যাখ্যা:
• আইসোটোপ:
- যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়, সে সব পরমাণুকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।
- তবে ভারী আইসোটোপের স্ফুটনাংক ও গলনাঙ্ক একটু বেশি হবে, যা অনেকক্ষেত্রে উপেক্ষা করা যায়।
- বর্তমানে সর্বমোট আইসোটোপের সংখ্যা প্রায় ১৩০০।

• কোন পরমাণুতে ভরসংখ্যা = প্রোটন (Z) + নিউট্রন (n) সংখ্যা, যা A দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
যেহেতু, ভরসংখ্যা হলো, প্রোটন সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফল, কাজেই ভর সংখ্যা থেকে প্রোটন সংখ্যা বাদ দিলে পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা পাওয়া যাবে।

এখানে,
O এর ভরসংখ্যা ১৭ এবং প্রোটন সংখ্যা ৮
∴ নিউট্রন সংখ্যা= ১৭ - ৮ = ৯

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৯২) প্রােটিন তৈরি হয়-

ফ্যাটি এসিড দিয়ে

সাইট্রিক এসিড দিয়ে

অ্যামিনাে এসিড দিয়ে

অক্সালিক এসিড দিয়ে

অ্যামিনাে এসিড দিয়ে

ব্যাখ্যা:
• প্রােটিন তৈরি হয় অ্যামিনাে অ্যাসিড দিয়ে।

- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেনের সমন্বয়ে আমিষ গঠিত।
- আমিষের একক হল অ্যামাইনো এসিড।
- আমাদের শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়।
- মানুষের শরীরের এ পর্যন্ত ২০ প্রকার অ্যামাইনো এসিড পাওয়া গেছে যার মধ্যে ৮ টি হলো অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড।
- প্রােটিন গঠনকারী অ্যামাইনাে অ্যাসিডের মধ্যে ৮টি অ্যামাইনাে অ্যাসিড মানবদেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয়।
- এই ৮টি অত্যাবশ্যকীয় অ্যাসিডগুলাে হলাে:
১. লাইসিন,
২. লিউসিন,
৩. আইসােলিউসিন,
৪. মিথিওনিন,
৫. ট্রিপটোফ্যান,
৬. ভ্যালিন,
৭. ফিনাইল অ্যালানিন,
৮. থ্রিওনিন।

উৎস:
১. সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী

৯৩) কোভিড-১৯ যে ধরনের ভাইরাস-

ক) DNA

খ) DNA + RNA

গ) mRNA

ঘ) RNA

ঘ) RNA

ব্যাখ্যা:
• COVID-19 এর জন্য দায়ী হলো SARS CoV2 নামক বিশেষ করোনা ভাইরাস। এটি এক ধরনের আরএনএ ভাইরাস। কারণ ভাইরাসটির জিনোম হলো RNA।

• Covid-19 ভাইরাস:
- Severe Acute Respiratory Syndrome রোগের কারণ হলো SARS করোনা ভাইরাস।
- এই ভাইরাসের কারণে ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত চীন, তাইওয়ান, কানাডা প্রভৃতি দেশে বহু লোকের মৃত্যু হয়েছিলো।
- Middle East Respiratory Syndrome রোগের কারণ হলো MERS করোনা ভাইরাস।
- ২০১২ সালে মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকায় এই রোগটি ছড়িয়ে পড়েছিলো।
- COVID-19 এর জন্য দায়ী হলো SARS CoV-2 নামক বিশেষ করোনা ভাইরাস।
- ২০১৯ সালে চীনের উহান প্রদেশে কোভিড-১৯ প্রথম সনাক্ত করা হয়েছিল।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুসারে, ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নজরে আসে।
- এটি অদ্যবধি বাংলাদেশসহ সমস্ত পৃথিবীতে মহামারীর তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে।

উৎস: WHO ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।

৯৪) হৃদযন্ত্রের সংকোচন হওয়াকে বলা হয়-

ডায়াস্টল

সিস্টল

ডায়াসিস্টল

উপরের কোনটিই নয়

সিস্টল

ব্যাখ্যা:
হৃদপিন্ড:
• হৃদপিন্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে রক্ত দেহের অভ্যন্তরে গতিশীল থাকে। এমনকি বিশ্রামরত অবস্থায়ও এর সংকোচন ও প্রসারণ চক্রাকারে চলতে থাকে।
• হৃদপিন্ডের প্রকোষ্ঠগুলোর সংকোচনকে বলে সিস্টোল।
• হৃদপিন্ডের প্রকোষ্ঠগুলোর সম্প্রসারণকে বলে ডায়াস্টোল।

image source: cvphysiology.com

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯৫) নিম্নের কোন রােগটি DNA ভাইরাসঘটিত?

ডেঙ্গুজ্বর

স্মলপক্স

কোভিড-১৯

পােলিও

স্মলপক্স

ব্যাখ্যা:
- স্মলপক্স রোগটি DNA ভাইরাসঘটিত।
- ভেরিওলা ভাইরাস মানবদেহে স্মলপক্স বা গুটি বসন্ত সৃষ্টি করে।
- ভাইরাসে নিউক্লিক এসিড হিসেবে DNA ও RNA থাকে।
- অন্যান্য জীবদেহে DNA ও RNA একই সাথে অবস্থান করলেও ভাইরাসে DNA ও RNA একই সাথে অবস্থান করতে পারেনা।

• DNA ভাইরাসঘটিত রোগ:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়।
- DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- হার্পিস সিমপ্লেক্স (মানব), Tipula irridescent, Rabbitpox, Vaccinia (bovine), ভেরিওলা (মানব), Pustular dermatitis (Sheep), এডেনা গ্রুপ, প্যাপিলোমা (মানব), পলিওমা, ΦX174 কলিফাজ, Cauliflower mosaic ও Adenoassociaed ইত্যাদি।

• RNA ভাইরাসঘটিত রোগ:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়।
- RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- ইনফ্লুয়েঞ্জা বি (মানব), পোলিও (মানব), রুবেলা (মানব), পীতজ্বর (মানব), ডেঙ্গু (মানব), Encephalitis (Human), Leukemia (cat), মাম্পস (মানব), Measles (Human), Cold (Human), Newcastle disease (fowl), Rous sarcoma (bird), Rabies (dog), Potato yellow dwarf, Vesicular stomatitis (cattle), Tobacco mosaic, Sugarcane mosaic, fd (Pseudomonas), Cucumber mosaic, f2, fr1, R17কলিফাজ ইত্যাদি।

উৎস:
১. জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
২. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬) RFID বলতে বােঝায়-

Random Frequency Identification

Random Frequency Information

Radio Frequency Information

Radio Frequency Identification

Radio Frequency Identification

ব্যাখ্যা:
• RFID:
- RFID এর পূর্ণরূপ Radio-Frequency Identification.
- বারকোড যদি এক অর্থে এক-মাত্রিক ডেটা হয় এবং QR কোড যদি দ্বি-মাত্রিক হয়, তাহলে RFID ট্যাগগুলিকে ত্রিমাত্রিক কোড হিসাবে ভাবা যেতে পারে।
- রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (RFID) একটি বেতার সিস্টেমকে বোঝায় যা দুটি উপাদান নিয়ে গঠিত: ট্যাগ এবং রিডার।
- RFID ট্যাগগুলি তাদের মধ্যে সঞ্চিত তথ্য প্রেরণ করতে রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে।
- RFID এ তথ্য পড়া ও লেখা যায় (ট্যাগ এর মাঝে তথ্য পরিবর্তন করা যায়)।
- এর তথ্য ধারণ ক্ষমতা: হাজার হাজার ক্যারেক্টার।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯৭) কোন মাধ্যমে আলাের পালস্ ব্যবহৃত হয়?

তামার তার

কো-এক্সিয়াল ক্যাবল

অপটিক্যাল ফাইবার

ওয়্যারলেস মিডিয়া

অপটিক্যাল ফাইবার

ব্যাখ্যা:
• ফাইবার অপটিক ক্যাবল:
- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল হলো এক ধরনের আলোক পরিবাহী তার যা এক বা একাধিক অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে তৈরি।
- অপটিক্যাল ফাইবার বিদ্যুৎ অপরিবাহী।
- অপটিক্যাল ফাইবারে ইলেকট্রিক্যাল সিগনালের পরিবর্তে আলোর পালস ব্যবহৃত হয়।
- ফাইবার তৈরির জন্য বৈদ্যুতিক অন্তরক পদার্থ হিসেবে সিলিকা এবং মাল্টি কমপোনেন্ট কাঁচ ব্যবহৃত হয়।
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন পদ্ধতিতে ডেটা উৎস থেকে গন্তব্যে গমন করে।
- ফাইবার অপটিকে তিনটি অংশ থাকে। যথা-

• কোর:
- ভিতরের ডাই-ইলেকট্রিক কোর যার ব্যাস ৮ থেকে ১০০ মাইক্রোন হয়ে থাকে।

• ক্ল্যাডিং:
- কোরকে আবদ্ধ করে থাকা বাইরের ডাই-ইলেকট্রিক আবরণকে ক্ল্যাডিং বলে।

• জ্যাকেট:
- অপটিক্যাল ফাইবারের আবরণকে জ্যাকেট বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯৮) ট্রপিক্যাল সাইক্লোন সৃষ্টির জন্য সাগরপৃষ্ঠের ন্যূনতম তাপমাত্রা কত হওয়া প্রয়ােজন?

২৬.৫° সে.

৩৫° সে.

৩৭.৫° সে.

৪০.৫° সে.

২৬.৫° সে.

ব্যাখ্যা:
• ট্রপিক্যাল সাইক্লোন সৃষ্টির জন্য সাগরপৃষ্ঠের ন্যূনতম তাপমাত্রা ২৬.৫০° বা ২৭°সে. হওয়া প্রয়োজন।

• সাইক্লোন সৃষ্টির কারণ:
- সাইক্লোন সৃষ্টি হয় গভীর সমুদ্রে এবং আঘাত হানে উপকূলীয় এলাকায়।
- এই দুর্যোগ সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো উচ্চ তাপমাত্রা ও নিম্নচাপ।
- সাধারণত এই তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রী সেলসিয়াসের বেশি হওয়া প্রয়োজন এবং ঝড়ের সময় বাযুপ্রবাহের গতিবেগ ৬৫ কিলোমিটার বা তারও বেশি হয়।
- বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারা বছরই এইরূপ তাপমাত্রা বিদ্যমান।
- এছাড়াও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯) নিচের কোনটি anti-virus সফটওয়্যার নয়?

Oracle

McAfee

Norton

Kaspersky

Oracle

ব্যাখ্যা:
• Oracle হলো ডেটাবেজ প্রোগ্রাম।

• Anti-virus সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে।
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।

• Anti-virus সফটওয়্যার:
- Symantec,
- McAfee,
- AVG Anti-Virus,
- AVIRA,
- AVAST Anti-Virus,
- TREND micro,
- ESET NOD32,
- Kaspersky Anti-Virus,
- Microsoft Security Essential,
- ZoneAlarm Anti-Virus,
- Cobra Anti-Virus,
- Bitdefender,
- Norton Anti-Virus,
- Panda Anti-Virus,
- PC Tools Anti-Virus etc.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১০০) কোন চিহ্নটি ই-মেইল ঠিকানায় অবশ্যই থাকবে?

$

#

&

@

@

ব্যাখ্যা:
• ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত-
- CC এর পূর্ণরূপ Carbon Copy;
- BCC এর পূর্ণরূপ Blind Carbon Copy.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১০১) Keyboard এবং CPU-এর মধ্যে কোন পদ্ধতিতে data transmission হয়?

Simplex

Duplex

Half duplex

Triplex

Simplex

ব্যাখ্যা:
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-

১. সিমপ্লেক্স (Simplex):
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন- রেডিও, টিভি, কীবোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডাটা প্রেরণ ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex):
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- নিম্নের চিত্রে হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না। যেমন-ওয়াকিটকি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex):
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১০২) Blockchain-এর প্রতিটি block কী তথ্য বহন করে?

A hash pointer to the previous block

Timestamp

List of transactions

উপরের সবগুলাে

উপরের সবগুলাে

ব্যাখ্যা:
• ব্লকচেইন:
- এই সিস্টেমে প্রতিটি ব্লক এক একটি একাউন্ট যার প্রতিটি লেনদেন ব্যবস্থাপনা চেইন আকারে পরিচালিত হয়।
- প্রত্যেকটি ব্লক হ্যাশিং (Hashing) এর মাধ্যমে উচ্চ মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যার ফলে কেউই এখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
- এটি তথ্য সংরক্ষণ করার একটি নিরাপদ এবং উন্মুক্ত পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে তথ্য বিভিন্ন ব্লকে একটির পর একটি চেইন আকারে সংরক্ষণ করা হয়।
- একটি সাধারণ Block এ ৩টি অংশ থাকে। যথা-
১. A hash pointer to the previous block,
২. Timestamp এবং
৩. List of transactions.
- একমাত্র জেনেসিস ব্লক ছাড়া সব ব্লকেই A hash pointer to the previous block থাকে।
- ব্লকচেইনের প্রথম ব্লকটিকে জেনেসিস ব্লক বলা হয় এবং এটি 2009 সালে তৈরি করা হয়েছিল।

উৎস: Unlocking Digital Cryptocurrencies 1st Edition by Andreas M. Antonopoulos. [Chapter 7. The Blockchain]

১০৩) নিচের কোনটি Bluetooth-এর IEEE standard?

IEEE 802.15

IEEE 802.1

IEEE 802.3

IEEE 802.11

IEEE 802.15

ব্যাখ্যা:
• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

• Wi-Fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11.
• WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১০৪) ১০১১১০ বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমাল নাম্বার কোনটি?

৪৬

১৬

২৪

৫৪

৪৬

ব্যাখ্যা:
• ১০১১১০ বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার ৪৬.

• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

101110
= 1 × 25 + 0 × 24 + 1 × 23 + 1 × 22 + 1 × 21 + 0 × 20
= 32 + 0 + 8 + 4 + 2
= 46

১০৫) DNS সার্ভারের কাজ হচ্ছে _____ কে _____ address-এ পরিবর্তন করা।

Email, DNS

MAC Address, IP

Domain name, IP

Email, IP

Domain name, IP

ব্যাখ্যা:
• DNS Server-এর কাজ ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে পরিবর্তন করা।

• ডোমেইন নেম:
- সংখ্যার সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস মানুষের পক্ষে মনে রাখা খুবই কষ্টকর। তাই আইপি অ্যাড্রেস সহজে ব্যবহারযোগ্য করার জন্য সহজ কোন নাম ব্যবহার করা হয়। ডোমেইন নেইম হচ্ছে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত নেটওয়ার্ক সার্ভারের একটি নির্দিষ্ট নাম।
- যেমন: www.google.com এই সাইটটির আইপি অ্যাড্রেস হল 216.58.212.164.

• DNS সার্ভার:
- যে পদ্ধতিতে ডোমেইন নেইমকে নিয়ন্ত্রণ করা হয় তাকে ডোমেইন নেইম সিস্টেম বলে।
- DNS Server ডোমেইন নেমকে আইপি অ্যাড্রেসে অনুবাদ করে।
- DNS সার্ভারের পূর্ণরূপ Domain Name System সার্ভার।
- একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়।
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। ডট (.) অপারেটর দ্বারা অংশগুলো বিভক্ত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৬) নিচের কোনটি Open Source DBMS?

MySQL

Microsoft SQL Server

Microsoft Access

Oracle

MySQL

ব্যাখ্যা:
• MySQL হচ্ছে জনপ্রিয় ওপেন সোর্স ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যেটি ওরাকল কর্পোরেশন এর দ্বারা ডেভলপ, ডিস্ট্রিবিউশন এবং সাপোর্ট করা হয়।

• DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase
- MySQL
- PostgreSQL
- Maria DB
- MongoDB
- Cassandra
- SQLite
- Cubrid

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১০৭) নিচের Job Scheduling Policy সমূহের মধ্যে কোনটি Starvation থেকে মুক্ত?

Priority Scheduling

Shortest Job First

Youngest Job First

Round-robin

Round-robin

ব্যাখ্যা:
[Round-robin পলিসি Starvation থেকে মুক্ত থাকে, কারণ এটি সমস্ত প্রক্রিয়াকে সমান সময় বরাদ্দ করে এবং কোনো প্রক্রিয়াকেই অবহেলা করা হয় না।  Priority Scheduling ও Shortest Job First (SJF) পলিসিতে, উচ্চ priority বা ছোট কাজ আগে সম্পন্ন হলে, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করা প্রক্রিয়াগুলি Starvation এর শিকার হতে পারে। Youngest Job First (YJF) পলিসিতে, কাজের শুরু সময়ের ভিত্তিতে প্রক্রিয়াগুলি প্রাধান্য পেলে Starvation হতে পারে।]

• Round Robin scheduling policy:
- Round Robin scheduling policy হলো অনেকগুলো সংযোগের সমন্বয়ে গঠিত, যা তথ্য বিতরণ করে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইস।
- যেমন: একটি কোম্পানির মাল্টিপল সার্ভার আছে। যখন কোনো ১ম ইউজার সার্ভার থেকে তথ্য পেতে চেষ্টা করে তখন তাকে রেফার করা হয় সার্ভার ১ এ।
- আবার ২য় ইউজার তথ্য সংগ্রহ করে সার্ভার ২ থেকে।

উৎস: Computerhope website ও University of Liverpool website.

১০৮) নিচের কোন প্রযুক্তি Face Recognition System-এর সহায়ক ভূমিকা পালন করে?

Applied Artificial Intelligence (AI)

Applied Internet of Things (IoT)

Virtual Reality

উপরের কোনটিই নয়

Applied Artificial Intelligence (AI)

ব্যাখ্যা:
• Artificial Intelligence প্রযুক্তি Face Recognition System-এর সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence বলে।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

• Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
- Face Recognition System,
- Speech Recognition System,
- Natural Language Processing ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৯) নিচের কোনটি output device নয়?

monitor

microphone

printer

speaker

microphone

ব্যাখ্যা:
• microphone একটি ইনপুট ডিভাইস।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computerhope website.

১১০) নিচের কোনটি একটি প্রতিষ্ঠানের ওয়েব ঠিকানাকে নির্দেশ করে?

http

www

URL

HTML

URL

ব্যাখ্যা:
• URL:
- URL এর পূর্ণরূপ হলাে Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।

• https://www.abcd.com/home প্রদত্ত URL টির -
- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- www.abcd.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম)
- home হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১১১) নিচের কোন প্রযুক্তি 'Pay as You Go' সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে?

Internet of Things (IoT)

Cloud Computing

Client-Server Systems

Big Data Analytics

Cloud Computing

ব্যাখ্যা:
• Cloud Computing প্রযুক্তি 'Pay as You Go' সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে:
১. Resource Flexibility/Scalability (যত চাহিদা তত সার্ভিস):
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল।
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১২) যে সাইবার আক্রমণ সংঘটিত হলে গ্রাহকের বৈধ অনুরােধসমূহ কোন একটি web server সম্পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয় সেটি কী নামে পরিচিত?

Phishing

Man-in-the-Middle

Denial of Service

উপরের কোনটিই নয়

Denial of Service

ব্যাখ্যা:
• যে সাইবার আক্রমণ সংঘটিত হলে গ্রাহকের বৈধ অনুরােধসমূহ কোন একটি web server সম্পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয় সেটি Denial of Service নামে পরিচিত।

• DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

• Man-in-the-Middle: দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়। ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

• Phishing: ফিশিং হলো এক ধরনের হ্যাকিং পদ্ধতি যেখানে একজন হ্যাকার একটি লোভনীয় অফার বা ইমেইলের মাধ্যেম একটি আসল ওয়েবসাইটের নকল করে বিভিন্ন তথ্য চুরি করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১৩) নিচের কোন মেমােরিটিতে Access Time সবচেয়ে কম?

Registers

SSD

RAM

Cache memory

Registers

ব্যাখ্যা:
• Register মেমোরিটিতে Access Time সবচেয়ে কম।


- চিত্রে, পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি। আবার পিড়ামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।
- CD, RAM এর চেয়ে Cach Memory তে সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়।

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরি একসেস সবচেয়ে কম।
- কম্পিউটারের প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, তাই এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৪) নিচের কোন ডিভাইসটি ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয়?

Router

Switch

Modem

HUB

Modem

ব্যাখ্যা:
• Modem ডিভাইসটি ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয়।

• মডেম:
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিৎয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুতপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে।
- মডেমের দুটি অংশ। যথা:
১. মডুলেটর ও
২. ডি-মডুলেটর।
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।
- ডিমডুলেটর আ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৫) নিচের কোনটি multi-tasking operating system নয়?

Windows

Linux

Windows NT

DOS

DOS

ব্যাখ্যা:
• DOS - সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন- CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।
- Windows NT, এখানে NT এর পূর্ণ রূপ- New Technology.

• ডস (DOS):
- DOS-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Disk Operating System যুক্তরাষ্ট্রের মাইক্রোসফট কর্পোরেশন আইবিএম কম্পিউটারের জন্য ১৯৮১ সালে প্রথম ডস অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করেন।
- ডস আইবিএম এবং আইবিএম উপযুক্ত পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য একটি একক ব্যবহারিক অপারেটিং সিস্টেম।
- DOS কে PC-DOS বা MS-DOSও বলা হয়।
- ডস একটি বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম হল একটি single-user অপারেটিং সিস্টেম যা একবারে একাধিক প্রোগ্রাম সমর্থন করে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৬) এক ব্যক্তি ৫ মাইল পশ্চিমে, ২ মাইল দক্ষিণে, এর পর আবার ৫ মাইল পশ্চিমে যায়। যাত্ৰাস্থান থেকে তার সরাসরি দূরত্ব কত?

৮ মাইল

১৫ মাইল

১২ মাইল

উপরের কোনটিই নয়

উপরের কোনটিই নয়

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: এক ব্যক্তি ৫ মাইল পশ্চিমে, ২ মাইল দক্ষিণে, এর পর আবার ৫ মাইল পশ্চিমে যায়। যাত্ৰাস্থান থেকে তার সরাসরি দূরত্ব কত?

সমাধান:

এক ব্যক্তি  ঘ হতে ৫ মাইল মাইল পশ্চিমে চ তে গেল এবং চ হতে ২ মাইল দক্ষিণে খ তে গেল। 
আবার খ হতে ৫ মাইল পশ্চিমে ক তে গেল। 
কঘ কে যদি অতিভুজ বিবেচনা করি তাহলে লম্ব = কগ এবং ভূমি = গঘ
কগ = কখ + খগ = (৫ + ৫) মাইল = ১০ মাইল
চখ = গঘ = ২ মাইল

সুতরাং  যাত্রাস্থান হতে তার সরাসরি দূরত্ব
=  ক হতে ঘ এর দূরত্ব 
= কঘ
কঘ = কগ + গঘ
= ১০ + ২
= ১০০ + ৪
= ১০৪
কঘ  = √১০৪ = ২√২৬

∴ অপশনগুলোতে সঠিক উত্তর - ঘ) উপরের কোনটিই নয়।

১১৭) লিভার (lever)-এর ভারসাম্য ঠিক রাখতে প্রশ্নবােধক স্থানে কত পাউন্ড ওজন স্থাপন করতে হবে?

30 পাউন্ড

25 পাউন্ড

40 পাউন্ড

35 পাউন্ড

35 পাউন্ড

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: লিভার (lever)-এর ভারসাম্য ঠিক রাখতে প্রশ্নবােধক স্থানে কত পাউন্ড ওজন স্থাপন করতে হবে?


সমাধান:
লিভারের বাম পার্শ্বে 20lb এর জন্য দূরত্ব d হলে, লিভারের ডান পার্শ্বেও ? lb এর জন্য দূরত্ব d হবে।
সুতরাং, লিভারের বাম পার্শ্বে 30lb এর জন্য দূরত্ব d/2

প্রশ্নানুসারে,
20d + 30 × d/2 = yd
⇒ 20d + 15d = yd
⇒ 35d = yd
∴ y = 35

১১৮) ‘ঙ, ঞ, ণ, …’ ধারার পরবর্তী অক্ষর কী হবে?

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ‘ঙ, ঞ, ণ, …’ ধারার পরবর্তী অক্ষর কী হবে?

সমাধাণ:
ক খ গ ঘ ঙ ⇒ ঙ হচ্ছে ক বর্গীয় ধ্বনির শেষ ধ্বনি
চ ছ জ ঝ ঞ ⇒ ঞ হচ্ছে চ বর্গীয় ধ্বনির শেষ ধ্বনি
ট ঠ ড ঢ ণ ⇒ ণ হচ্ছে ট বর্গীয় ধ্বনির শেষ ধ্বনি
ত থ দ ধ ন ⇒ ন হচ্ছে ত বর্গীয় ধ্বনির শেষ ধ্বনি


‘ঙ, ঞ, ণ, …’ ধারার পরবর্তী অক্ষর হবে 'ন'।

১১৯) 'A' 'B'-এর চেয়ে দ্বিগুণ কাজ করতে পারে; তারা দুজন একত্রে একটি কাজ ১৪ দিনে শেষ করতে পারে। 'A' একা কাজটি কতদিনে করতে পারবে?

১২ দিনে

২৪ দিনে

২১ দিনে

১৫ দিনে

২১ দিনে

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: 'A' 'B'-এর চেয়ে দ্বিগুণ কাজ করতে পারে; তারা দুজন একত্রে একটি কাজ ১৪ দিনে শেষ করতে পারে। 'A' একা কাজটি কতদিনে করতে পারবে?

সমাধান:
A একটা কাজ ক দিনে করলে B ঐ কাজ ২ক দিনে করতে পারে।
A, ক দিনে করে ১টি কাজ
A, ১ দিনে করে ১/ক অংশ

আবার, 
B, ২ক দিনে করে ১টি কাজ
B, ১ দিনে করে ১/২ক অংশ

A ও B একত্রে ১ দিনে করে (১/ক + ১/২ক) অংশ = (৩/২ক) অংশ

A ও B একত্রে (৩/২ক) অংশ করে ১ দিনে
A ও B একত্রে ১ বা সম্পূর্ণ অংশ করে (২ক/৩) দিনে।

প্রশ্নানুসারে,  
২ক/৩ = ১৪
বা, ক = ১৪ × (৩/২)
∴ ক = ২১

A একা কাজটি ২১ দিনে করতে পারে।

১২০) ‘DRIVE is to LICENCE as BREATHE is to ______.’ এই বক্তব্যের শূন্যস্থানে কোন বিকল্পটি বসবে?

OXYGEN

ATMOSPHERE

WINDPIPE

INHALE

OXYGEN

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ‘DRIVE is to LICENCE as BREATHE is to ______.’ এই বক্তব্যের শূন্যস্থানে কোন বিকল্পটি বসবে?

সমাধান:
‘DRIVE is to LICENCE as BREATHE is to OXYGEN .’
সড়কে গাড়ি DRIVE বা চালানোর জন্য LICENCE লাগে।
অনুরূপভাবে, BREATHE শ্বাস নেওয়ার জন্য OXYGEN লাগে।

১২১) একটি প্রতিষ্ঠানের ৪০% কর্মচারী আন্ডারগ্রাজুয়েট, অবশিষ্ট কর্মচারীদের ৫০% গ্রাজুয়েট এবং অবশিষ্ট ১৮০ জন পােস্টগ্রাজুয়েট। প্রতিষ্ঠানটির কতজন কর্মচারী গ্রাজুয়েট?

১৮০

২৪০

৩০০

৩৬০

১৮০

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: একটি প্রতিষ্ঠানের ৪০% কর্মচারী আন্ডারগ্রাজুয়েট, অবশিষ্ট কর্মচারীদের ৫০% গ্রাজুয়েট এবং অবশিষ্ট ১৮০ জন পােস্টগ্রাজুয়েট। প্রতিষ্ঠানটির কতজন কর্মচারী গ্রাজুয়েট?

সমাধান:
মনে করি,
প্রতিষ্ঠানটিতে মোট কর্মচারী আছে y জন।

আন্ডারগ্রাজুয়েট কর্মচারী = y এর ৪০% = ৪০y/১০০
অবশিষ্ট কর্মচারীর সংখ্যা = ১ - ৪০y/১০০ = ৬০y/১০০
অবশিষ্ট কর্মচারীর মধ্যে, 
গ্রাজুয়েট কর্মচারীর সংখ্যা = ৬০y/১০০ এর ৫০% = ৩০y/১০০

প্রশ্নানুসারে,
y - ৪০y/১০০ - ৩০y/১০০ = ১৮০
বা, (১০০y - ৪০y - ৩০y)/১০০ = ১৮০
বা, ৩০y/১০০ = ১৮০
বা, ৩y/১০ = ১৮০
বা, y = (১৮০ × ১০)/৩
∴ y = ৬০০

সুতরাং গ্রাজুয়েট কর্মচারীর সংখ্যা
= ৩০y/১০০
= (৩০ × ৬০০)/১০০
= ১৮০

১২২) যদি ROSE-কে লেখা হয় 6821, CHAIR-কে লেখা হয় 73456 এবং PREACH-কে লেখা হয় 961473, তাহলে SEARCH-এর কোড কত?

246173

214673

214763

216473

214673

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: যদি ROSE-কে লেখা হয় 6821, CHAIR-কে লেখা হয় 73456 এবং PREACH-কে লেখা হয় 961473, তাহলে SEARCH-এর কোড কত?

সমাধান:
R ⇒ 6
O  ⇒ 8
S  ⇒ 2
E  ⇒ 1

C ⇒ 7
H ⇒ 3
A ⇒ 4
I ⇒ 5
R ⇒ 6

P ⇒ 9
R ⇒ 6
E ⇒ 1
A ⇒ 4
C ⇒ 7
H ⇒ 3

সুতরাং SEARCH = 214673

১২৩) প্রশ্নবােধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?

20

26

30

25

26

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: প্রশ্নবােধক চিহ্নিত স্থানে কোন সংখ্যা বসবে?


সমাধান:
১ম চিত্রে,
32 + 22 
= 9 + 4
= 13

২য় চিত্রে,
42 + 82 
= 16 + 64
= 80

∴ ৩য় চিত্রে,
12 + 52 
= 1 + 25
= 26

∴ সঠিক উত্তর - খ) 26

১২৪) DC DE FE ?? HG HI সিরিজের প্রশ্নবােধক চিহ্নের স্থানে কোন বিকল্পটি বসবে?

DE

ED

FG

GF

FG

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: DC DE FE ?? HG HI সিরিজের প্রশ্নবােধক চিহ্নের স্থানে কোন বিকল্পটি বসবে?

সমাধান:
A, B, C, D, E, F, G, H, I

এখানে, প্রতি জোড়া ঘর নির্দিষ্ট একটি Letter এর জন্য বরাদ্দ, এবং পরবর্তী জোড়ার letter টি আগের জোড়ার নির্দিষ্ট Letter এর পরের Letter বাদ দিয়ে হবে। যেমন প্রথম জোড়া D এর জন্য, এর পরের জোড়া E বাদ দিয়ে F এর জন্য, এর পরের জোড়া G বাদ দিয়ে H এর জন্য।


অন্যদিকে,
প্রতি ১জোড়ার প্রথম ঘরটি নির্দিষ্ট Letter ও তার আগের Letter নিয়ে গঠিত। যেমন: DC
আর ২য় ঘরটি নির্দিষ্ট Letter ও তার পরের Letter নিয়ে গঠিত। যেমন: DE


তাহলে,
২য় জোড়ার ১ম ঘর হবে, FE
২য় জোড়ার ২য় ঘর হবে, FG, যা ‘??’ চিহ্নিত স্থানে বসবে।
এবং 
৩য় জোড়ার ১ম ঘর হবে, HG
৩য় জোড়ার ২য় ঘর হবে, HI


অন্যভাবে,
DC → DE এর ক্ষেত্রে,
D অপরিবর্তনীয় C ও E এর মধ্যে পার্থক্য ১ [কারণ C এরপর D; D এরপর E;
C ও E এর মধ্যে পার্থক্য ১ টি বর্ণ - D]

FE → FG এর ক্ষেত্রে,
F অপরিবর্তনীয় E ও G এর মধ্যে পার্থক্য ১ [কারণ E এরপর F; F এরপর G;
E ও G এর মধ্যে পার্থক্য ১ টি বর্ণ - F]

HG → HI এর ক্ষেত্রে,
H অপরিবর্তনীয় G ও I এর মধ্যে পার্থক্য ১ [কারণ G এরপর H; H এরপর I;
G ও I এর মধ্যে পার্থক্য ১ টি বর্ণ - H]
সুতরাং প্রশ্নবোধক স্থানে FG বসবে।

১২৫) ‘প্রতিযােগিতা’য় সবসময় কী থাকে?

topic

examination

party

participant

participant

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ‘প্রতিযােগিতা’য় সবসময় কী থাকে?

সমাধান:
Participant বা প্রতিযোগী/অংশগ্রহনকারী ছাড়া প্রতিযোগিতা অসম্ভব।
- Topic, Examination, Party - ছাড়াও প্রতিযোগীতা হতে পারে।

১২৬) একটি ছবি দেখিয়ে তিন্নী বললাে, ‘সে আমার দাদার একমাত্র ছেলের ছেলে’ ছবির ছেলেটির সাথে তিন্নীর সম্পর্ক কী?

ভাই

চাচা

ছেলে

কোন সম্পর্ক নেই

ভাই

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: একটি ছবি দেখিয়ে তিন্নী বললাে, ‘সে আমার দাদার একমাত্র ছেলের ছেলে’ ছবির ছেলেটির সাথে তিন্নীর সম্পর্ক কী?

সমাধান:
তিন্নীর দাদার একমাত্র ছেলে ⇒ তিন্নীর বাবা
তিন্নীর বাবার ছেলে ⇒ তিন্নীর ভাই

∴ দাদার একমাত্র ছেলের ছেলে - সম্পর্কে তিন্নীর ভাই।

১২৭) নিচের ক, খ, গ ও ঘ বিকল্প নকশা ৪টির মধ্যে কোনটি প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে বসবে?

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: নিচের ক, খ, গ ও ঘ বিকল্প নকশা ৪টির মধ্যে কোনটি প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে বসবে?


সমাধান:

১২৮) নিচের কোন শব্দটি ভিন্ন ধরনের?

চাঁদ

প্লুটো

মঙ্গল

পৃথিবী

চাঁদ

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: নিচের কোন শব্দটি ভিন্ন ধরনের?

সমাধান:
প্লুটো, মঙ্গল এবং পৃথিবী তিনটিই গ্রহ (Planet)।

তবে, এর মধ্যে প্লুটো "বামন গ্রহ" (Dwarf Planet)। ২০০৬ সালে প্লুটো গ্রহের মর্যাদা হারায়, বর্তমানে এটাকে বামন গ্রহ (Dwarf Planet) বলা হয়ে থাকে।
প্লুটো সহ সৌরজগতে এরিস, ম্যাকিম্যাকি ও সিরেস নামে আরো কয়েকটি বামন গ্রহ আছে৷

অন্যদিকে, চাঁদ একটি উপগ্রহ (Sattelite)। তাই, এখানে সঠিক উত্তর ক) চাঁদ।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই।

১২৯) নিচের ক, খ, গ ও ঘ এই ৪টি বিকল্প নকশার মধ্যে চিত্রের প্রশ্নবােধক চিহ্নের ঘরে কোন নকশাটি বসবে?

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: নিচের ক, খ, গ ও ঘ এই ৪টি বিকল্প নকশার মধ্যে চিত্রের প্রশ্নবােধক চিহ্নের ঘরে কোন নকশাটি বসবে?


সমাধান:

১৩০) নিচের শব্দগুলাের মধ্যে ৩টি সমগােত্রীয়। কোন শব্দটি আলাদা?

Conventional

Peculiar

Conservative

Traditional

Peculiar

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: নিচের শব্দগুলাের মধ্যে ৩টি সমগােত্রীয়। কোন শব্দটি আলাদা?

সমাধান:
Conventional (Adjective): Based on or in accordance with what is generally done or believed.
বাংলা অর্থ - গতানুগতিক; রীতিমাফিক; রীতিসম্মত।

Peculiar (Adjective): Different to what is normal or expected; strange.
বাংলা অর্থ -  বৈশিষ্ট্যপূর্ণ; বিচিত্র; অপ্রচলিত।

Conservative (Adjective): Averse to change or innovation and holding traditional values.
বাংলা অর্থ - রক্ষণশীল; পরিবর্তনবিরোধী।

Traditional (Adjective): Existing in or as part of a tradition; long-established.
বাংলা অর্থ - ঐতিহ্যবাহী; সনাতন।

সুতরাং, Conventional, Conservative ও Traditional - শব্দগুলো প্রায় সমার্থক বা সমগোত্রীয় শব্দ।
অন্যদিকে, Peculiar - ভিন্ন অর্থবোধক শব্দ।

১৩১) বাংলাদেশ সংবিধান হাতে লেখার দায়িত্ব কার ওপর ন্যস্ত ছিল?

হাশেম খান

এ.কে.এম আব্দুর রউফ

আবুল বারক আলভী

সমরজিৎ রায় চৌধুরী

এ.কে.এম আব্দুর রউফ

ব্যাখ্যা:
সংবিধান:
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়। 
- বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান হাতে লিখে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছিল।
- হাতে লেখা বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের পৃষ্ঠা ছিল ১০৯।
- সংবিধানের হস্তলিপির কাজ করেছেন এ কে এম আবদুর রউফ।
- এ কে এম আবদুর রউফ ছিলেন একজন মুক্তিযুদ্ধা।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা হয়েছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'
- সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবদায়ক ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নাল আবেদীন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ,আরিফ খান।

১৩২) বাংলাদেশে কোনটি ব্যাংক নােট নয়?

২ টাকা

১০ টাকা

৫০ টাকা

১০০ টাকা

২ টাকা

ব্যাখ্যা:
• বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট। 
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে। 
- এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

• বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

১৩৩) ‘সেকেন্ডারি মার্কেট’ কিসের সাথে সংশ্লিষ্ট?

শ্রম বাজার

চাকুরি বাজার

স্টক মার্কেট

কৃষি বাজার

স্টক মার্কেট

ব্যাখ্যা:
• পুঁজি বাজার:
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশে ২টি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে।

এগুলো হলো -
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪),
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫)।

• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে নারায়ণগঞ্জে এবং ১৯৫৮ সালে ঢাকার মতিঝিলে স্থানান্তরিত হয়। 
• বাংলাদেশে শেয়ার মার্কেট নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) যা ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত।
• গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।

উৎস: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।

১৩৪) বাংলাদেশ সরকার কোন খাত থেকে সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে?

আয়কর

ভূমিকর

আমদানি-রপ্তানি শুল্ক

মূল্য সংযােজন কর

মূল্য সংযােজন কর

ব্যাখ্যা:
• বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস: 
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় খাত হলো মূ্ল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট।

- বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।
- সরকারি আয়ের দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর
- তৃতীয় সম্পূরক শুল্ক এবং চতুর্থ আমদানি শুল্ক।

উৎস: এনবিআরের ওয়েবসাইট।

১৩৫) আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম কী ছিল?

মহাভারত

রামায়ণ

গীতা

বেদ

বেদ

ব্যাখ্যা:
আর্য জাতি ও তাদের ইতিহাস:
- সিন্ধু সভ্যতার পতনের পর একটি জাতি ভারতে প্রবেশ করতে থাকে। 
- ইতিহাসে এরা আর্য নামে পরিচিত। 
- আর্যদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের নাম — বেদ।
- বেদের ধর্ম খুব নিষ্ঠার সাথে পালন করতো আর্যরা। 
- বেদের অনুসারী এই আর্যরা ভারতে গড়ে তোলে এক সভ্যতা। 
- ইতিহাসে তা আর্য সভ্যতা বা বৈদিক সভ্যতা নামে পরিচিত। 
- বেদ শুধু ধর্ম গ্রন্থই ছিল না। এতে সাহিত্যের গুণও ছিল। 
- এভাবে আর্য সভ্যতা ভারতবর্ষে এক উন্নত সাহিত্যের জন্ম দেয় যা বৈদিক সাহিত্য নামে পরিচিত। আর্য সভ্যতা সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় জীবনে একটি নতুন ধারণার জন্ম দিয়েছিল। 
- এই সভ্যতাই ধাতু যুগের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় ভারতকে।
- বেদের এর অপরনাম শ্রুতি। এর কারণ, লিপিবদ্ধ হওয়ার আগে দীর্ঘকাল বেদ ছিল মানুষের স্মৃতিতে বিধৃত। 
 
উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৩৬) বাংলার প্রাচীন জনপদ কোনটি?

পুণ্ড্র

তাম্রলিপ্ত

গৌড়

হরিকেল

পুণ্ড্র

ব্যাখ্যা:
পুণ্ড্র জনপদ:
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুণ্ড্র।
- পুণ্ড্র ‘জন’ বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল।
- পুণ্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ রাজ্য।
- পুণ্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।

প্রাচীন বাংলার অন্যান্য জনপদ সমূহের মধ্যে রয়েছে:
- বঙ্গ,
- বরেন্দ্র,
- সমতট,
- হরিকেল,
- রাঢ়,
- চন্দ্রদ্বীপ,
- তাম্রলিপ্ত,
- গঙ্গারিডাই,
- গৌড় প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

১৩৭) মুজিবনগর সরকারের অর্থনীতি বিষয়ক ও পরিকল্পনা বিভাগের দায়িত্বে কে ছিলেন?

তাজউদ্দিন আহমদ

সৈয়দ নজরুল ইসলাম

এম. মনসুর আলী

এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান

তাজউদ্দিন আহমদ

ব্যাখ্যা:
• মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- মুজিবনগর সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

মুজিবনগর সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ:
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- রাষ্ট্রপতি।

• সৈয়দ নজরুল ইসলাম- উপরাষ্ট্রপতি (রাষ্ট্রপতি পাকিস্তানে অন্তরীণ থাকার কারণে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত)।

• তাজউদ্দীন আহমদ- প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী।

• খন্দকার মোশতাক আহমদ- মন্ত্রী, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

• এম মনসুর আলী- মন্ত্রী, অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

• এ এইচ এম কামরুজ্জামান- মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

১৩৮) বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে?

২৯ (২)

২৮ (২)

৩৯ (১)

৩৯ (২)

২৮ (২)

ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় অধ্যায় হচ্ছে - মৌলিক অধিকার বিষয়ক।
- এই অধ্যায়ের অন্তর্গত ২৮ (২) অনুচ্ছেদটি নারী-পুরুষের সমতা বিষয়ক।

অনুচ্ছেদ - ২৮: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য - 
(১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না।
(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।
(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না।
(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ - ২৯ (২): 
কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না।

অনুচ্ছেদ - ৩৯ (১): 
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

অনুচ্ছেদ - ৩৯ (২): 
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৩৯) [তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। বর্তমানে গুরুত্বহীন।] কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন উৎপাদনে সম্প্রতি চীনের সাথে বাংলাদেশের কোন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?

বেক্সিমকো

স্কয়ার

ইনসেপটা

এক্‌মি

ইনসেপটা

ব্যাখ্যা:
গত আগস্ট, ২০২১ তারিখে করোনাভাইরাস ঠেকাতে বাংলাদেশে প্রথমবারের মত চীনের সিনোফার্মের টিকা যৌথ উৎপাদনের লক্ষ্যে ঢাকায় একটি ত্রি-পক্ষীয় সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশের সরকার।
- চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন দুটি প্রতিষ্ঠান চায়না ন্যাশনাল বায়োটেক গ্রুপ অব কোম্পানিজ ও চায়না সিনোফার্ম ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশন এবং ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার এই চুক্তি স্বাক্ষর করে।

- চুক্তি অনুযায়ী চীন থেকে ভ্যাকসিন উৎপাদনের কাঁচামাল ও উপকরণ বা বাল্ক নিয়ে আসা হবে, যেটি 'সেমি-ফিনিসড' অবস্থায় থাকবে।
- এরপর দেশেই বোতলজাতকরণ, লেবেলিং ও ফিনিশিং করবে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস।
- উৎপাদনের পর সরকার চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত দামে ইনসেপ্টার কাছ থেকে ভ্যাকসিন কিনে নেবে।

উৎস: বিবিসি বাংলা রিপোর্ট।

১৪০) বাংলাদেশ কত সালে OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে?

১৯৭৩

১৯৭৪

১৯৭৫

১৯৭৬

১৯৭৪

ব্যাখ্যা:
OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC.
- OIC (The Organisation of Islamic Cooperation) হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে OIC এর সদস্যপদ লাভ করে।
- OIC এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব, এইচ. ই. হিসেইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)।
- মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।

তথ্যসূত্র - OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৪১) বাংলাদেশে ভােটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স কত?

১৮

১৯

২০

২১

১৮

ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগে বর্ণিত "নির্বাচন" অধ্যায়ে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ - ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা - 
(১) প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকার ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার তালিকাভুক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হোন;
(খ) তাহার বয়স আঠারো (১৮) বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইবুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া এবং প্রধানমন্ত্রী সর্বনিম্ন বয়স - ২৫ বছর,
- রাষ্ট্রপতি হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স - ৩৫ বছর।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৪২) বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন-

আইনমন্ত্রী

আইন সচিব

অ্যাটর্নি জেনারেল

প্রধান বিচারপতি

অ্যাটর্নি জেনারেল

ব্যাখ্যা:
• বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হচ্ছেন - অ্যাটর্নি জেনারেল।

সংবিধানের ৬৪ নং অনুচ্ছেদে "অ্যাটর্নি জেনারেল" সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ-৬৪: অ্যাটর্নি-জেনারেল - 
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি - জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক এবং বাংলাদেশের সংবিধান।

১৪৩) ‘নির্বাণ’ ধারণাটি কোন ধর্মবিশ্বাসের সাথে সংশ্লিষ্ট?

হিন্দুধর্ম

বৌদ্ধধর্ম

খ্রিষ্টধর্ম

ইহুদীধর্ম

বৌদ্ধধর্ম

ব্যাখ্যা:
• 'নির্বাণ' - ধারণা বৌদ্ধধর্মের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- বৌদ্ধদের ভাষায় মানুষের মুক্তি নির্বাণ নামে পরিচিত। এই নির্বাণ লাভই বৌদ্ধদের মতে পরম প্রাপ্তি।
- বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক গৌতম বুদ্ধ ৮০ বছর বয়সে নির্বাণ লাভ করেন।

বাংলা একাডেমি অভিধান অনুসারে,

নির্বাণ শব্দের অর্থ:
- মোক্ষ; মুক্তি; ভববন্ধন থেকে পরিত্রাণ লাভ; জীবন্মুক্তি; অজ্ঞানতা থেকে মুক্তিলাভ।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস : প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১৪৪) প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় 'বিকল্প সরকার' বলতে কী বােঝায়?

ক্যাবিনেট

বিরােধী দল

সুশীল সমাজ

লােকপ্রশাসন বিভাগ

বিরােধী দল

ব্যাখ্যা:
বিকল্প সরকার:
- প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে 'বিকল্প সরকার' বলা হয় বিরোধী দলকে।
- উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিরোধী দলও সরকারি দলের ন্যায় গঠন করে- ছায়া মন্ত্রিসভা।
- সরকার যেন স্বৈরাচারি ও দুর্নীতিপরায়ণ না হয় সেজন্যে বিরোধী দল ছায়া সরকার বা বিকল্প সরকারের ভূমিকা পালনের মাধ্যমে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে থাকে।
- বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হল দলীয় শাসন।

সূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৪৫) ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র কে ছিলেন?

আনিসুল হক

সাঈদ খােকন

সাদেক হােসেন খােকা

মােহাম্মদ হানিফ

মােহাম্মদ হানিফ

ব্যাখ্যা:
• ঢাকা সিটি করপোরেশনের ইতিহাস:
⇒ ১৮৬৪ সালের ১ আগষ্ট ঢাকা পৌরসভা স্থাপিত হয়।
⇒ ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা নগরীকে ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে ঢাকা পৌরসভা গঠন করা হয়।
⇒ ১৯৭৭ সালের ৩১ অক্টোবর কমিশনারদের মাধ্যমে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
⇒ ১৯৭৮ সালে ঢাকা পৌরসভাকে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয় পৌরসভার চেয়ারম্যান ঢাকা মিউিনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মেয়র নামে অবিহিত হয়।
⇒ ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়। 

 প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে এবং ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন মোহাম্মদ হানিফ। 
নগরবাসীর সেবা সহজলভ্য করার বৃহত্তর স্বার্থে ২০১১ সালের ২৩ নভেম্বর স্থানীয় সরকার সংশোধনী বিল ২০১১ অনুসারে সরকার ঢাকা সিটি করপোরেশনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে।
⇒ এ আইন অনুযায়ী ২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দুটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়।
⇒ এর ফলে ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নামে পৃথক দুইটি সিটি কর্পোরেশন যাত্রা শুরু করে।

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ওয়েবসাইট।

১৪৬) বাংলাদেশে কোন সালে বয়স্ক ভাতা চালু হয়?

১৯৯৫

১৯৯৬

১৯৯৭

১৯৯৮

১৯৯৮

ব্যাখ্যা:
বয়স্ক ভাতা:
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ (১৯৯৮ সাল) অর্থ বছরে ‘বয়স্ক ভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশন এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০১৩ সালে প্রণীত বাস্তবায়ন নীতিমালা সংশোধন করে যুগোপযোগীকরণ, অধিক সংখ্যক মহিলাকে ভাতা কার্যক্রমের আওতায় অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে মহিলাদের বয়স ৬৫ বছর থেকে কমিয়ে ৬২ বছর নির্ধারণ, উপকারভোগী নির্বাচনে স্থানীয় মাননীয় সংসদ সদস্যসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্তকরণ এবং ডাটাবেইজ প্রণয়ন।

২০২৪-২৫ বাজেটে, ভাতাভোগীর মাসিক ভাতার হার:
- বয়স্ক ভাতা: ৬০০ টাকা।
- বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা: ৫৫০ টাকা।
- অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা: ৮৫০ টাকা।
- অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কার্যক্রমে উপকারভোগীর ভাতার হার: ৪০০ টাকা।
- মাতৃত্বকালীন ভাতা (৩৬ মাস পর্যন্ত): ৮০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ভাতার হার: ১০৫০ টাকা।
- বীর মুক্তিযোদ্ধা ভাতার হার: ২০০০০ টাকা।

উৎস:
i) ২০২৪-২৫ জাতীয় বাজেট।
ii) সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 

১৪৭) একনেক (ECNEC)-এর প্রধান কে?

প্রধানমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী

পরিকল্পনা মন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী

ব্যাখ্যা:
• ECNEC:
- একনেক (ECNEC)-এর প্রধান- প্রধানমন্ত্রী।
- একনেক (Executive Committee of the National Economic Council) 1982 সালে গঠিত হয়। এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

সূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১৪৮) ‘বলাকা’ কোন ফসলের একটি প্রকার?

ধান

গম

পাট

টমেটো

গম

ব্যাখ্যা:
• 'বলাকা' হচ্ছে- উন্নত জাতের গমশস্য। 

• বাংলাদেশে চাষকৃত গমের জাতসমূহ:
- বলাকা, 
- দোয়েল,
- কাঞ্চন,
- আকবর,
- সোনালিকা,
- সৌরভ,
- গৌরব,
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।
------------------------- 
• বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
গম - অগ্রণী, সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
ভুট্টা - উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্র।
তুলা - রূপালী ও ডেলফোজ।
টমেটো - মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
বেগুন - ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।

১৪৯) তথ্য অধিকার আইন কোন সালে চালু হয়?

২০০২

২০০৬

২০০৯

২০১১

২০০৯

ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশ তথ্য অধিকার আইন : ২০০৯ -
- ২৯ মার্চ, ২০০৯ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ কর্তৃক তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ পাশ হয়।
- ৫ এপ্রিল, ২০০৯ এই আইনটি মহামান্য রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে
- ৬ এপ্রিল, ২০০৯ আইনটি বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত হয়।
- আইনটি - ধারা ৮, ২৪ এবং ২৫ ব্যতিত অন্যান্য ধারা ২০ অক্টোবর, ২০০৮ তারিখে কার্যকর এবং  ৮, ২৪ এবং ২৫ ধারা ১লা জুলাই, ২০০৯ তারিখ থেকে কার্যকর হয়।

তথ্য অধিকার আইন অনুসারে, তথ্য অধিকার মানুষের মৌলিক অধিকার।

উৎস: বাংলাদেশ গেজেট ও বাংলাদেশ তথ্য অধিকার আইন : ২০০৯

১৫০) 'রেহেনা মরিয়ম নূর' চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন-

জেরেমি চুয়া

আবদুল্লাহ মােহাম্মদ সাদ

রাজীব মহাজন

আজমেরী হক বাঁধন

আবদুল্লাহ মােহাম্মদ সাদ

ব্যাখ্যা:
'রেহেনা মরিয়ম নূর' চলচ্চিত্র:
- একটি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র। এটি ২০২১ সালের জুলাইয়ে মুক্তি পায়।
- চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেন - প্রতিভাবান তরুন বাংলাদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা - আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ।
- ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে রূপদান করেন: বাংলাদেশী অভিনেত্রী - আজমেরী হক বাঁধন।
- চলচ্চিত্রটি ২০২১ সালের কান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের আঁ সার্তে রিগা পর্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে ইতিহাস গড়েছে৷ 

একজন মানুষকে জীবনে অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়৷ কোনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া সত্যিই কঠিন৷ কোনো সিদ্ধান্তের জন্য যদি তাকে কঠিন মূল্য দিতে হয় এবং তা জেনেও কেউ তার অবস্থানে অবিচল থাকলে তাকে দৃঢ় চরিত্রের বলতেই হয়৷ তেমনই এক চরিত্র রেহানা মরিয়ম নূর৷

তথ্যসূত্র: ডয়েচভেলে ও বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।

১৫১) নিপাের্ট (NIPORT) কী ধরনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান?

জনসংখ্যা গবেষণা

নদী গবেষণা

মিঠাপানি গবেষণা

বন্দর গবেষণা

জনসংখ্যা গবেষণা

ব্যাখ্যা:
NIPORT:
- এটি হচ্ছে বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এর পূর্ণরুপ - National Institute of Population Research and Training.
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

তথ্যসূত্র - NIPORT ওয়েবসাইট।

১৫২) ওরাওঁ জনগােষ্ঠী কোন অঞ্চলে বসবাস করে?

রাজশাহী-দিনাজপুর

বরগুনা-পটুয়াখালী

রাঙামাটি-বান্দরবান

সিলেট-হবিগঞ্জ

রাজশাহী-দিনাজপুর

ব্যাখ্যা:
ওরাওঁ জনগোষ্ঠী:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- ওরাওঁ নৃগোষ্ঠীর মানুষ রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাস করে।
- ওরাঁও জনগোষ্ঠী কুঁড়ুখ ভাষায় কথা বলে। এটি দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত একটি আদি ও কথ্য ভাষা।
- এ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই। ওরাঁও জনগোষ্ঠীর মধ্যে কুঁড়ুখ ব্যতীত সাদরি ভাষাও প্রচলিত রয়েছে।
- ওরাওঁ সমাজের পার্বণিক উৎসব মূলত ফাগুয়া।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি।

১৫৩) ১৯৬৬ সালের ৬ দফার কয়টি দফা অর্থনীতি বিষয়ক ছিল?

৩টি

৪টি

৫টি

৬টি

৩টি

ব্যাখ্যা:
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তার মধ্যে অর্থনৈতিক বিষয়ক দফা ছিল তিনটি।
যথা: 
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫৪) প্রাচীন বাংলায় সমতট বর্তমান কোন অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল?

ঢাকা ও কুমিল্লা

ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা

কুমিল্লা ও নােয়াখালী

ময়মনসিংহ ও জামালপুর

কুমিল্লা ও নােয়াখালী

ব্যাখ্যা:
• সমতট:
- দক্ষিণ পূর্ব বাংলার জনপদ সমতট নামটি বর্ণনামূলক এবং এর অর্থ তটের সমান্তরাল।
- চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ
রয়েছে।
- হিউয়েন সাঙ সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন।
- হিউয়েন সাঙ বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিদ্যমান অবস্থার যে বর্ণনা রেখে গেছেন তা থেকে বোঝা যায় যে, কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই সমতট।
- সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল।
-মেঘনা- পূর্ববর্তী অঞ্চলই সমতট বলে পরিচিত ছিল।
- সমতটের কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী 'লালমাই' এলাকা।
- ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়েই ছিল প্রাচীন সমতট।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৫) 'Untranquil Recollections: The Years of Fulfilment' শীর্ষক গ্রন্থটির লেখক কে?

আনিসুর রহমান

রেহমান সােবহান

নুরুল ইসলাম

রওনক জাহান

রেহমান সােবহান

ব্যাখ্যা:
রেহমান সােবহান:
- অধ্যাপক রেহমান সোবহান বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ৬০ এর দশকে বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদ আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
- তিনি সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।
- তিনি ১৯৯১ সালে তত্ত্ববধায়ক সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ছিলেন।
- Untranquil Recollections: The Years of Fulfilment বইটি তাঁর রচিত।
- বইটি ২০১৫ সালে প্রকাশিত।
- - ১৯৬১ থেকে ১৯৭১ এই ১০ বছরে লেখা অধ্যাপক রেহমান সোবহানের নিবন্ধ, কলাম ও সম্পাদকীয় ইত্যাদি নিয়ে গ্রন্থিত বই “ফ্রম টু ইকোনমিস টু টু নেশনস: মাই জার্নি টু বাংলাদেশ”। 

উৎস: সিপিডি ওয়েবসাইট & কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট ।

১৫৬) ল্যান্স নায়েক নূর মােহাম্মদ শেখ কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?

৬ নম্বর

৭ নম্বর

৮ নম্বর

৯ নম্বর

৮ নম্বর

ব্যাখ্যা:
• বীরশ্রেষ্ঠ ও দায়িত্বরত সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : পশ্চিম পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৫৭) নিম্নোক্ত কোন সালে কৃষিশুমারী অনুষ্ঠিত হয়নি?

১৯৭৭

২০০৮

২০১৫

২০১৯

২০১৫

ব্যাখ্যা:
• ২০১৫ সালে কোনো কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি। 

স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত পাঁচটি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
• প্রথম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ১৯৭৭ সালে।
• দ্বিতীয় কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ১৯৮৩-৮৪ সালে।
• তৃতীয় কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ১৯৯৬ সালে।
• চতুর্থ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ২০০৮ সালে।
• পঞ্চম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ২০১৯ সালে।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশ ভূখণ্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

১৫৮) ‘ম্যানিলা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?

তুলা

তামাক

পেয়ারা

তরমুজ

তামাক

ব্যাখ্যা:
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• ইরাটম, চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, সুফলা: উন্নত জাতের ধান।
• সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
• সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
• বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ উন্নত জাতের ভুট্টা।
• মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
• বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
• যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১৫৯) বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি'-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে?

৮১

৮৫

৮৭

৮৮

৮৭

ব্যাখ্যা:
• সংবিধানে বাজেটকে “বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি” নামে বর্ণিত হয়েছে। এই সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ - ৮৭।

সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ৮৭: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি-

(১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে ''বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি'' নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হইবে।

(২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে
(ক) এই সংবিধানের দ্বারা বা অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
(খ) সংযুক্ত তহবিল হইতে ব্যয় করা হইবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, প্রদর্শিত হইবে এবং অন্যান্য ব্যয় হইতে রাজস্ব খাতের ব্যয় পৃথক করিয়া প্রদর্শিত হইবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৬০) কোনটি সাংবিধানিক পদ নয়?

প্রধান নির্বাচন কমিশনার

চেয়ারম্যান, পাবলিক সার্ভিস কমিশন

চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন

কনট্রোলার ও অডিটর জেনারেল

চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন

ব্যাখ্যা:
• চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন- এটি সাংবিধানিক পদ নয়।

সাংবিধানিক পদ:
- সংবিধান হলো গ্ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন। 
- সাংবিধানিক উপায়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, পদের মেয়াদ, পদমর্যাদা, পদত্যাগ ও অপসারণ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও সুষ্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে

সাংবিধানিক পদ:
• রাষ্ট্রপতি,
• স্পিকার,
• প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণ, 
• ডিপুটি স্পিকার,
• প্রধান বিচারপতি,  
• সংসদ সদস্য,
• প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার,
• মহা-হিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
• সরকারী কর্ম- কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৬১) ইরান-ইরাক যুদ্ধবিরতির তদারকির কাজে নিয়ােজিত জাতিসংঘের বাহিনী কোন নামে পরিচিত ছিল?

UNIMOG

UNIIMOG

UNGOMAP

UNICEF

UNIIMOG

ব্যাখ্যা:
UNIIMOG:
- UNIIMOG-এর পূর্ণরূপ: UNITED NATIONS IRAN-IRAQ MILITARY OBSERVER GROUP.
- জাতিসংঘ ইরাক-ইরান সামরিক পর্যবেক্ষক গ্রুপ (UNIIMOG)।
- ১৯৮৮ সালে ইরাক-ইরান যুদ্ধ বন্ধে জাতিসংঘ United Nations Iran-Iraq Military Observer Group (UNIIMOG) প্রেরণ করে।

উল্লেখ্য,
- সর্বপ্রথম বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠায়।
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণ করে, একটি ইরাক-ইরান (UNIIMOG) এবং অন্যটি নামিবিয়া (UNTAG)।
- বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ১৯৮৮ সালে UNIIMOG মিশনে ১৫ জন সদস্য প্রেরণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিরক্ষী মিশন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।

উৎস: UN Peacekeeping ওয়েবসাইট।

১৬২) আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস কোন তারিখে পালিত হয়?

১৫ সেপ্টেম্বর

১৫ অক্টোবর

১৫ নভেম্বর

১৫ ডিসেম্বর

১৫ সেপ্টেম্বর

ব্যাখ্যা:
আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস:
- আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস পালিত হয় ১৫ সেপ্টেম্বর।
- জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত দেশগুলোয় গণতন্ত্র সম্পর্কে আগ্রহ সৃষ্টি এবং গণতন্ত্রচর্চাকে উৎসাহিত করার প্রয়াসে দিবসটি পালিত হয়।
- ২০০৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর এ দিবসের ঘোষণা দেয় জাতিসংঘ।
- এরপর থেকেই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের উদ্যোগে প্রতি বছর দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

অন্যদিকে,
- ১৫ অক্টোবর - বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস।
- ১৫ নভেম্বর - আন্তর্জাতিক কারারুদ্ধ লেখক দিবস।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৬৩) ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল-এর প্রধান কার্যালয় কোথায়?

ফ্রান্স

জার্মানি

নেদারল্যান্ড

হাঙ্গেরি

জার্মানি

ব্যাখ্যা:
Transparency International:
- Transparency International (TI) জার্মান ভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৯৩ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: পিটার ইজেন।
- সদর দপ্তর: বার্লিন, জার্মানি।

উল্লেখ্য,
- এটি প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) প্রকাশ করে।

উৎস: Transparency International ওয়েবসাইট।

১৬৪) চীন থেকে ক্রয়কৃত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ডুবােজাহাজ দুটি নিম্নোক্ত কোন শ্রেণির?

কিলাে-ক্লাস

মিং-ক্লাস

ডলফিন-ক্লাস

শ্যাং-ক্লাস

মিং-ক্লাস

ব্যাখ্যা:
[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

'নবযাত্রা' এবং ‘জয়যাত্রা':
- বাংলাদেশ ২০১৬ সালে চীনের কাছ থেকে দুটি সাবমেরিন ক্রয় করে।
- ২০১২ সালে চীনের কাছ থেকে ২টি মিং-ক্লাস সাবমেরিন ক্রয় করার চুক্তি করা হয়। 
- ১৪ নভেম্বর ২০১৬ চীনের দালিয়ান প্রদেশের লিয়াওয়ান শিপইয়ার্ডে সাবমেরিন দুটি বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
- সাবমেরিন দুটির নামকরণ করা হয় 'নবযাত্রা' এবং ‘জয়যাত্রা'।
- আইএসপিআর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, টাইপ ০৩৫ ডুবোজাহাজ (ন্যাটো প্রদত্ত নাম: মিং ক্লাস) এই কনভেনশনাল সাবমেরিন দুইটি ডিজেল ইলেকট্রিক সাবমেরিন, যার প্রতিটি দৈর্ঘ্যে ৭৬ মিটার এবং প্রস্থে ৭.৬ মিটার।
- আইএসপিআর থেকে আরো জানানো হয়, 'নবযাত্রা' এবং 'জয়যাত্রা' নামের দুটি সাবমেরিন টর্পেডো এবং মাইন দ্বারা সুসজ্জিত, যা শত্রুপক্ষের যুদ্ধজাহাজ ও সাবমেরিনকে আক্রমণ করতে সক্ষম।
- ২০১৭ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যুক্ত হয় সেই দুইটি চীনা সাবমেরিন।

উৎস: BBC.

১৬৫) জিবুতি দেশটি কোথায় অবস্থিত?

এডেন উপসাগরের পাশে

প্রশান্ত মহাসাগরে

দক্ষিণ আমেরিকায়

দক্ষিণ চীন সাগরে

এডেন উপসাগরের পাশে

ব্যাখ্যা:
জিবুতি:
- জিবুতি উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- এটি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এর সংযোগস্থলে অবস্থিত।
- এর দক্ষিণে আছে সোমালিয়া, দক্ষিণ ও পশ্চিমে ইথিওপিয়া, উত্তরে ইরিত্রিয়া আর পূর্ব দিকে আছে লোহিত সাগর ও ইয়েমেন উপসাগর।
- হর্ন অব আফ্রিকা বা আফ্রিকার শিং অঞ্চলে অবস্থিত ছোট্ট দেশ জিবুতি।
- দেশটির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর: জিবুতি।
- রাষ্ট্রধর্ম: ইসলাম।
- মুদ্রা: জিবুতিয়ান ফ্রাঙ্ক।

উল্লেখ্য,
- জিবুতি ফ্রান্সের উপনিবেশ হিসেবে গণ্য ছিল।
- ১৮৯৬ থেকে ১৯৬৭ এই সময়টায় একে বলা হতো ফরাসি সোমালিল্যান্ড। 
- দেশটি ১৯৭৭ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- দেশটিতে ‘লেক আবি’ ও ‘লেক আসাল’ নামে দুটি বিখ্যাত লেক রয়েছে।

উৎস: Britannica.

১৬৬) নিম্নের কোনটি জাতিসংঘের সংস্থা নয়?

আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF)

আঞ্চলিক শ্রম সংস্থা (ILO)

আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD)

খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)

আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF)

ব্যাখ্যা:
IFAD:
- IFAD-এর পূর্ণরূপ: International Fund for Agricultural Development.
- এটি জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ডিসেম্বর, ১৯৭৭ সালে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: রোম, ইতালি।
- সদর দপ্তর: রোম, ইতালি।
- বর্তমান সদস্য: ১৭৮টি।
- সর্বশেষ সদস্য: সার্বিয়া।

ILO:
- ILO-এর পূর্ণরূপ: International Labour Organization.
- এটি জাতিসংঘের শ্রম সংস্থা।
- এটি ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি।
- বর্তমান মহাপরিচালক: গিলবার্ট হোংবো।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

FAO:
- FAO-এর পূর্ণরুপ: Food and Agriculture Organization.
- এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ অক্টোবর ১৯৪৫।
- FAO প্রতিষ্ঠার স্থান: কুইবেক, কানাডা।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৪৬।
- সদর দপ্তর: রোম, ইতালি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৫টি (১৯৪টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন)।
- বর্তমান মহাপরিচালক: ড. কু ডংগিউ (চীনের নাগরিক)।

অন্যদিকে,
⇒ ASEAN Regional Forum (ARF):
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৯৪ সালে।
- আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম।
- এর সদস্য সংখ্যা ২৭টি।
- দেশগুলো হলো: ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, মায়ানমার, কম্বোডিয়া, লাওস, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া, নিউজিল্যান্ড, পাপুয়া নিউগিনি, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তান, পূর্ব তিমুর, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা (সর্বশেষ সদস্য)।
- এটি জাতিসংঘের সংস্থা নয়।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

১৬৭) United Nations Framework Convention on Climate Change-এর মূল আলােচ্য বিষয়-

জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ

গ্রিন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ ও প্রশমন

সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি

বৈশ্বিক মরুকরণ প্রক্রিয়া এবং বনায়ন

গ্রিন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ ও প্রশমন

ব্যাখ্যা:
UNFCCC:
- UNFCCC-এর পূর্ণরূপ: United Nations Framework Convention on Climate Change.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ সংক্রান্ত একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- সাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: রিও ডি জেনেরিও, ব্রাজিল।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দের ৩ জুন থেকে ১৪ জুন তারিখে তে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন (UNCED) শীর্ষক সম্মেলনে সাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের হার এমন অবস্থায় স্থিতিশীল রাখা, যাতে জলবায়ুগত মানবিক পরিবেশের জন্য তা বিপত্তিকর না হয়।

⤇ Conference of the Parties (COP) হচ্ছে UNFCCC-এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ।
- প্রতিবছর COP সম্মেলনের মাধ্যমে UNFCCC-এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পর্যালোচনা ও জলবায়ু সম্পর্কিত নতুন পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়।
⤇ কার্যক্রম শুরুর পর থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত ইস্যুতে এই চুক্তির দপ্তর মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
- এই চুক্তির সেক্রেটারিয়েটের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় ১৯৯৭ সালে কিয়েটো প্রটোকল ও ২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
⤇ ১৯৯২ সালে UNFCCC-এর দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯৫ সাল থেকে সদরদপ্তর জার্মানির বনে অবস্থিত।
- তার আগে দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় (১৯৯২ - ৯৫) ছিলো।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

১৬৮) World Development Report কোন সংস্থার বার্ষিক প্রকাশনা?

UNDP

World Bank

IMF

BRICS

World Bank

ব্যাখ্যা:
বিশ্বব্যাংক:
- বিশ্বব্যাংক গঠনের সিদ্ধান্ত হয় ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার শহরে ২৯টি দেশ ব্রেটন উডস চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে জুন, ১৯৪৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য ১৮৯টি দেশ।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ নাউরু; ১২ এপ্রিল, ২০১৬ সাল।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ।
- বিশ্বব্যাংক বলতে IBRD (International Bank for Reconstruction and Development) কে বুঝানো হয়।

⇒ বিশ্বব্যাংক এর উদ্দেশ্য মধ্য আয়ের দেশ গুলোকে ঋণ প্রদান ও উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে।
- বিশ্বব্যাংকের সর্বোচ্চ ঋণ গ্রহীতা দেশ ভারত।
- বিশ্বব্যাংকের প্রথম ঋণ গ্রহীতা দেশ ফ্রান্স।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাংক World development report (বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন) প্রকাশ করে।
- বিশ্বব্যাংক প্রতি বছর মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে বিশ্বের প্রতিটি দেশের একটি তুলনামূলক প্রতিবেদনসহ বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- এটি ১৯৭৮ সাল থেকে বার্ষিক প্রকাশিত হয়।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।

১৬৯) ব্যাডমিন্টন কোন দেশের জাতীয় খেলা?

মালয়েশিয়া

ইন্দোনেশিয়া

চীন

ইংল্যান্ড

ইন্দোনেশিয়া

ব্যাখ্যা:
ব্যাডমিন্টন:
- ব্যাডমিন্টন একপ্রকার বহিরাঙ্গন ক্রীড়া।
- এটি একক বা যুগ্মভাবে খেলা হয়।
- ব্যাডমিন্টন খেলার জন্য নেট দ্বারা বিভক্ত একটি আয়তাকার কোর্ট প্রয়োজন হয়।
- খেলোয়াড় র‌্যাকেটের সাহায্যে তার প্রতিদ্বন্দীর কোর্টে শাটলকর্কটি ছুঁড়ে দিয়ে স্কোর সংগ্রহ করেন।

⇒ উনিশ শতকের মধ্যভাগে ভারতে নিযুক্ত ব্রিটিশ সেনা অফিসারেরা এই খেলা উদ্ভাবন করেন। 
- তারা ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী খেলা ব্যাটলডোর ও শাটলকর্কে একটি নেট যুক্ত করে এই খেলা চালু করেছিলেন।
- ১৮৯৩ সালে ইংল্যান্ডে ’ব্যাডমিন্টন এসোশিয়েশন’ গঠন করা হয়।
- জনপ্রিয়তা অব্যাহত থাকায় ১৮৯৯ সালে ইংল্যান্ডের একটি পুরুষ ALL England Championship অনুষ্ঠিত হয়।
- এরই ধারাবাহিকতা সিঁড়ি বেয়ে ১৯৩৪ সালে International Badminton Federation (I.B.F) গঠিত হয়।
- মেয়েদের জন্য টুর্নামেন্টের ব্যবস্থা সর্বপ্রথম করা হয় ১৯৫৭ সালে। 
- এর দু’বছর পরে ১৯৫৯ সালে এশিয়ার কয়েকটি প্রতিনিধি দল মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালামপুরে এক বৈঠকের মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে International Badminton Federation (I.B.F) গঠিত হয়।
- ১৯৩৪ সালে International Badminton Federation (IBF) গঠিত হওয়ার পর ১৯৩৮ সালে সর্বপ্রথম খেলাটির নিয়ম কানুন প্রণীত হয়।
- তারপর বিভিন্ন সময়ে তা পরিবর্তিত, সংশোধিত ও সংযোজিত হয়ে ১৯৮৩ সালের মে মাসে পূর্ণতা লাভ করে।
- ১৯৮৩ সালে প্রণীত নীতিমালা এখনও কার্যকর রয়েছে। 

উল্লেখ্য,
- ব্যাডমিন্টন ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় খেলা।

অন্যদিকে,
- মালয়েশিয়ার জাতীয় খেলা সেপাক টার্কো।
- চীনের জাতীয় খেলা টেবিল টেনিস। 
- ইংল্যান্ডের জাতীয় খেলা ক্রিকেট।

উৎস: Britannica.

১৭০) 'The lady with the Lamp' নামে পরিচিত-

হেলেন কেলার

ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল

মাদার তেরেসা

সরােজিনী নাইডু

ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল

ব্যাখ্যা:
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল:
- ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ছিলেন আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত।
- তিনি ছিলেন ইতালিয়ান নাগরিক।
- ১৮২০ সালের ১২ মে ইতালির ফ্লোরেন্সে জন্মগ্রহণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল। 
- তিনি Lady with the Lamp নামে পরিচিত।
- ১৯১০ সালের ১৩ আগস্ট লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।

⇒ ইংল্যান্ডের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নেও তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন। 
- লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালে নার্সিংকে সম্পূর্ণ পেশারূপে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ১৮৬০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘নাইটিঙ্গেল ট্রেনিং স্কুল’ যার বর্তমান নাম ‘ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল স্কুল অব নার্সিং।

উল্লেখ্য,
- তিনি ক্রিমিয়ার যুদ্ধে যুদ্ধরত সৈন্যদের চিকিৎসা সেবায় এগিয়ে আসেন।
- যুদ্ধটি ১৮৫৩-১৮৫৬ সময়কালে সংঘটিত হয়।
- তিনি দিনের বেলায় কাজ করে রাতের বেলায় আহত সৈন্যদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করতেন।
- এ যুদ্ধে চিকিৎসা সেবায় অসামান্য অবদানের জন্য তাকে বলা হয় ‘লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প‘।

⇒ ১৮৮৩ সালে রানি ভিক্টোরিয়া তাকে ‘রয়েল রেডক্রস’ পদক প্রদান করেন।
- প্রথম নারী হিসেবে ‘অর্ডার অব মেরিট’ খেতাব লাভ করেন ১৯০৭ সালে।
- ১৯০৮ সালে লাভ করেন লন্ডন নগরীর ‘অনারারি ফ্রিডম’ উপাধি।

উৎস: Britannica.

১৭১) মিয়ানমারের নির্বাসিত সরকারের নাম -

এনএলডি সরকার

ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার

বার্মিজ গভর্নমেন্ট ইন এক্সাইল

অং সান সু চি সরকার

ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার

ব্যাখ্যা:
ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট (NUG):
- এনইউজি বা ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট হচ্ছে একটি বেসরকারি প্রশাসন।
- সেনা অভ্যুত্থানের বিরোধী অ্যাক্টিভিস্ট ও রাজনীতিবিদরা মিলে এটি গঠন করেছে।
- এনইউজি’র পক্ষে মিয়ানমারে জনসমর্থন রয়েছে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন এদেরকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রতিনিধিত্বমূলক কার্যালয় রয়েছে এদের।
- ইউনাইটেড ইন্সটিটিউট অব পিস এর তথ্য অনুযায়ী, কারেন, কাচিন, কারেন্নি ও শিন-এরা গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রশাসন ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট-এনইউজি এর সাথে সম্পৃক্ত।

উল্লেখ্য,
- ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট হচ্ছে মিয়ানমারের এক ধরনের ‘নির্বাসিত সরকার’।
- অর্থাৎ বিভিন্ন জাতিগত গোষ্ঠীর সমন্বয়ে এমন একটি সরকার গঠন করা হয়েছে যারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় না থাকলেও জান্তা সরকারের বিরোধীপক্ষ হিসেবে কাজ করছে।
- পূর্বে আগে নির্বাচিত সরকারের কিছু সংসদ সদস্য ও আইনপ্রণেতা মিলে ২০২১ সালে সেনা অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে তারা এই সরকার গঠন করে।

এছাড়াও,
- কোকাং এমএনডিএএ- মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি, তাং টিএনএলএ- তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি এবং আরাকান আর্মি - তিন বিদ্রোহী গোষ্ঠী মিলে একটি জোট গঠন করেছে যাকে বলা হয় থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স।
- এটি ৩বিএইচএ নামেও পরিচিত।
- এই তিনটি সশস্ত্র গোষ্ঠী ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট-এনইউজি-কে সমর্থন দিচ্ছে।

উৎস: BBC.

১৭২) কোন রাষ্ট্রটি বিরােধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরের জলসীমার দাবিদার নয়?

মালয়েশিয়া

ফিলিপাইন

ভিয়েতনাম

কম্বােডিয়া

কম্বােডিয়া

ব্যাখ্যা:
দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে বিরোধ: 
- চীন, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই- এদের দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ চীন সাগর একটি প্রধান সমুদ্র পথ।
- জাতিসংঘের বাণিজ্য এবং উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা আংকটাডের অনুমান, বিশ্বের মোট বাণিজ্যের প্রায় ২১ শতাংশ ২০১৬ সালে এই সমুদ্র পথে পরিবহন করা হয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৩.৩৭ ট্রিলিয়ন ডলার।
- এছাড়া এখানে মৎস্য সম্পদও আছে প্রচুর।
- পুরো অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ এই সাগরে মাছ ধরে জীবন চালায়।
- বিশ্বের প্রায় অর্ধেক মাছ ধরা জাহাজ ও নৌকা চলে এখানে।

⇒ চীন যে ধরণের ব্যাপক দাবি শুরু করেছে, যার মধ্যে বিভিন্ন দ্বীপপুঞ্জ এবং সংলগ্ন জলসীমাও রয়েছে, তা ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, তাইওয়ান, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেইকে ক্ষুব্ধ করেছে।
- এসব দেশও এখন দক্ষিণ চীন সাগরে সীমানা নিয়ে পাল্টা দাবি করছে।
- অন্যান্য দেশও সাগরের মাঝখানে প্যারাসেল এবং স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ এবং সাগরের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর তাদের অধিকার দাবি করছে।

⇒ দক্ষিণ চীন সাগরের সবচেয়ে বড় অংশটি দাবি করে চীন।
- তথাকথিত নাইন-ড্যাশ লাইনের মাধ্যমে চীন তাদের এই সীমানা চিহ্নিত করে রেখেছে।
- মোট নয়টি ড্যাশ চিহ্ন দিয়ে এই নাইন-ড্যাশ লাইনটি তৈরি।
- এটি চীনের সবচেয়ে দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ হাইনান থেকে শত শত মাইল দক্ষিণ এবং পূর্বদিক পর্যন্ত বিস্তৃত।

অন্যদিকে,
- কম্বােডিয়া বিরােধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরের জলসীমার দাবিদার নয়।

উৎস: BBC.

১৭৩) নাথু লা পাস কোন দুটি দেশকে সংযুক্ত করেছে?

ভারত-নেপাল

ভারত-পাকিস্তান

ভারত-চীন

ভারত-ভুটান

ভারত-চীন

ব্যাখ্যা:
নাথু লা পাস:
- নাথু লা পাস ভারত ও চীনের সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি চীন ও ভারতের সীমান্তে অবস্থিত একটি গিরিপথ।
- মূলত এটি তিব্বত ও সিকিম সীমান্তে অবস্থিত।

⇒ এটি চীনের পুরাতণ সিল্ক রোডের একটি অংশ।
- এটি সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৪,৪৫০ ফুট উপরে অবস্থিত।
- বর্তমানে চীন-ভারতের বাণিজ্যের অন্যতম রুট হিসাবে এই গিরিপথটি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: সিকিমের সরকারি ওয়েবসাইট।

১৭৪) বাংলাদেশ কোনটির সদস্য নয়?

BCIM-EC

OAS

OIC

BIMSTEC

OAS

ব্যাখ্যা:
BIMSTEC:
- BIMSTEC-এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co- Operation.
- এটি বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক জোট।
- এর পূর্বনাম ছিল BISTEC (Bangladesh, India, Sri Lanka, Thailand Economic Cooperation)।
- পরবর্তীতে মায়ানমার যোগদান করলে M যুক্ত হয়ে BIMSTEC হয় এবং নেপাল ও ভুটান যোগদানের পর বর্তমান নাম ধারণ করে।
- বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য।

OIC:
- OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation.
- এটি একটি ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৪ সালে।

BCIM-EC:
- Bangladesh, China, India and Myanmar Economic Corridor (BCIM) যা চীনের Belt and Road Initiative এর অংশ।
- BCIM হলো একটি অর্থনৈতিক করিডর।
- এটি ভারত, চীন, বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে প্রস্তাবিত একটি অর্থনৈতিক করিডোর।

অন্যদিকে,
- OAS: The Organization of American States যা উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর গঠিত সংস্থা।
- ১৯৪৮ সালে কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোটাতে Charter of the OAS স্বাক্ষরিত হয়।
- বাংলাদেশ OAS-এর সদস্য নয়।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১৭৫) চীনের জিনজিয়াং (Xinjiang) প্রদেশের মুসলিম গােষ্ঠীর নাম-

তুর্কমেন

উইঘুর

তাজিক

কাজাখ

উইঘুর

ব্যাখ্যা:
উইঘুর:
- চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে বসবাসকারী তুর্কি বংশোদ্ভুত মুসলিম সম্প্রদায়।

এছাড়াও,
- কুর্দি জাতি পশ্চিম এশিয়ার কুর্দিস্তানের পার্বত্য অঞ্চলের স্থানীয় একটি ইরানি জাতিগোষ্ঠী, যারা দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্ক, উত্তর-পশ্চিম ইরান, উত্তর ইরাক এবং উত্তর সিরিয়ায় বাস করে।
- মাউরি: নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী।
- কারেন: স্বাধীনতাকামী মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী উপজাতি।
- গুর্খা: নেপালের যোদ্ধা জাতি।
- টোডা: বহুস্বামী বিবাহ ভিত্তিক পরিবার দক্ষিণ ভারতীয় এই উপজাতিদের।
- পশতুন: আফগানিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতিগোষ্ঠী।
- এক্সিমো: সাইবেরিয়া রাশিয়া অঞ্চলে বসবাস (কুকুর চালিত স্লেজ গাড়ি ব্যবহার করে)।
- পিগমি: পৃথিবীর সবচেয়ে খর্বকার উপজাতি।
- জুলু: দক্ষিণ আফ্রিকার নিগ্রো জাতি।
- রেড ইন্ডিয়ান: আমেরিকার আদিবাসী।
- আফ্রিদি: বর্তমান পাকিস্তানের এক পশতুন নৃগোষ্ঠী, যাদের কিছু অংশ আফগানিস্তানেও বসবাস করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com.

১৭৬) জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য কয়টি?

১১

১৫

১৭

২১

১৭

ব্যাখ্যা:
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টস গোল (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজি-এর মূলনীতি: Leaving no one behind.
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে লক্ষ্যস্থির করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।
- বাস্তবায়ন শুরু: ১ জানুয়ারি, ২০১৬ সাল।
- মেয়াদ শেষ: ৩১ ডিসেম্বর, ২০৩০ সাল।

⇔ এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷।

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।

১৭৭) বিশ্ব মানবাধিকার দিবস-

৮ ডিসেম্বর

১০ ডিসেম্বর

১১ ডিসেম্বর

১৩ ডিসেম্বর

১০ ডিসেম্বর

ব্যাখ্যা:
বিশ্ব মানবাধিকার দিবস:
- ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন গঠিত হয়।
- কমিশন ‘মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা' এর খসড়া প্রস্তুতের জন্য একটি কমিটি গঠন করে।
- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র (Universal Declaration of Human Rights) গৃহীত ও ঘোষিত হয়।
- এ ঘোষণার মাধ্যমে স্বীকৃত হয় মানবাধিকার সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য।
- জন্মস্থান, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, বিশ্বাস, অর্থনৈতিক অবস্থা কিংবা শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্বিশেষে মানবাধিকার সর্বজনীন ও সবার জন্য সমান।
- প্রতিটি মানুষ জন্মগতভাবেই এসব অধিকার লাভ করে।
- ঘোষণাপত্রের ৩০টি অনুচ্ছেদে প্রতিটি ব্যক্তির অধিকার ও রাষ্ট্রের দায়-দায়িত্বের বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- তাই প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বরকে বিশ্বব্যাপী 'আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৭৮) আকাবা একটি-

সমুদ্র বন্দর

বিমান বন্দর

স্থল বন্দর

নদী বন্দর

সমুদ্র বন্দর

ব্যাখ্যা:
আকাবা:
- জর্ডানের সমুদ্র বন্দর হলো আকাবা।
- আকাবা বন্দর কন্টেইনার পরিবনের জন্য লাল সাগরের দ্বিতীয় ব্যস্ততম বন্দর।
- এটি জর্ডানের বাজারের প্রাথমিক প্রবেশ দ্বার।
- এই অঞ্চলের দেশগুলির মধ্যে চলমান পণ্য সরবরাহের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পয়েন্ট।

উৎস: Britannica.

১৭৯) Trafalgar Square-এর অবস্থান-

রাশিয়ায়

ইংল্যান্ডে

ফ্রান্সে

চীনে

ইংল্যান্ডে

ব্যাখ্যা:
ট্রাফালগার স্কয়ার:
- ট্রাফালগার স্কয়ার যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত।
- এটি একটি সাধারণ জনগণের মিলনস্থল।
- এটি একটি ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। 
- ১৮০৫ সালে ইংল্যান্ড ফ্রান্স ও স্পেনের সম্মিলিত বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে জয়লাভ করে।
- ট্রাফালগারের যুদ্ধ জয়কে স্মরণীয় করে রাখতে লন্ডনের কেন্দ্রস্থল একটি চত্ত্বরের নামকরণ করা হয় ট্রাফালগার স্কয়ার।

⇒ স্কয়ারটির কেন্দ্রে নেলসন কলাম (Nelson's Column) দাঁড়িয়ে আছে, যা হলেন ব্রিটিশ নেভির নায়ক আডমিরাল হোরেশিও নেলসনের স্মৃতিচিহ্ন।
- স্কয়ারটিতে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে, যেমন ন্যাশনাল গ্যালারি, যা পৃথিবীজুড়ে অনেক বিখ্যাত চিত্রকর্মের সংগ্রহস্থান।
- এছাড়াও, এখানে বিভিন্ন সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: Britannica.

১৮০) মায়া সভ্যতাটি আবিষ্কৃত হয়-

উত্তর আমেরিকায়

দক্ষিণ আমেরিকায়

মধ্য আফ্রিকায়

মধ্য আমেরিকায়

মধ্য আমেরিকায়

ব্যাখ্যা:
মায়া সভ্যতা:
- মায়া সভ্যতাকে বলা হয় রহস্যময় সভ্যতা।
- মায়া সভ্যতার অবস্থান ছিল মধ্য আমেরিকায়।
- মেক্সিকো, বেলিজ, গুয়াতেমালা, এল সালভাদর ও হন্ডুরাসের রেইনফরেস্টের মধ্যে এটি অবস্থিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ সালের প্রথম দিকে মায়ারা গ্রামে বসতি স্থাপন করেছিল।
- প্রধান শহরগুলির মধ্যে ছিল টিকাল , উয়াক্সাক্টুন , কোপান , বোনাম্পাক , ডস পিলাস , ক্যালাকমুল , প্যালেনকে , এবং রিও বেক।
- শহরগুলোর ধ্বংসাবশেষ, জটিল হায়ারোগ্লিফিক লিপি আর চিরায়ত রহস্যের মধ্যে আটকা পড়েছে এ সভ্যতার গল্প।
- প্রায় ৬০০ বছর ধরে মায়ার লোকেরা ঐশ্বর্যময় সভ্যতা নিয়ে টিকে ছিল।

উল্লেখ্য,
- গুয়াতেমালার একটি পিরামিডের ধ্বংসাবশেষে মায়া সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া যায়।

উৎস: i) Britannica.
ii) আনন্দ বাজার পত্রিকা।

১৮১) কোন বনাঞ্চল প্রতিনিয়ত লবণাক্ত পানি দ্বারা প্লাবিত হয়?

পার্বত্য বন

শালবন

মধুপুর বন

ম্যানগ্রোভ বন

ম্যানগ্রোভ বন

ব্যাখ্যা:
ম্যানগ্রোভ:
- ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তির্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- এই বন সুন্দরবন নামে সমধিক পরিচিত।

⇒ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ম্যানগ্রোভ বন সৃষ্টি হয়েছে।
- সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবনের ৬২ শতাংশ খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায় এবং বাকী অংশ পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণা জেলায় অবস্থিত।
- এ বনাঞ্চলের আয়তন প্রায় ৬১১৭ বর্গমাইল যা বাংলাদেশের মোট আয়তনের শতকরা ৪.০৭ ভাগ।
- এ বনের গাছপালা লোনা পানি সহনশীল এবং বৃক্ষসমূহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম।
- সুন্দরবনের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৬৫১ থেকে ১৭৭৮ মি.মি.।
- এ বনের মাটিতে অতিরিক্ত লবণ ও পচা জৈব পদার্থ থাকায় অক্সিজেনের অভাব ঘটে বলে গাছপালা শ্বাসমূল তৈরী করে।
- বৃক্ষসমূহ চিরহরিৎ।
- ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ হলো: সুন্দরী, ধুন্দুল, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, গোলপাতা, হেন্তাল ইত্যাদি।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮২) বাংলাদেশের কোন দ্বীপটি প্রবাল দ্বীপ নামে খ্যাত?

নিঝুমদ্বীপ

সেন্ট মার্টিনস

হাতিয়া

কুতুবদিয়া

সেন্ট মার্টিনস

ব্যাখ্যা:
সেন্ট মার্টিন দ্বীপ:
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।
- বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন অসাধারণ জীববৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ।
- এর আয়তন আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার।
- ৬৭২ বর্গমাইলের এই দ্বীপ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ সীমানায় অবস্থিত এবং প্রবাল, ইন্দো-প্যাসিফিক হ্যাম্পব্যাক ডলফিন, বিপদাপন্ন তিমি হাঙরসহ বহুসংখ্যক সামুদ্রিক প্রাণীর গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল।

উল্লেখ্য,
- টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার।
- কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে, সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- প্রথম আলো রিপোর্টে বলা হয়েছে, দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে ৮ বর্গকিলোমিটার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৮৩) বাংলাদেশের কোথায় প্লাইস্টোসিন কালের সোপান দেখা যায়?

বান্দরবান

কুষ্টিয়া

কুমিল্লা

বরিশাল

কুমিল্লা

ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

⇒ প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮৪) নিম্নের কোন দেশটির সাথে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে?

চীন

পাকিস্তান

থাইল্যান্ড

মায়ানমার

মায়ানমার

ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা:
- বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩°৫) অতিক্রম করেছে।
- পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. এবং উত্তর-উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি.।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- তিনদিকের মূলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৮৫) বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা হয়?

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল

পশ্চিমাঞ্চল

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল

উত্তর-পূর্বাঞ্চল

উত্তর-পূর্বাঞ্চল

ব্যাখ্যা:
বন্যা (Flood):
- বন্যা বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সাধারণ অর্থে নদীর পানি যখন দু'কূল ছাপিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রাম, নগর, বন্দর, বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায় এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চলের ফসল বিনষ্ট করে তখন তাকে বন্যা বলে।
- প্রায় প্রতি বছর দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বন্যায় প্লাবিত হয়।
- ধরণ ও প্রকৃতি অনুযায়ী বন্যাকে চার ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা: মৌসুমী বন্যা, আকস্মিক বন্যা, উপকূলীয় বন্যা এবং নগর বন্যা।

⇒ আকস্মিক বন্যা:
- বর্ষা মৌসুম ব্যতীত অন্য যে কোনো মৌসুমী আকস্মিক বৃষ্টিপাত বা পাহাড়ি ঢলের ফলে যে বন্যার সৃষ্টি হয়, তাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তথা সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কিশোরগঞ্জ প্রভৃতি জেলায় আকস্মিক বন্যা হতে দেখা দেয়।
- বোরো মৌসুমে এ ধরনের বন্যা হলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) মে ১, ২০২৪, The Daily Star বাংলা।

১৮৬) বাংলাদেশের কোন জেলাটি কয়লা সমৃদ্ধ?

সিলেট

কুমিল্লা

রাজশাহী

দিনাজপুর

দিনাজপুর

ব্যাখ্যা:
কয়লা ক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র ৫টি।
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।
- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।

⇒ দেশের কয়লা খনিসমূহ হলো:
• বড়পুকুরিয়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৫।
• দীঘিপাড়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৯৫।
• ফুলবাড়ী: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৯।
• খালাসপীর: রংপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: বি.এইচ.পি মিনারেলস, ১৯৯৭।
• জামালগঞ্জ: আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জয়পুরহাট, জিএসবি, ১৯৬২।

উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।

১৮৭) সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে কোন দুর্যোগটির ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে?

ভূমিকম্প

ভূমিধস

টর্নেডাে

খরা

ভূমিকম্প

ব্যাখ্যা:
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

ভূমিকম্প:
- ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
- ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র (Centre বা Focus) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ -পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে,তাকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।
- ভূমিকম্প পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ ২০২০ সালে 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) প্রকাশিত রির্পোটে সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে।
- অঞ্চলগুলো হলো:
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল)।
২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ- পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)।
৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল: দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)।

এছাড়াও,
- সম্প্রতি বাংলাদেশে ভূমিকম্পের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
- ২০২০ সালে সিলেট অঞ্চলে বেশ কয়েকটি বড় আকারের ভূমিকম্প সংঘটি হয়।
- এই অঞ্চলটি ভূমিকম্পের উচ্চঝুঁকিতে রয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ-জাতীয়-বিল্ডিং-কোড-(BNBC Seismic Design সমীক্ষার রিপোর্ট) ওয়েবসাইট।
ii) পত্রিকা রিপোর্ট।

১৮৮) নিম্নের কোন দুর্যোগ 'hydro-meteorological' দুর্যোগ হিসেবে পরিচিত?

বন্যা

খরা

ঘূর্ণিঝড়

ভূমিধস

প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে

ব্যাখ্যা:
প্রশ্নের সবগুলো অপশনই 'hydro-meteorological' দুর্যোগ। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

Hydro-meteorological দুর্যোগ:
- ভূমিধস, নদীভাঙ্গন ও ঘূর্ণিঝড় জলজ আবহাওয়াজনিত (Hydro-meteorological) দুর্যোগ।

⇒ দুর্যোগ হলো একটি মারাত্মক পরিস্থিতি যা প্রকৃতি বা মানবসৃষ্ট আপদের ফলে দেখা দেয়।
- সাধারণ অর্থে দুর্যোগ বলতে আপদ বোঝায় কিন্তু সব আপদই দুর্যোগ নয়।
- আপদ ও বিপদাপন্নতা এ দুটো উপাদান একত্র হলেই তাকে দুর্যোগ পরিস্থিতি বলা হয়।
- এই পরিস্থিতি চলমান সমাজ জীবনকে গভীরভাবে ব্যাহত করে এবং মানুষ, সম্পদ ও পরিবেশের এত ক্ষতি সাধন করে যা মোকাবেলায় একটি সমাজকে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয় এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এত বেশি হয় তা শুধু নিজস্ব সম্পদ দিয়ে প্রায়ই পূরণ করা সম্ভব হয় না বরং বাইরের সাহায্যের প্রয়োজন হয়।
- ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও সৃষ্ট পরিস্থিতি দুর্যোগ কিনা তা নির্ধারণ একটি সমাজের সামর্থ্যের ওপর নির্ভর করে।

⇒ জলজ আবহাওয়াজনিত দুর্যোগ (Hydrometeorological Disasters) হলো এমন দুর্যোগ যা মূলত জলবায়ু বা আবহাওয়া সম্পর্কিত প্রাকৃতিক ঘটনার কারণে সৃষ্টি হয়।
- এই ধরনের দুর্যোগে সাধারণত জল এবং বায়ু সম্পর্কিত প্রাকৃতিক শক্তি কাজ করে।
- এই দুর্যোগগুলি মানুষ এবং পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে এবং এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটে।
- জলজ আবহাওয়াজনিত দুর্যোগের কিছু উদাহরণ হলো: বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিধস, ভারি বৃষ্টি, খরা, তুষারপাত।

উৎস: i) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) NIDM.

১৮৯) 'সােয়াচ অব নাে গ্রাউন্ড' কী?

একটি দেশের নাম

ম্যানগ্রোভ বন

একটি দ্বীপ

সাবমেরিন ক্যানিয়ন

সাবমেরিন ক্যানিয়ন

ব্যাখ্যা:
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground) খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।
- এগুলো যথাক্রমে হিমালয়ের দক্ষিণ ও উত্তর দিক থেকে আসছে।
- বর্তমান অবস্থায় স্বল্প পরিমাণের ঘোলাটে স্রোত আর বালি সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের মাধ্যমে মহীসোপান থেকে গভীর সমুদ্রে পলল পরিবহণের প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৯০) নিম্নের কোন উপজেলাটি সবচেয়ে নদীভাঙ্গন-প্রবণ?

বােয়ালমারী

নড়িয়া

আলমডাঙ্গা

নিকলি

নড়িয়া

ব্যাখ্যা:
নদীভাঙ্গন:
- যখন নদীর প্রবল স্রোতের আঘাতে তীরবর্তী অঞ্চলের জমি ভেঙ্গে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়, তখন তাকে নদীভাঙ্গন বলে।
- বাংলাদেশে নদীমাতৃক দেশ হওয়ায় নদ-নদীগুলো সর্বত্র জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে।
- নদীমাতৃক দেশ হওয়াতে এসব নদীতে ভাঙ্গন সমস্যা বহুদিনের।
- নদীভাঙ্গনের কারণে নদী তীরবর্তী পাকা ঘরবাড়ি, স্কুল- কলেজসহ বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

উল্লেখ্য,
⇒ শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলাটি বর্তমানে সবচেয়ে ভাঙ্গন প্রবণ উপজেলা।
- পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে যায় পদ্মাতীরবর্তী উপজেলাটি বসতবাড়ি, হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থাপনা।
- পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (সিইজিআইএস) হিসাবে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার প্রায় সোয়া ১৩ বর্গকিলোমিটার এলাকা নদীতে তলিয়ে গেছে।
- এর মধ্যে ২০১১-১২ থেকে ২০১৪-১৫ সময়কাল পর্যন্ত নড়িয়াতে প্রতিবছর গড়ে আধা বর্গকিলোমিটারের বেশি এলাকা ভাঙনের শিকার হয়।
- এরপর থেকে ভাঙন বাড়তে থাকে।
- ২০১৫-১৬ সময়কালে বিলীন হয়েছে ১ দশমিক ৩ বর্গকিলোমিটার এলাকা।
- ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ভেঙেছে প্রায় ২ বর্গকিলোমিটার।

অন্যদিকে,
- বোয়ালমারি ফরিদপুর জেলার একটি উপজেলা।
- আলমডাঙ্গা চুয়াডাঙ্গার একটি উপজেলা।
- নিকলি কিশোরগঞ্জের একটি উপজেলা।

উৎস: i) ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।

১৯১) নৈতিক মূল্যবােধের উৎস কোনটি?

সমাজ

নৈতিক চেতনা

রাষ্ট্র

ধর্ম

নৈতিক চেতনা

ব্যাখ্যা:
নৈতিক মূল্যবোধ (Moral Values):
- নীতি ও উচিত-অনুচিত বোধ হলো নৈতিক মূল্যবোধের উৎস।
- নৈতিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব মনোভাব এবং আচরণ যা মানুষ সবসময় ভালো, কল্যাণকর ও অপরিহার্য বিবেচনা করে মানসিকভাবে তৃপ্তিবোধ করে।
- সত্যকে সত্য বলা, মিথ্যাকে মিথ্যা বলা, অন্যায়কে অন্যায় বলা, অন্যায় কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখা এবং অন্যকে বিরত রাখতে পরামর্শ প্রদান করা, দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও বিপদ থেকে উদ্ধারে তাকে সাহায্য করা, অসহায় ও ঋণগ্রস্ত মানুষকে ঋণমুক্ত হতে সাহায্য করাকে নৈতিক মূল্যবোধ বলা যেতে পারে।
- শিশু তার পরিবারেই সর্বপ্রথম নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা পায়।

⇒ অর্থাৎ, নৈতিক মূল্যবােধের উৎস নৈতিক চেতনা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৯২) 'On Liberty' গ্রন্থের লেখক কে?

ইমানুয়েল কান্ট

টমাস হবস্

জন স্টুয়ার্ট মিল

জেরেমি বেন্থাম

জন স্টুয়ার্ট মিল

ব্যাখ্যা:
জন স্টুয়ার্ট মিল:
- জন স্টুয়ার্ট মিল একজন ইংরেজ দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ এবং উপযোগবাদের প্রবক্তা।

⇒ তার রচিত গ্রন্থসমূহ:
- A System of Logic,
- Autobiography,
- Considerations on Representative Government,
- Essays on Some Unsettled Questions of Political Economy,
- Examination of Sir William Hamilton’s Philosophy,
- On Liberty,
- Principles of Political Economy,
- The Subjection of Women,
- Utilitarianism.

উল্লেখ্য,
- জন স্টুয়ার্ট মিল (John Stuart Mill) তার বিখ্যাত 'Eassay on Liberty' গ্রন্থে বলেন, 'মানুষের মৌলিক শক্তির বলিষ্ঠ, অব্যাহত ও বিভিন্নমুখী প্রকাশই স্বাধীনতা।'

উৎস: Britannica.

১৯৩) উৎপত্তিগত অর্থে governance শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?

ল্যাটিন

গ্রিক

হিব্রু

ফারসি

গ্রিক

ব্যাখ্যা:
Governance:
- Governance শব্দটি গ্রিক ভাষা থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এর অর্থ শাসন বা পরিচালনা প্রক্রিয়া/নিয়ন্ত্রণ।
- মূল উৎপত্তি গ্রিক শব্দ 'kubernan' থেকে।

উল্লেখ্য,
- উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র বইয়ে শব্দটি ল্যাটিন ভাষা থেকে উৎপন্ন বলা হয়েছে, যা ভুল।  ল্যাটিন ভাষায় গ্রীক ভাষা থেকে এসেছে।

⇒ Good Governance:
- সুশাসনের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল 'Good Governance'।
- Good Governance শব্দটির অর্থ কার্যকর শাসন।
- ইংরেজি Good Governance শব্দের বাংলা অর্থ সুশাসন। 
- সুশাসনকে স্পষ্টভাবে বুঝতে হলে শাসন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।
- Governance হল একটি বহুমাত্রিক ধারণা যা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ, ক্ষেত্র এবং প্রেক্ষাপট থেকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
- সাধারণত Governance বা শাসন এমন একটি পদ্ধতিকে বোঝায়, যেখানে একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো সংস্থা, সমাজ বা রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নীতি নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।
- সরকারের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, দায়িত্বশীলতা এবং জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে জনগণের কল্যাণ শাসনকার্য পরিচালনাই হচ্ছে সুশাসন।
- সুশাসন সেই শাসনব্যবস্থা যেখানে জনগণের তথা রাষ্ট্রের সার্বিক কল্যাণ সাধিত হয়।

উৎস: i) ICSI.
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৯৪) ‘কর্তব্যের জন্য কর্তব্য’-ধারণাটির প্রবর্তক কে?

ইমানুয়েল কান্ট

হার্বার্ট স্পেন্সার

বার্ট্রান্ড রাসেল

অ্যারিস্টটল

ইমানুয়েল কান্ট

ব্যাখ্যা:
ইমানুয়েল কান্ট:
- ইমানুয়েল কান্টকে 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতার' প্রবর্তক বলা হয়।
- ইমানুয়েল কান্ট একজন জার্মান নীতিবিজ্ঞানী।
- তাঁর নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি যথা: সৎ ইচ্ছা, কর্তব্যের জন্য কর্তব্য এবং শর্তহীন আদেশ।
- 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতা' বা 'কর্তব্যের নৈতিকতার' দর্শন যে কোনো কর্মের ফল বা পরিণতির বদলে কর্মের ধরনকে গুরুত্ব দেয়।
- 'কর্তব্যের জন্য কর্তব্য'-ধারণাটির প্রবর্তক ইমানুয়েল কান্ট।
- 'সততার জন্য সদিচ্ছা'র কথা বলেছেন ইমানুয়েল কান্ট।

⇒ নীতিশাস্ত্রের উপর তাঁর রচিত বই:
- Groundwork for Metaphysics of Morals.
- Critique of Pure Reason.
- Critique of Practical Reason.
- Critique of Judgement.

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

১৯৫) 'Human Society in Ethics and Politics' গ্রন্থের লেখক কে?

প্লেটো

রুসাে

বার্ট্রান্ড রাসেল

জন স্টুয়ার্ট মিল

বার্ট্রান্ড রাসেল

ব্যাখ্যা:
বার্ট্রান্ড রাসেল:
- রাসেল ছিলেন একজন ব্রিটিশ দার্শনিক, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ, ইতিহাসবেত্তা, সমাজকর্মী, অহিংসাবাদী, এবং সমাজ সমালোচক।
- তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত যুদ্ধবিরোধী ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ব্যক্তিত্ব।
- ১৯৫০ সালে রাসেল সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন, যা ছিল তার 'মানবতার আদর্শ ও চিন্তার মুক্তি'কে ওপরে তুলে ধরা তার বহুবিধ গুরুত্বপূর্ণ রচনার স্বীকৃতিস্বরূপ।

উল্লেখ্য,
- বিখ্যাত দার্শনিক বাট্রান্ড রাসেলের মতে সচেতনভাবে বা অচেতনভাবেই হোক মানুষের মনে এমন কিছু প্রশ্ন জাগে যাদের কোন যুক্তি সঙ্গত উত্তর ধর্মতত্ত্বে যেমন পাওয়া যায় না, তেমনি আবার বিজ্ঞান এদের নিয়ে আদৌ মাথা ঘামায় না।
- ধর্মতত্ত্ব ও বিজ্ঞানের মধ্যবর্তী এই যে অনধিকৃত একটি রাজ্য তাতেই দর্শন বিচরণ করে চলেছে।
- আর এ কারণেই রাসেল দর্শনকে বিজ্ঞান ও ধর্মতত্ত্বের মধ্যবর্তী অনধিকৃত রাজ্য (No Man's Land) বলে অভিহিত করেছেন।

⇒ বার্ট্রান্ড রাসেল রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো -
- The Elements of Ethics,
- Human Society in Ethics and Politics,
- Moral and others,
- Power: A New Social Analysis,
- Political Ideals,
- Introduction to Mathematical Philosophy etc.

উৎস: i) শিক্ষার দার্শনিক ও মনোবৈজ্ঞানিক ভিত্তি, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

১৯৬) ‘শাসক যদি মহৎগুণসম্পন্ন হয় তাহলে আইন নিষ্প্রয়ােজন, আর শাসক যদি মহৎগুণসম্পন্ন না হয় তাহলে আইন অকার্যকর’-এটি কে বলেছেন?

সক্রেটিস

প্লেটো

অ্যারিস্টটল

বেনথাম

প্লেটো

ব্যাখ্যা:
আইন ও নীতিশাস্ত্র:
- মানুষের আচার-আচরণের, ভাল-মন্দের আলোচনাই হল নীতিশাস্ত্র।
- সর্বজন স্বীকৃত নৈতিক আদর্শই রাষ্ট্রীয় সংগঠনের আইনে পরিণত হয়।
- দেশের প্রচলিত আইন নৈতিকতা বিরোধী হলে তা অকেজো হয়ে যায়।
- কেননা কোনো রাষ্ট্রীয় আইন জনগণের নৈতিক মানদণ্ডের বিরোধী হলে তার বিরুদ্ধে গণআন্দোলনের আশঙ্কা থাকে।

⇒ প্লেটো তাঁর ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থে বলেছেন, “শাসক যদি ন্যায়বান হন তাহলে আইন নিস্প্রয়োজন, আর শাসক যদি দুর্নীতিপরায়ণ হন তাহলে আইন নিরর্থক।”

উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯৭) সুশাসনের মূল ভিত্তি কী?

মূল্যবােধ

আইনের শাসন

গণতন্ত্র

আমলাতন্ত্র

আইনের শাসন

ব্যাখ্যা:
সুশাসন:
- এর অর্থ যথার্থরূপে শাসন বা ভালোভাবে শাসন।
- সুশাসন একটি সামাজিক ধারণা।
- সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো আইনের শাসন।
- আইনের শাসন না থাকলে কখনো সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।
- সুশাসন নিশ্চিতের জন্যে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অত্যাবশ্যক।

⇒ আইনের শাসন:
- আইনের শাসনের অর্থ হচ্ছে আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমতা অর্থাৎ আইন সকল নাগরিকের জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হবে।
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সমাজ থেকে অন্যায়, বিশৃঙ্খলা, নৈরাজ্য দূর হয়।
- ফলে সমাজে স্থিলিশীলতা আসে এবং শান্তির বিরাজ করে।
- নাগরিক হিসেবে প্রাপ্য অধিকার কেবল আইনের শাসনের মাধ্যমে বলবৎ করা যায়।
- আইনের শাসন না থাকলে সবল-দুর্বল, ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান প্রকট হতে থাকে।
- সমাজ থেকে মায়া, মমতা, সহমর্মিতা, ন্যায়-বিচার, নীতি-আদর্শ হ্রাস পায়।
- অতএব সভ্য সমাজের মানদন্ড হলো আইনের শাসন।

উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৯৮) কোন নৈতিক মানদণ্ডটি সর্বোচ্চ সুখের উপর গুরুত্ব প্রদান করে?

আত্মস্বার্থবাদ

পরার্থবাদ

পূর্ণতাবাদ

উপযােগবাদ

উপযােগবাদ

ব্যাখ্যা:
উপযোগবাদ:
- সুখকে নৈতিকতার মান হিসেবে যে মতবাদ গ্রহণ করে তাকেই সুখবাদ বলে। 
- সুখবাদী নিজেদেরকে উপযোগবাদী বলে পরিচয় দিতে ভালবাসতেন।
- এর কারণ হচ্ছে তাঁরা বিশ্বাস করতেন যে, একটি কাজের নৈতিক মূল্য নির্ভর করে সর্বোচ্চ সংখ্যক লোকের সর্বোচ্চ আনন্দ নিশ্চিত করার ব্যাপারে তার উপযোগিতা দিয়ে।
- জন স্টুয়ার্ট মিলের ভাষায় উপযোগবাদ হচ্ছে "একটি বিশ্বাস যা নৈতিকতার ভিত্তি হিসেবে উপযোগিতা বা সর্বোচ্চ আনন্দের নীতিকে গ্রহণ করে এই মনে করে যে কার্যাবলী যথার্থ হয় আনন্দকে উৎসাহিত করার ব্যাপারে তাদের প্রবণতার অনুপাতে"।
- উপযোগবাদের মতে আমাদের কাজের নৈতিক মূল্য নির্ভর করে সর্বোচ্চ সংখ্যক লোকের সর্বোচ্চ আনন্দ নিশ্চিত করার ব্যাপারে।

⇒ উপযোগবাদের প্রথম প্রবক্তা হিসেবে বেনথামের আলোচনা অনেকটা স্কুল সুখবাদের ইঙ্গিত দেয়।
- তিনি যখন সর্বাধিক লোকের জন্য সর্বোচ্চ সুখের কথা বলেন তখন এ সুখ তিনি নির্দেশ পরিমাণ দ্বারা।
- অর্থাৎ দুটো কাজের মধ্যে যে কাজ আমাদেরকে সর্বোচ্চ পরিমাণের সুখ।

⇒ উপযোগবাদ একটি দার্শনিক মতবাদ যার মূল বক্তব্য হলো সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষের জন্যে সর্বোচ্চ পরিমাণ সুখ।
- এই মতবাদ অনুসারে নৈতিকতার ভিত্তি হলো সুখ।
- সুখের মাধ্যমেই ন্যায় ও অন্যায়ের পার্থক্য নিরূপিত হয়।
- উপযোগবাদ সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন হাচিসন।
- তবে উপযোগবাদের প্রকৃত প্রবক্তা হলেন জেরেমি বেন্থাম এবং জে এস মিল।

উৎস: i) নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

১৯৯) বাংলাদেশে কত সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করা হয়?

২০১০

২০১১

২০১২

২০১৩

২০১২

ব্যাখ্যা:
জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল:
- জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল হলো দুর্নীতি ঠেকাতে নাগরিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, এবং সততা নিশ্চিত করণে সরকার প্রণীত একটি সুশাসন কৌশল।
- স্লোগান: সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়।
- দুর্নীতি দমন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করেছে।
- এতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় ও অরাষ্ট্রীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অংশীদারদের ভূমিকা সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।
- এই কৌশলে শুদ্ধাচার বলতে নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষতাকে নির্দেশ করা হয়েছে।
- গ্রহণকারী: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

⇒ শুদ্ধাচার:
- শুদ্ধাচারের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠার সমস্যা দূর করা যায়।
- শুদ্ধাচার বলতে সাধারণভাবে নৈতিকতা ও সততার দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষতাকে বোঝায়।
- ব্যক্তি পর্যায়ে শুদ্ধাচারের অর্থ হলো কর্তব্যনিষ্ঠা ও সততা তথা চরিত্রনিষ্ঠা।
- রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি হলো নাগরিক।
- নাগরিকগণ রাষ্ট্রের সকল কাজের অংশীদার।
- তাই সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে নাগরিকদের শুদ্ধাচারের চর্চা করতে হবে।
- শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠা পেলে দুর্নীতি হ্রাস, জনগণ অন্যায় কর্ম থেকে বিরত থাকবে এবং সামাজিক ও রাষ্ট্রিক অনাচার দূর হবে।

উৎস: i) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) তথ্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

২০০) বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনের উপাদান কয়টি?

৩টি

৫টি

৪টি

৬টি

৬টি

ব্যাখ্যা:
বিশ্বব্যাংক ও সুশাসন:
- 'সুশাসন' ধারণাটি বিশ্ব ব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
- ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে বিশ্ব ব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম ‘সুশাসন' (Good Governance) প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়াও একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সে রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৯৪ সালে বিশ্ব ব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে, ‘সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।'
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে যে, সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল।
- বিশ্বব্যাংকের এর মতে, সুশাসনের মূল উপাদান ৬টি।

এছাড়াও,
⇒ সুশাসনের উপাদান:
- Asian Development Bank (এডিবি) এর মতে, সুশাসনের মূল উপাদান ৪টি।
- ইউএনডিপি এর মতে, সুশাসনের মূল উপাদান ৯টি।
- জাতিসংঘের মতে, সুশাসনের মূল উপাদান ৮টি।
- জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন বা UNHCR এর মতে, সুশাসনের মূল উপাদান ৫টি।
- আফ্রিকান উন্নয়ন ব্যাংক বা AFDB এর মতে, সুশাসনের মূল উপাদান ৫টি।
- আইডিএ (International Development Agency) এর মতে, সুশাসনের মূল উপাদান ৪টি।
- প্রাচীন অর্থশাস্ত্রবিদ কৌটিল্য এর মতে, সুশাসনের মূল উপাদান ৪টি।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।

You may like these posts

Post a Comment