NTRCA 18 Collage

Shariful Islam Zinna
Shariful Islam Zinna

১) বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন কোনটি?

চর্যাপদ

শ্রীকৃষ্ণ কীর্তন কাব্য

বঙ্গবাণী

অন্নদামঙ্গল কাব্য

চর্যাপদ

ব্যাখ্যা:
• চর্যাপদ:
• চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন।
• এটি মূলত গানের সংকলন। 
• ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন।
• চর্যাপদ রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। সহজিয়াগণ হচেছ বৌদ্ধ সহজযান পন্থি।
• চর্যাপদের পদ সংখ্যা নিয়ে মতবিরোধ আছে। সুকুমার সেনের হিসাবে ৫১টি পদ এবং মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বলেছেন ৫০টি পদ। চর্যাপদ ছিন্নবস্থায় পাওয়া যাওয়ায় এই মতান্তরের সৃষ্টি।
• চর্যাপদের কবির সংখ্যা ২৩ মতান্ত্বরে ২৪ জন। 
• চর্যাপদের পদগুলো প্রাচীন কোন ছন্দে রচিত তা আজ বলা সম্ভবপর নয়। তবে আধুনিক ছন্দের বিচারে এগুলো মাত্রাবৃত্ত ছন্দের অধীনে বিবেচ্য। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২) মধ্যযুগের শেষ কবি কে?

আব্দুল হাকিম

বড়ু চণ্ডীদাস

আলাওল

ভারত চন্দ্র রায় গুণাকর

ভারত চন্দ্র রায় গুণাকর

ব্যাখ্যা:
• ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর:
- অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- তিনি মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি।
- তিনি নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন।
- রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে তিনি অন্নদামঙ্গলকাব্য রচনা করেন।
- রাজা কৃষ্ণচন্দ্র ভারতচন্দ্রকে 'রায়গুণাকর' উপাধি দেন।
-  ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে মধ্যযুগের 'শেষ বড় কবি' বলা হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৩) যুগসন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে পরিচতি কে?

বিহারীলাল চক্রবর্তী

ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত

ভারত চন্দ্র রায় গুণাকর

আলাওল

ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্ত

ব্যাখ্যা:
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত (১৮১২-১৮৫৯): কবি, সাংবাদিক। 'ভ্রমণকারী বন্ধু' ছিল তাঁর ছদ্মনাম।
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধির (মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী) কবি হিসেবে পরিচিত। কারণ তিনি সমকালের সামাজিক ও ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে কবিতা রচনা করলেও তাঁর ভাষা, ছন্দ ও অলঙ্কার ছিলো মধ্যযুগীয়। ব্যঙ্গ-বিদ্রূপই ছিল তাঁর রচনার বিশেষত্ব।
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা ‘সংবাদ প্রভাকর’ সম্পাদনা করেন। তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন। এবং ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
• তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো কবিয়ালদের লুপ্তপ্রায় জীবনী উদ্ধার করে প্রকাশ করা।
• ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া; লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

৪) চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের প্রবর্তক কে?

মাইকেল মধুসূদন দত্ত

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

অমিয় চক্রবর্তী

বিষ্ণু দে

মাইকেল মধুসূদন দত্ত

ব্যাখ্যা:
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার। তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জম্ম গ্রহণ করেন।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা ভাষার সনেট প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। 
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন ‘পদ্মাবতী’ নাটকে। (দ্বিতীয় অঙ্ক দ্বিতীয় গর্ভাঙ্কে)
- অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ - তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য। অর্থ্যাৎ, এই কাব্যটি সম্পূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ দ্য ক্যাপটিভ লেডি। এটি ইংরেজিতে রচিত।

তাঁর রচিত কাব্যগুলো হলো:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য, 
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য,
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

 উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

৫) কোনটি সঠিক বানান?

নিশিথিনী

নীশিথিনী

নিশীথিনী

নিশিথিনি

নিশীথিনী

ব্যাখ্যা:
• নিশীথিনী (বিশেষ্য),
- এটি সংস্কৃত শব্দ। 
- প্রকৃতি প্রত্যয় = (নিশীথ + ইন্‌ + ঈ),
অর্থ: 
- গভীর রাত;
- রজনি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৬) 'রিক্সা' কোন ভাষার শব্দ?

তুর্কি

কোরিয়ান

জাপানি

পর্তুগিজ

জাপানি

ব্যাখ্যা:
- ‘রিক্সা’ শব্দটি 'জাপানি' ভাষা থেকে আগত। 

• রিকশা/ রিক্সা (বিশেষ্য):
- জাপানি ভাষা থেকে আগত শব্দ 
অর্থ: মানুষ্যবাহিত দুই বা তিন চাকার সড়কযান।

• আরোকিছু জাপানি শব্দ হলো- সুনামি, ক্যারাটে, হাসনাহেনা, জুতো, রিক্সা, প্যাগোডা ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৭) 'ভানুসিংহ' কার ছদ্ম নাম?

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কাজী নজরুল ইসলাম

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

বলাই চাঁদ মুখোপাধ্যায়

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ব্যাখ্যা:
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: 
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর বেণীমাধব রায়চৌধুরীর মেয়ে মৃণালিনী দেবী রায়চৌধুরীকে বিয়ে করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- তিনি ১৯১৫ সালে ইংরেজ প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি পান এবং ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের কারণে ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দেন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মোট নয়টি ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। এগুলো হলো-
- ভানুসিংহ ঠাকুর,
- অকপটচন্দ্র ভাস্কর,
- আন্নাকালী পাকড়াশী,
- দিকশূন্য ভট্টাচার্য,
- নবীনকিশোর শর্মণঃ,
- ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মাঃ,
- বাণীবিনোদ বিদ্যাবিনোদ,
- শ্রীমতি মধ্যমা ও
- শ্রীমতি কনিষ্ঠা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

৮) কত সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'জুলিও কুরি' পদকে ভূষিত করা হয়?

১৯৬৮

১৯৭১

১৯৭২

১৯৭৩

১৯৭৩

ব্যাখ্যা:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' কর্তৃক 'জুলিও কুরি' শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে ১৯৫০ সালে প্রবর্তিত জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়। 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালের ২৩ মে বিশ্ব শান্তি পরিষদ কর্তৃক ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদকে ভূষিত হন।

উৎস:
১. বাংলা ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [Link]
২. জাতীয় তথ্য বাতায়ন [Link]
৩. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট [Link]
৪. ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট [Link]
৫. সময় নিউজের রিপোর্টে [Link]
৬. কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।

৯) 'সঞ্চয়িতা' কার রচনা?

মাইকেল মধুসূদন দত্ত

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

কাজী নজরুল ইসলাম

জসীম উদ্দীন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ব্যাখ্যা:
• সঞ্চয়িতা:
- ‘সঞ্চয়িতা’ (১৯৩১) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নিজ কবিতার সংকলন।
- ‘সঞ্চয়িতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় সংকলিত গ্রন্থ।
- কবিতাগুলি কালানুক্রমিকভাবে সজ্জিত। ‘সান্ধ্যসঙ্গীত’ কাব্যগ্রন্থ থেকে কবিতাগুলি এতে সংকলিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
• সঞ্চিতা:
- কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা সংকলন - ‘সঞ্চিতা'।
- এতে ৭৮টি কবিতা ও গান সংকলিত হয়েছে।
- ‘সঞ্চিতা' কবিতা সংকলনটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে কাজী নজরুল ইসলাম উৎসর্গ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১০) কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?

মাসিক মোহাম্মদি

সাপ্তাহিক বিজলী

দৈনিক নবযুগ

ধূমকেতু

সাপ্তাহিক বিজলী

ব্যাখ্যা:

- কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম - 'সাপ্তাহিক বিজলী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।  

• 'বিদ্রোহী' কবিতা:
- বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা।
- ‘বিদ্রোহী' কবিতার রচনাকাল: ১৯২১ সাল;  প্রকাশিত হয় ⎯ ২২ পৌষ, ১৩২৮ (১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি) সাপ্তাহিক ‘বিজলী’ পত্রিকায়।
- নজরুল দ্রোহ-ভাবাপন্ন আরোও কবিতা লিখলেও শুধু এক 'বিদ্রোহী' কবিতার জন্যই তিনি বাঙালির চিরকালের বিদ্রোহী কবি।
- এর মূলে রয়েছে - বিদ্রোহ ও বিপ্লবের আবেগ।

- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'।
- এই কাব্যগ্রন্থটি তিনি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেন।
- এতে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে।

• 'অগ্নিবীণা' কাব্যের কবিতা গুলো হলো:
- প্রলয়োল্লাস (প্রথম কবিতা), 
- বিদ্রোহী,
- রক্তাম্বরধারিণী মা,
- আগমনী,
- ধুমকেতু,
- কামালপাশা,
- আনোয়ার,
- রণভেরী,
- শাত-ইল-আরব,
- খেয়াপারের তরণী,
- কোরবানী এবং
- মোহররম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বিদ্রোহী কবিতা, বাংলাপিডিয়া।

১১) 'পাবক' এর সমার্থক শব্দ কোনটি?

অগ্নি

নয়ন

পুত্র

অধিপতি

অগ্নি

ব্যাখ্যা:
• অগ্নি/আগুন' এর সামর্থক শব্দ:
অনল, বহ্নি, হুতাশন, কৃশানু, পাবক, দহন, সর্বভুক, পিঙ্গল, হিমারতি, বায়ুসখা, শুচি ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

১২) 'অলীক' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?

মিথ্যা

সত্য

সচল

হিংসা

সত্য

ব্যাখ্যা:
• অলীক (বিশেষ্য পদ)।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
এর অর্থ:
- অসত্য;
- মিথ্যা।

• সুতরাং, অলীক এর বিপরীত শব্দ সত্য।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৩) 'সুলতানার স্বপ্ন' বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত -

উপন্যাস

কাব্যগ্রন্থ

প্রবন্ধ গ্রন্থ

নাটক

উপন্যাস

ব্যাখ্যা:
• রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন: 
- নারী জাগরণের পথিকৃৎ রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০ সালে রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে তাঁর অবদান চিরঅম্লান।
- মুসলমান মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং তাদের অধিকার আদায়ের জন্য ১৯১৬ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন 'আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম' বা 'মুসলিম মহিলা সমিতি'। 
- 'Sultana’s Dream' গ্রন্থটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন 'সুলতানার স্বপ্ন' নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত 'Lady Land' বা 'নারীস্থান' মূলত রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনেরই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক। 
- তিনি ৯ই ডিসেম্বর, ১৯৩২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
 
তাঁর উলে­খযোগ্য রচনা:
- মতিচূর (প্রবন্ধ, দুই খণ্ড: ১ম খণ্ড ১৯০৪, ২য় খণ্ড ১৯২২),  
- সুলতানার স্বপ্ন (নকশাধর্মী উপন্যাস রচনা),
- পদ্মরাগ (উপন্যাস),
- অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ) প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

১৪) 'বন্দি শিবির থেকে' গ্রন্থটি কার লেখা?

কাজী নজরুল ইসলাম

শামসুর রাহমান

আহসান হাবীব

আবুল হাসান

শামসুর রাহমান

ব্যাখ্যা:
• 'বন্দী শিবির থেকে' কাব্যগ্রন্থ:
- শামসুর রাহমান ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ভারতের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেন।
- সেখান থাকাকালীন তিনি "মজলুম আদিব" ছদ্মনামে দেশ পত্রিকায় লিখতেন।
- তার লেখা “বন্দী শিবির থেকে” কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে রচিত।
- কাব্যগ্রন্থের শুরুতে ‘পুর্বলেখ’ শিরোনামে কবি এই কাব্যগ্রন্থটি রচনার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেন।

এই কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা-  
- তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা,
- স্বাধীনতা তুমি, 
- মধুস্মৃতি,
- রক্তাক্ত প্রান্তরে ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫) 'আকাশ কুসুম' বাগধারাটির অর্থ কী?

আকাঙ্ক্ষিত বস্তু

অপ্রত্যাশিত

প্রচুর ব্যবধান

অসম্ভব কল্পনা

অসম্ভব কল্পনা

ব্যাখ্যা:
• 'আকাশ কুসুম' বাগধারাটির অর্থ - অবাস্তব কল্পনা। 

• আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- 'অন্ধের যষ্টি' বাগধারাটির অর্থ - একমাত্র অবলম্বন।
- 'আঁধার ঘরের মানিক' বাগধারটির অর্থ - অত্যন্ত প্রিয়জন।
- 'ইঁচড়ে পাকা' বাগধারাটির অর্থ - অকালপক্ব।
- অমাবস্যার চাঁদ বাগধারার অর্থ - দুর্লভ বস্তু বা বিরল বস্তু।
- আষাঢ়ে গল্প বাগধারার অর্থ - আজগুবি কাহিনি।
- 'অগ্নি পরীক্ষা' বাগধারাটির অর্থ - কঠিন পরীক্ষা।
- 'অদৃষ্টের পরিহাস' বাগধারাটির অর্থ - ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০২১ ও ২০১৮ সংস্করণ)।

১৬) 'Ratio' শব্দটির পারিভাষিক রূপ কোনটি?

নিত্যক্রম

ভগ্নাংশ

অনুপাত

সারি

অনুপাত

ব্যাখ্যা:
• 'Ratio' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ - অনুপাত।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ  পারিভাষিক শব্দ:
- ‘Pledge’ শব্দের পারিভাষিক শব্দ - বন্ধক।
- ‘Harbour’ শব্দের পারিভাষিক শব্দ - আর্জি।
- ‘Endorsement’ শব্দের পারিভাষিক শব্দ - পৃষ্ঠঙ্কন।
- ‘Stripe’ শব্দের পারিভাষিক শব্দ - রেখা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি।

১৭) অর্থানুসারে শব্দ কত প্রকার?

২ প্রকার

৩ প্রকার

৪ প্রকার

৫ প্রকার

৩ প্রকার

ব্যাখ্যা:
• অর্থগতভাবে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
- যৌগিক শব্দ,
- রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ ও
- যোগরূঢ় শব্দ।

যৌগিক শব্দ:
যেসব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থানুযায়ী নির্ধারিত হয়ে থাকে তাদের যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন: পড়্+উয়া = পড়ুয়া; ঢাকা+আই=ঢাকাই, কৃ+তব্য=কর্তব্য।

রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:
যেসব প্রত্যয় নিষ্পন্ন শব্দ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তাদের রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন: ‘সন্দেশ’ শব্দের শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থ ‘সংবাদ’। কিন্তু এর প্রচলিত অর্থ ‘মিষ্টান্ন বিশেষ’। কাজেই ‘সন্দেশ’ রূঢ়ি শব্দ। হস্তী, তৈল, বাঁশি ইত্যাদি রূঢ়ি শব্দের উদাহরণ।

যোগরূঢ় শব্দ:
সমাসবদ্ধ অথবা একাধিক শব্দ বা ধাতুর দ্বারা নিষ্পন্ন শব্দ যখন কোনো আপেক্ষিক অর্থ না বুঝিয়ে অন্য বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন: ‘পঙ্কজ’ শব্দের আপেক্ষিক অর্থ হলো যা পঙ্কে জন্মে তা, অর্থাৎ শৈবাল, পদ্মফুল, কেঁচো প্রভৃতি।
কিন্তু পঙ্কজ বললে শুধু পদ্মফুলকেই বোঝায়। কাজেই ‘পঙ্কজ’ যোগরূঢ় শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৮) 'বাবা বাড়ি নেই' - বাক্যটিতে বাড়ি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

কর্তায় শূন্য

করণে শূন্য

অপাদানে শূন্য

অধিকরণে শূন্য

অধিকরণে শূন্য

ব্যাখ্যা:
- 'বাবা বাড়ি নেই'- এখানে 'বাড়ি' অধিকরণে শূন্য বিভক্তি।

• অধিকরণ কারক:
- যে কারকে স্থান, কাল, বিষয় ও ভাব নির্দেশিত হয়, তাকে অধিকরণ কারক বলে।
- এই কারকে সাধারণত '-এ', '-য়', '-তে' ইত্যাদি বিভক্তি শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়।

• অধিকরণ কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ:
ক. প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি : আমি ঢাকা যাব। বাবা বাড়ি নেই।
খ. তৃতীয়া বিভক্তি : খিলিপান (এর ভিতরে) দিয়ে ঔষধ খাবে।
গ. পঞ্চমী বিভক্তি : বাড়ি থেকে নদী দেখা যায়।
ঘ. সপ্তমী বা তে বিভক্তি : এ বাড়িতে কেউ নেই।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ- ২০১৯)।

১৯) 'তেপান্তর' কোন সমাসের উদাহরণ?

দ্বন্দ্ব সমাস

অব্যয়ীভাব সমাস

দিগু সমাস

কর্মধারয় সমাস

দিগু সমাস

ব্যাখ্যা:
• দ্বিগু সমাস:
সমাহার (সমষ্টি) বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয় তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
- দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়।
যেমন: 
- তেমাথা = তিন মাথার সমাহার,
- ত্রিফলা = তিন ফলের সমাহার,
- তেপান্তর = তিন প্রান্তরের সমাহার,
- ত্রিপদী = তিন পদের সমাহার,
- ত্রিকাল = তিন কালের সমাহার
- ত্রিলোক = তিন লোকের সমাহার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি প্রমিত ব্যবহারিক ব্যাকরণ ও ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

২০) 'অন্যদিকে মন নেই যার' বাক্যটির এক কথায় প্রকাশ কোনটি?

অনন্যমনা

অন্যপেক্ষ

অগত্যা

অনন্যোপায়

অনন্যমনা

ব্যাখ্যা:
• অনন্যমনা শব্দের অর্থ: একক কর্মে রত; একাগ্র।
সুতরাং,

• 'অন্যদিকে মন নেই যার' এক কথায় বলে - অনন্যমনা।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা হলো:
- ‘অন্য উপায় নেই যার’ এক কথায় বলে - অনন্যোপায়
- ‘অন্য গতি নেই যার’ এক কথায় বলে - অগত্যা।
- ‘অন্য দিকে মন যার’ এক কথায় বলে - অন্যমনা, অন্যমনস্ক।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং অভিগম্য অভিধান।

২১) 'বনস্পতি' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

বনস + পতি

বনঃ + পতি

বন + পতি

বনো + পতি

বন + পতি

ব্যাখ্যা:
• নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি: 
কতগুলো সন্ধি কোন নিয়ম অনুসারে হয় না, এগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।

• কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ: 
- বন্‌ + পতি = বনস্পতি,
- আ + চর্য = আশ্চর্য,
- গো + পদ = গোস্পদ,
- পর্‌ + পর = পরস্পর,
- বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি,
- তৎ + কর =তস্কর,
- মনস্‌ + ঈষা = মনীষা,
- ষট্ + দশ = ষোড়শ,
- এক্‌ + দশ = একাদশ,
- পতৎ + অঞ্জলি = পতঞ্জলি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২২) 'কর্তব্য' শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?

কব + তব্য

কর্ + তব্য

কর্তা + অব্য

কৃ + তব্য

কৃ + তব্য

ব্যাখ্যা:
• কৃৎ প্রত্যয়:
- ধাতুর পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলোকে কৃৎপ্রত্যয় বলে।
- কৃৎপ্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে বলে কৃদন্ত শব্দ।
যেমন:
- √দুল্ + অনা = দোলনা।
- √কৃ + তব্য = কর্তব্য।
উপরের উদাহরণে- ‘অনা’ ও ‘তব্য' হলো কৃৎপ্রত্যয় এবং ‘দোলনা' ও ‘কর্তব্য হলো কৃদন্ত শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

২৩) উপসর্গ কোন জাতীয় শব্দাংশ?

বিশেষ্য

সর্বনাম

অব্যয়

বিশেষণ

অব্যয়

ব্যাখ্যা:
- ভাষায় ব্যবহৃত অব্যয়সূচক শব্দাংশের নাম হচ্ছে উপসর্গ।

• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ। 

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা:  প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং  মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।

২৪) কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে কোন বিরাম চিহ্ন বসে?

দাঁড়ি (।)

কোলন (:)

সেমিকোলন (;)

ড্যাস (-)

সেমিকোলন (;)

ব্যাখ্যা:
• সেমিকোলন:
সেমিকোলনের স্থানে কমার চেয়ে বেশি কিন্তু দাড়িঁর চেয়ে কম থামতে হয়। বাক্যের ভেতরে শুধু থামার জন্য কমা-সেমিকোলন ব্যবহার করা হয় না। অর্থ প্রকাশেও কমা ও সেমিকোলন ভূমিকা পালন করে। 

• সেমিকোলন চিহ্নের ব্যবহার:
- একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একটি স্বাধীন বাক্যে লিখতে সেগুলোর মাঝে সেমিকোলন বসে।
- কমা’র বারংবার ব্যবহারের পর কিন্তু দাঁড়ির আগে সেমিকোলন বসে।
- কমা অপেক্ষা অধিক বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে।
- কোনো তালিকায় বিদ্যমান একাধিক ব্যক্তির নাম ও পদের তালিকা অনুধাবনের সুবিধার্থে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
যেমন- গঠিত কমিটিতে সভাপতি, মোহাম্মদ আমজাদ; সহ-সভাপতি, নুর উদ্দীন; সাধারণ সম্পাদক, হামেদ আলি প্রমুখ।

- আইনের কোনো ধারায় এক বা একাধিক উপধারা কিংবা শর্ত থাকলে তা পৃথককরণের জন্য সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
যেমন- ধরা যাক, সংবিধানের ৩৬ নং ধারা নিম্নোক্ত উপধারা (১) বয়স ১৮ বছর হতে হবে; (২) প্রকৃতিস্থ হতে হবে।

উৎস: ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৫) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি প্রদান করে কোন বিশ্ববিদ্যালয়?

কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্বভারতী

শান্তিনিকেতন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ব্যাখ্যা:
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭)  ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের  প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন। 
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।
- সাহিত্যকর্মে অসাধারণ অবদানের জন্য শরৎচন্দ্র কুন্তলীন পুরস্কার (১৯০৩), জগত্তারিণী স্বর্ণপদক (১৯২৩), বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের সদস্যপদ (১৯৩৪) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিলিট উপাধি (১৯৩৬) লাভ করেন। 

তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস: 
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- পণ্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।

২৬) "To read between the lines" means-

to concentrate

to read leaving space

to grasp the hidden meaning

to read quickly

to grasp the hidden meaning

ব্যাখ্যা:

To read between the lines (idiom):
English Meaning: to try to understand someone's real feelings or intentions from what they say or write. 
বাংলা অনুবাদ- মনোযোগের সাথে অধ্যয়ন করে অন্তর্নিহিত অর্থ বোঝা বা, জানার চেষ্টা করা।

Example Sentence- Read between the lines, so that you won't miss anything important. 
বাংলা অনুবাদ- মনোযোগের সাথে অধ্যয়ন করে অন্তর্নিহিত অর্থ বোঝবার চেষ্টা করো, যেন গুরুত্বপূর্ণ কিছু তোমার কাছ থেকে ছুটে না যায়। 

তাই, সঠিক উত্তর - to grasp the hidden meaning (অন্তর্নিহিত অর্থ বোঝা)। 

Source: Live MCQ Lecture

২৭) ______ mother rose in her.

the

a

an

no article

the

ব্যাখ্যা:
Article: 
- A, An & The কে article বলে।
- এরা noun কে qualify করে।
-  Article দুই প্রকার। যেমন:
1. Indefinite: A, An
2. Definite: The

Article এর নিয়মানুযায়ী -
- Common noun( যেমন mother) যখন Abstract noun রূপে ব্যবহার হয় তখন তার আগে the বসে।
Example:
- Check the beast in you.
- The Mother rose in her. (তার মধ্যে মাতৃত্ব জেগে উঠল।) 

Source: Advanced Learner’s by Chowdhury & Hossain

২৮) ______, I would have called her.

If I saw him

If Rina had seen me

If Rina sees me

If Rina would seen me

If Rina had seen me

ব্যাখ্যা:

Third conditional এর নিয়মানুযায়ী, 
- principal clause এ would have/could have/might have + verb এর past participle থাকলে if clause টি past perfect হয়।
- যেহেতু, প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে main clause এ subject (I) + would have + verb এর past participle আছে তাই If clause টিতে, subject + past perfect (had +seen) হয়েছে।

Complete Sentence - If Rina had seen me, I would have called her.

• একটি Conditional sentence  এ দুটি অংশ থাকে।
- 1. Condition বা শর্ত  
- 2. Consequence বা ফলাফল। 

• There are four types of Conditionals:
1. The Zero Conditionals
2. The First Conditionals
3. The Second Conditionals and
4. The Third Conditionals

এ ধরনের বাক্যগুলোর সাধারণ structure হলো:
• Zero Conditional = If + Present + Present (shows scientific and general truth)
• 1st Conditional = If + Present + Future
• 2nd Conditional = If + Past Simple + Future in Past (S + would/might/could + Base Form of the Verb)
• 3rd Conditional = If + Past Perfect (had +V3) + Perfect Modal (S + would have/could have/might have + V3)

২৯) Do you enjoy teaching? The underlined word is-

noun

participle

gerund

pronoun

gerund

ব্যাখ্যা:

• Gerund:
- Verb এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun এর কাজ করে অর্থাৎ Verb ও noun এর কাজ করে, তাহলে তাকে Gerund বলে।
- সংক্ষেপে: Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun.
- It is a word ending in "-ing" that is made from a verb and used like a noun:
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.
- একটি বাক্যের বিভিন্ন স্থানে gerund বসতে পারে।

Functions of the Gerund: 
কোন বাক্যে Gerund ব্যবহৃত হয়: 
1. As subject: Rising early is a good habit. 
2. As object: I like playing Badminton.
3. As object of preposition: He is fond of cooking beef. 
4. As complement of verb: Working is earning.

• প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যে,
- Verb এর complement রূপে বসায় teaching হচ্ছে gerund. 
- Verb+ing – Noun হিসেবে ব্যবহৃত হলে এটা Gerund হয়।

৩০) English _____ across the world.

speaks

is speaking

is spoken

has been spoken

is spoken

ব্যাখ্যা:

Speak (কথা বলা):
- এটি একটি transitive verb.
- এই verb টির কাজ তার ‍subject তথা English করতে পারে না।
- তাই এটি passive এর গঠণ অনুসরণ করবে।

অপশনসমূহের মধ্যে 'is spoken' ও 'has been spoken' passive রূপে আছে। 
- কিন্তু, 'has been spoken' Present Perfect Continuous এ আছে বিধায় অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। 

Complete sentence - English is spoken across the world.

৩১) Who will help you? The passive form is-

By whom will you be helped?

By whom you will be helped?

By whom will you helped?

By whom would be helped?

By whom will you be helped?

ব্যাখ্যা:
• Who যুক্ত Interrogative Sentence এর Active Voice কে Passive Voice এ পরিণত করার নিয়ম:
- Who এর পরিবর্তে প্রথমে By whom বসে।
- এরপর Tense ও Person অনুযায়ী modal auxiliary Verb বসাতে হয়। 
- Object টি Subject হয় 
- Tense অনুযায়ী কর্তার পরে  be/being/been বসাতে হয়। 
- মূল Verb এর Past Participle বসে।
- সবার শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে। 

Example:
Active: Who will help you?
Passive: By whom will you be helped?

Active: Who is helping her?
Passive: By whom is she being helped?

Active: Who has broken the glasses?
Passive: By whom have the glasses been broken?

৩২) I am used _____ in crowded places.

to study

to studying

to studied

studing

to studying

ব্যাখ্যা:
• শুধু Used to এর পর Verb এর base form বসে।
যেমন: I used to eat meat, but now I’m a vegetarian.
He used to go to our school.

• তবে be (am, is, are, was, were) + used to থাকলে এর পর Verb+ing ব্যবহৃত হয়।
যেমন: I'm used to living in Paris.
She’s used to working hard.

Complete sentence: I am used to studying in crowded places.

৩৩) A speech full of many words is_____.

a large speech

an ornamental speech

maiden speech

a verbose speech

a verbose speech

ব্যাখ্যা:

Verbose speech:
English Meaning - A speech containing more words than are necessary. 
Bangla Meaning - বাগাড়ম্বরপূর্ণ; শব্দাড়ম্বরপূর্ণ। 

Other forms:
Verbosely (adverb) - বাগাড়ম্বরপূর্ণরূপে।
Verboseness, verbosity [ভাব্‌সাটি] (noun(s)) [uncountable noun] - বাগাড়ম্বর; শব্দাড়ম্বর; বাগ্বিস্তার; বাগ্বাহুল্য।

Source: Cambridge Dictionary. 

৩৪) The enemy gave in at last. Here "gave in" means-

fled away

fainted

yielded

moved back

yielded

ব্যাখ্যা:

• Give in (verb): 
- English Meaning: to yield under insistence or entreaty.
- Bangali Meaning: বশ্যতা স্বীকার করা।

Example - The enemies gave in at last.

অপশনসমূহ, 
fled away -  চম্পট দেওয়া। 
fainted - মূর্ছা যাওয়া।
yielded - আত্মসমর্পণ করা। 
moved back - পিছু হঁটা। 

তাই, সঠিক উত্তর - yielded. 

৩৫) The phrase "get the axe" means-

get a new job

lose the job

cut off relationship

get an opportunity

lose the job

ব্যাখ্যা:

Get the axe: 
English Meaning - To lose your job. 
Bangla Meaning - (কথ্য) চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়া।

Example Sentence - Religious programs will be the first to get the axe if she's put in charge of the station.

Source: Collins Dictionary. 

৩৬) The spectator was a lady, ______ ?

isn't she

was she

wasn't she

was she not

wasn't she

ব্যাখ্যা:

• সাধারণত Tag question ব্যবহৃত হয় পূর্বে উল্লেখিত কোন উক্তি সত্য না মিথ্যা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য। 
- Statement 'positive' হলে tag question টা 'negative' হবে।
- আবার statement 'negative' হলে tag question 'positive' হবে। 
- Subject ও Tense অনুসারে auxiliary verb দ্বারা tag question তৈরি হয়।

যেহেতু প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যটি affirmative এ আছে, তাই Tag question Negative হবে এবং বাক্যটি past indefinite tense হওয়ায় Subject ও Tense অনুসারে auxiliary verb অনুযায়ী সঠিক tag হবে - wasn't she? 

Complete Sentence - The spectator was a lady, wasn't she?

৩৭) Now many women are working _______ home with men.

out

off

staying out

outside

outside

ব্যাখ্যা:

Given options, 
out - দূরে; বাইরে।
off - নিষ্ক্রিয়; নিষ্প্রভ; মন্দাক্রান্ত। 
staying out - বাহিরে থাকা। 
outside (preposition(al)) - বাইরে; বহির্ভাগে বা বহির্দেশে। 

বাক্যটির গঠন ও অর্থ অনুযায়ী সঠিক উত্তর হচ্ছে - outside.

Complete Sentence - Now many women are working outside home with men.

৩৮) The verb form of 'deceit' is-

deceive

decisive

deceiving

deceitful

deceive

ব্যাখ্যা:

Deceit (noun):
Meaning - কপট; কপটতা; প্রতারণা; প্রবঞ্চনা।
- এর verb form হচ্ছে - deceive. 

Deceive (verb): 
Meaning - যা নয়, তাই বলে বিশ্বাস জন্মানো; প্রতারিত করা; ধোঁকা দেওয়া; ঠকানো; বিভ্রান্ত করা। 

Other options, 
deceiving - (adjective) ছলনা।
deceitful - (adjective)  কপটী; কাপটিক; ছলনাপর।
decisive -  (adjective) সিদ্ধান্তগ্রহণ ক্ষমতার পরিচয়সূচক; সুস্পষ্ট; চূড়ান্ত।

৩৯) The singular form of 'criteria' is-

criterium

criterion

criteri

criterius

criterion

ব্যাখ্যা:
Criteria - মানদণ্ড। 
- এটি Plural noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- এর singular form হচ্ছে Criterion

• কিছু বিদেশী শব্দ রয়েছে যেগুলোর singular-plural স্বাভাবিক নিয়মে হয় না। নিম্নে বিদেশি ভাষা থেকে আগত কিছু উল্লেখযোগ্য শব্দের singular-plural form দেওয়া হলো: 

Singular → Plural
Datum → Data;
Phenomenon → Phenomena;
Forum → Forums, Fora;
Oasis → Oases;
Radius → Radii;
Medium → Media;
Formula → Formulas;
Focus → Focuses / Foci;
Crisis → Crises;
Curriculum → Curricula;
Analysis → Analyses;
Agendum → Agenda;
Ultimatum → Ultimata / Ultimatums;
Criterion → Criteria;
Index → Indexes (in books), Indices (in mathematics).

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

৪০) The 'adjective' form of 'contribution' is-

contributative

contribute

contributional

contributed

প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে

ব্যাখ্যা:

অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
-------------------------------- 

Contribution (noun): 
Meaning - দান; অংশগ্রহণ; যা প্রদান করা হয়: contributions to the relief fund; সাময়িক পত্রের জন্য প্রদত্ত লেখা।

এর adjective form হচ্ছে Contributory বা Contributive.

Contributory/Contributive (adjective): 
Meaning - (১) সহায়ক।
(২) প্রদানমূলক; (কোনো কাজের জন্য) চাঁদাভিত্তিক: a contributory pension scheme.

Given options, 
contributative - কোনো শব্দ নেই। 
contribute (verb) - কোনো সংগঠনে সাহায্য করা। 
contributional - কোনো শব্দ নেই। 
contributed - Past form of 'contribute'. 

Source: Cambridge Dictionary & Accessible Dictionary.

৪১) Move and die. ____ Make it simple :

If you move, you will die.

By moving you will die.

Without moving you will die.

If you do not move, you will die.

By moving you will die.

ব্যাখ্যা:

• একটি simple sentence এ শুধু মাত্র একটি clause থাকে অর্থাৎ একটি subject and একটি finite verb থাকে।
- -and যুক্ত compound sentence কে by + verb +ing এই নিয়মে simple sentence এ পরিণত করা যায়। 
- আবার, Or যুক্ত compound sentence কে simple করার সাধারণ নিয়ম: without + verb + ing + sub + extension.

প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে যেহেতু 'and' আছে, 
তাই, সঠিক Simple Sentence - By moving you will die.

৪২) The synonym of 'intimidate' is-

weaken

depress

encourage

frighten

frighten

ব্যাখ্যা:

Intimidate (verb): 
Meaning - বাধ্য করতে ভয় দেখানো/ভীতিপ্রদর্শন করা। 

অপশনসমূহ, 
weaken - দুর্বল(তর) করা বা দুর্বল(তর) হওয়া।
depress - চাপ দেওয়া; চাপা। 
encourage - উৎসাহিত করা; সাহস দেওয়া; আশ্বস্ত করা। 
frighten - ভীত/আতঙ্কিত/সন্ত্রাসিত করা; ভয় পাইয়ে দেওয়া। 

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy. 

৪৩) Choose the correct answer :

A few number of students were present.

A few number of students was present.

A few number of student were present.

A small number of students were present.

A small number of students were present.

ব্যাখ্যা:

• little, a little, a few, few এর ব্যবহার: 
- এগুলো হচ্ছে quantifier determiners.
- এগুলো দ্বারা কোনো কিছুর পরিমান, সংখ্যা এগুলোকে নির্দেশ করা হয়।
- Little, a little বসে uncountable noun এর ক্ষেত্রে এবং a few, few বসে countable noun এর ক্ষেত্রে।
- Little এবং few, negative অর্থে ব্যবহৃত quantifier determiners, যাদের অর্থ অল্প সংখ্যক বা নেই বললেই চলে। 

• A little, a few, affirmative অর্থে ব্যবহৃত quantifier determiners, যাদের অর্থ কিছু সংখ্যক বা অল্প পরিমান।
Few - নেই বললেই চলে।
A few - সামান্য পরিমাণে/ কয়েকটি। 

• A few + Countable Noun হয়।
- তবে, 'A few' এর পর number of হবে না। 

তাই, অপশন ক) A few number of students were present,
খ) A few number of students was present ও
গ) A few number of student were present ভুল। 

অন্যদিকে,
• A number of/ A large number of/ A small number of/ a great number of যুক্ত বাক্যের গঠন হচ্ছে -
Structure: A number of/ A large number of/ A small number of/ a great number of + plural Noun + plural verb.

তাই, সঠিক উত্তর: A small number of students were present.

৪৪) The antonym of the word 'delete' is-

start

delay

insert

hide

insert

ব্যাখ্যা:

Delete (verb):
Meaning - লিখিত বা মুদ্রিত কোনোকিছু কেটে/তুলে দেওয়া। 

Given options, 
start - কোনো কিছু আরম্ভ বা শুরু করা। 
delay - বিলম্ব/দেরি করা; বিলম্ব/দেরি করানো; কালক্ষেপ করা। 
insert - নিবিষ্ট/নিবেশিত/সন্নিবিষ্ট/নিহিত করা; ঢোকানো। 
hide - লুকানো; গোপন/আচ্ছন্ন করা। 

অপশনসমূহ বিবেচনা করে দেখা যায়, সঠিক উত্তরটি হচ্ছে - insert. 

৪৫) "A letter is going to be written by me" _____ Make it active:

I am going to write a letter.

I will write a letter.

I am writing a letter.

I will be going to write a letter.

I am going to write a letter.

ব্যাখ্যা:

• Active থেকে passive রূপান্তর করার প্রক্রিয়া:
- Active voice এর subject টি passive voice এর object হয়ে যায়।
- Active voice এর object টি passive voice এর subject এ রুপান্তর হয়।
- মূল verb এর past participle হয় এবং subject ও tense অনুসারে auxiliary verb/be verb হয়।

• Present continuous tense যুক্ত active voice যে passive voice এ রূপান্তরিত করার নিয়ম -
- Active Voice: Subject + is/am/are+ verb+ ing + object. 
- Passive voice: Object is/am/are being V3+ by + subject.

প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যটি Passive voice এ আছে। 

তাই, সঠিক উত্তর: I am going to write a letter.

৪৬) Beat about the bush -এর সঠিক অনুবাদ :

অথৈ সাগরে ভাসা

অন্ধের কিবা রাত্রি কিবা দিন

যেখানে দেখিবে ছাই উড়াইয়া দেখ তাই

তন্ন তন্ন করে খোঁজা

প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে

ব্যাখ্যা:

Beat about the bush (idiom): 
English Meaning - To avoid talking about what is important. 
Bangla Meaning - মূল বিষয়ে প্রবেশ না করে ঐ বিষয়টি সম্পর্কে এলোপাতাড়ি কিছু বলা। 

Example Sentence - Don't beat about the bush - get to the point!

উদ্দীপকের অপশনসমূহ, 
ক) অথৈ সাগরে ভাসা।
খ) অন্ধের কিবা রাত্রি কিবা দিন।
গ) যেখানে দেখিবে ছাই উড়াইয়া দেখ। 
ঘ) তন্ন তন্ন করে খোঁজা।

উদ্দীপকের অপশনসমূহের মধ্যে কোনোটিই 'Beat about the bush' এর অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। 
তাই, প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 

Source: 
1. Cambridge Dictionary. 
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy. 

৪৭) ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর Correct translation in English:

Smoking is bad for health.

Smoking is telling upon health.

Smoking was a bad habit.

Smoking is dangerous for health.

Smoking is bad for health.

ব্যাখ্যা:

ক্ষতিকর - harmful; injurious; detrimental; prejudicial.

bad for -  (কারো বা কোনো কিছুর জন্য) ক্ষতিকর; অনুপযোগী; অনিষ্টকর; অপকারক: Drinking is bad for health.

• Cambridge ও Oxford Dictionary অনুযায়ী, ক্ষতিকর বুঝাতে dangerous এর পর to ব্যবহৃত হয়। 

• ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।  
- অপশন অনুযায়ী এর Correct translation হচ্ছে Smoking is bad for health.

৪৮) He visits the school off and on. "Off and on" means :

regularly

frequently

never at all

occasionally

occasionally

ব্যাখ্যা:

Off and on (phrase): 
English Meaning - Happening or existing only some of the time. 
Bangla Meaning - মাঝে মাঝে; অনিয়মিতভাবে।

Given options, 
regularly - নিয়মিতভাবে; নিয়মিত ব্যবধানে; সুষমভাবে। 
frequently - ঘন ঘন; প্রায়ই; বারংবার; পুনঃপুনঃ।
never at all - কখনোই না। 
occasionally - মাঝেমধ্যে। 

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy. 

৪৯) I have left the room but he (enter) the room :

enters

entered

has entered

is entering

has entered

ব্যাখ্যা:
এটি compound sentence.
এখানে conjunction এর আগের অংশে যেহেতু present perfect tense ব্যবহৃত হয়েছে, তাই পরের অংশেও present perfect tense ব্যবহার করতে হবে।
- তাই enter এর পরিবর্তে has entered বসাতে হবে।

Complete Sentence - I have left the room but he has entered the room.

৫০) What is the time _______ your watch?

in

at

by

to

by

ব্যাখ্যা:
প্রদত্ত বাক্যের মানে হলো: What time is your watch showing?
Preposition 'by' এর অর্থ হলো according to.
- সময় একটি বিমূর্ত ধারণা। 
- তাই, এখানে preposition হিসেবে in ব্যবহার হবে না। 
অতএব, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হিসেবে 'by' বসবে। 

Complete Sentence - What is the time by your watch?​ 
Meaning - তোমার ঘড়িতে কয়টা বাজে? 

৫১) ৯ জন শ্রমিক ৪ দিনে ১৮০০ টাকা আয় করেন। ৬ জন শ্রমিক কত দিনে সমপরিমাণ অর্থ আয় করবেন?

১৬/৩



১৮


ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন: ৯ জন শ্রমিক ৪ দিনে ১৮০০ টাকা আয় করেন। ৬ জন শ্রমিক কত দিনে সমপরিমাণ অর্থ আয় করবেন?

সমাধান:
৯ জন শ্রমিক ১৮০০ টাকা আয় করেন ৪ দিনে
১ জন শ্রমিক ১৮০০ টাকা আয় করেন ৪ × ৯ দিনে
৬ জন শ্রমিক ১৮০০ টাকা আয় করেন (৪ × ৯)/৬ দিনে
= ৬ দিনে

৫২) পুত্র ও পিতার বর্তমান বয়সের পার্থক্য ২০। ৮ বছর পর তাদের বয়সের সমষ্টি ৭২ বছর হলে পুত্রের বর্তমান বয়স -

১৮ বছর

১৬ বছর

১২ বছর

৮ বছর

১৮ বছর

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: পুত্র ও পিতার বর্তমান বয়সের পার্থক্য ২০। ৮ বছর পর তাদের বয়সের সমষ্টি ৭২ বছর হলে পুত্রের বর্তমান বয়স-

সমাধান:
মনেকরি
পুত্রের বর্তমান বয়স = ক বছর
পিতার বর্তমান বয়স = ক + ২০ বছর

প্রশ্নমতে
(ক + ৮) + (ক + ২০ + ৮) = ৭২
বা, ক + ৮ + ক + ২৮ = ৭২
বা, ২ক + ৩৬ = ৭২
বা, ২ক = ৭২ - ৩৬ 
বা, ২ক = ৩৬
∴ ক = ১৮

৫৩) ৬৩০০ সংখ্যাটিকে কত দ্বারা গুণ করলে সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ হবে?

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ৬৩০০ সংখ্যাটিকে কত দ্বারা গুণ করলে সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ হবে?

সমাধান:
৬৩০০ = ২ × ২ × ৩ × ৩ × ৫ × ৫ × ৭
= (২ × ২) × (৩ × ৩) × (৫ × ৫) × ৭

এখানে
৭ জোড়া বিহীন

৬৩০০ সংখ্যাটিকে ৭ দ্বারা গুণ করলে সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ হবে।

৫৪) একটি সমিতিতে যতজন সদস্য আছে প্রত্যেকে তত ১৫.০০ টাকা করে চাঁদা দেওয়ায় মোট ৭৩৫ টাকা হলো। সদস্য সংখ্যা কত?

৩ জন

৫ জন

৭ জন

১৫ জন

৭ জন

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: একটি সমিতিতে যতজন সদস্য আছে প্রত্যেকে তত ১৫.০০ টাকা করে চাঁদা দেওয়ায় মোট ৭৩৫ টাকা হলো। সদস্য সংখ্যা কত?

সমাধান:
মনেকরি
সমিতিতে সদস্য সংখ্যা = ক জন
প্রত্যেকে চাঁদা দেয় = ১৫ক টাকা 

প্রশ্নমতে
১৫ক × ক = ৭৩৫
বা, ১৫ক = ৭৩৫
বা, ক = ৭৩৫/১৫
বা, ক = ৪৯
বা, ক  = ৭
ক = ৭

৫৫) সরলসুদে কোনো আসল ১২ বছরে সুদে-আসলে চারগুণ হলে সুদের হার কত?

৫%

১০%

১২%

২৫%

২৫%

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: সরলসুদে কোনো আসল ১২ বছরে সুদে-আসলে চারগুণ হলে সুদের হার কত?

সমাধান:
মনেকরি
আসল P = ১০০ টাকা
সুদে-আসলে চারগুণ A = (১০০ × ৪) = ৪০০ টাকা
সুদ  I = (৪০০ - ১০০) টাকা = ৩০০ টাকা
সময় n = ১২ বছর

আমরা জানি
I = Pnr/১০০
বা, ৩০০ = ১০০ × ১২ × r/১০০
বা, ১২r = ৩০০
বা, r = ৩০০/১২
∴ r = ২৫

৫৬) ২৪০ টাকায় ১২টি কমলা ক্রয় করে ২০০ টাকায় ৮টি কমলা বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে?

২৫% লাভ

২৫% ক্ষতি

২০% লাভ

২০% ক্ষতি

২৫% লাভ

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ২৪০ টাকায় ১২টি কমলা ক্রয় করে ২০০ টাকায় ৮টি কমলা বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে?

সমাধান:
১২টি কমলার ক্রয়মূল্য = ২৪০ টাকা
১ টি কমলার ক্রয়মূল্য = ২৪০/১২ টাকা
= ২০ টাকা

৮টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ২০০ টাকা
১ টি কমলার বিক্রয়মূল্য = ২০০/৮ টাকা
= ২৫ টাকা

লাভ = (২৫ - ২০) টাকা
= ৫ টাকা

২০ টাকায় লাভ ৫ টাকা
১ টাকায় লাভ ৫/২০ টাকা
১০০ টাকায় লাভ (৫ × ১০০)/২০ টাকা
= ২৫ টাকা

৫৭) দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৪ : ৫ এবং তাদের ল.সা.গু. ১৬০ হলে ক্ষুদ্রতর সংখ্যাটি কত?

৩২

৪০

৪২

৪৫

৩২

ব্যাখ্যা:

প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৪ : ৫ এবং তাদের ল.সা.গু. ১৬০ হলে ক্ষুদ্রতর সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৪ : ৫

মনেকরি
একটি সংখ্যা = ৪ক
অপর সংখ্যা = ৫ক
৪ক ও ৫ক এর ল.সা.গু. = ২০ক

প্রশ্নমতে
২০ক = ১৬০
বা, ক = ১৬০/২০
ক = ৮

ক্ষুদ্রতর সংখ্যাটি = ৪ × ৮ = ৩২ 

৫৮) কোনো একটি শ্রেণিতে ১১ জন শিক্ষার্থীর বয়সের গড় ১৩ বছর। ৩ শিক্ষার্থী নতুন ভর্তি হওয়ায় বয়সের গড় হলো ১২ বছর। নতুন ৩ জন শিক্ষার্থীর বয়সের সমষ্টি কত বছর?

২৫

৩৫

৪৫

৫২

২৫

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: কোনো একটি শ্রেণিতে ১১ জন শিক্ষার্থীর বয়সের গড় ১৩ বছর। ৩ শিক্ষার্থী নতুন ভর্তি হওয়ায় বয়সের গড় হলো ১২ বছর। নতুন ৩ জন শিক্ষার্থীর বয়সের সমষ্টি কত বছর?

সমাধান:
১১ জন শিক্ষার্থীর বয়সের গড় ১৩ বছর
১১ জন শিক্ষার্থীর বয়সের সমষ্টি = (১৩ × ১১) বছর
= ১৪৩ বছর

১৪ জন শিক্ষার্থীর বয়সের গড় ১২ বছর
১৪ জন শিক্ষার্থীর বয়সের মষ্টি = (১২ × ১৪) বছর
= ১৬৮ বছর

৩ জন শিক্ষার্থীর বয়সের সমষ্টি = (১৬৮ - ১৪৩) বছর
= ২৫ বছর

৫৯) ৫০ ও ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাদ্বয়ের গড় কত?

৭৪

৭৫

৭৬

৭৭

৭৫

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ৫০ ও ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাদ্বয়ের গড় কত?

সমাধান:
৫০ থেকে ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম সংখ্যা = ৯৭
৫০ থেকে ১০০ এর মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ৫৩
গড় = (৯৭ + ৫৩)/২ = ১৫০/২ = ৭৫

৬০) secθ = 2 হলে cotθ এর মান-

1/√5

1/√3

√3

√5

1/√3

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: secθ = 2 হলে cotθ এর মান-

সমাধান:

আমরা জানি 
secθ = অতিভুজ/ভূমি
secθ = AC/BC
AC = 2, BC = 1

এখন
AC2 = AB2 + BC2
22 = AB2 + 12
4 = AB2 + 1
AB2 = 4 - 1
AB2 = 3
AB = √3

cotθ = ভূমি/লম্ব
= BC/AB
= 1/√3

৬১) x + y + z = 7 এবং xy + yz + zx = 10 হলে x2 + y2 + z2 এর মান-

29

32

35

45

29

ব্যাখ্যা:
 প্রশ্ন: x + y + z = 7 এবং xy + yz + zx = 10 হলে x2 + y2 + z2 এর মান-

সমাধান:
দেওয়া আছে
x + y + z = 7 
xy + yz + zx = 10

আমরা জানি
(x + y + z)2 = x2 + y2 + z2 + 2(xy + yz + zx)
⇒ 72 = x2 + y2 + z2 + 2 × 10
⇒ 49 = x2 + y2 + z2 + 20
⇒ x2 + y2 + z2 = 49 - 20 
∴ x2 + y2 + z2 = 29

৬২) 2 × 43x - 5 = 512 হলে x এর মান-

2

3

4

5

3

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: 2 × 43x - 5 = 512 হলে x এর মান-

সমাধান:
2 × 43x - 5 = 512
⇒ 2 × (22)3x - 5 = 29
⇒ 2 × 26x - 10 = 29
⇒ 26x - 10 + 1 = 29
⇒ 26x - 9 = 29
⇒ 6x - 9 = 9
⇒ 6x = 9 + 9
⇒ 6x = 18
∴ x = 3

৬৩) x2 - 3x + 1 = 0 হলে (x - 1/x)4 এর মান-

3

7

25

52

25

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন x2 - 3x + 1 = 0 হলে (x - 1/x)4 এর মান -

সমাধান:
দেওয়া আছে
x2 - 3x + 1 = 0
⇒ x2 + 1 = 3x
⇒ x2/x + 1/x = 3x/x
∴ x + 1/x = 3

আমরা জানি
(x - 1/x)2 = (x + 1/x)2 - 4.x.1/x
⇒ (x - 1/x)2 = 32 - 4
⇒ (x - 1/x)2 = 5
⇒ {(x - 1/x)2}2 = 52
∴ (x - 1/x)4 = 25

৬৪) a + b = √7, a - b = √3 হলে 5ab এর মান -

√3

√7

5

7

5

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: a + b = √7, a - b = √3 হলে 5ab এর মান-

সমাধান:
আমরা জানি
4ab = (a + b)2 - (a - b)2
⇒ 4ab = (√7)2 - (√3)2
⇒ 4ab = 7 - 3
⇒ 4ab = 4
⇒ ab = 1
⇒ 5ab = 1 × 5
∴5ab = 5

৬৫)

0.00001

0.0001

0.001

0.01

0.001

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: 

সমাধান:
x1/3 = 1/10
⇒ (x1/3)3 = (1/10)3
⇒ x = 1/1000
∴ x = 0.001

৬৬) log2√2x = 4 হলে x এর মান-

16

32

48

64

64

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: log2√2x = 4 হলে x এর মান-

সমাধান:
log2√2x = 4
⇒ log2√2x = 4
⇒ x = (2√2)4
⇒ x = 24 (√2)4
⇒ x = 24 {(√2)2}2
⇒ x = 16 × 22
⇒ x = 16 × 4
∴ x = 64

৬৭) x - 1/x = 6 হলে x/(x2 + 7x - 1) এর মান-

1/7

1/9

1/11

1/13

1/13

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: x - 1/x = 6 হলে x/(x2 + 7x - 1) এর মান-

সমাধান:
দেওয়া আছে
x - 1/x = 6
x2 - 1/x = 6
x2 - 1 = 6x

x/(x2 + 7x - 1) = x/(x2 + 7x - 1)
= x/(6x + 7x)
= x/13x
= 1/13

৬৮) x - y = 3 হলে x3 - y3 - 9xy এর মান -

27

18

9

6

27

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: x - y = 3 হলে x3 - y3 - 9xy এর মান-

সমাধান:
দেওয়া আছে
x - y = 3

এখানে
x3 - y3 - 9xy = (x - y)3 + 3xy(x - y) - 9xy
x3 - y3 - 9xy = 33 + 3xy × 3 - 9xy
x3 - y3 - 9xy = 27 + 9xy - 9xy
x3 - y3 - 9xy = 27

৬৯) একটি খুঁটির ছায়ার দৈর্ঘ্য তার উচ্চতার √3 গুণ হলে সূর্যের উন্নতি কোণ-

30°

45°

60°

90°

30°

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: একটি খুঁটির ছায়ার দৈর্ঘ্য তার উচ্চতার √3 গুণ হলে সূর্যের উন্নতি কোণ-

সমাধান:

খুঁটির উচ্চতা = x
খুঁটির ছায়ার দৈর্ঘ্য = x√3

এখন
tanθ = AB/BC
⇒ tanθ = x/x√3
⇒ tanθ = 1/√3
⇒ tanθ = tan30°
θ = 30°

৭০) একটি বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য 4√2 একক হলে বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা কত একক?

4

8

16

32

16

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: একটি বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য 4√2 একক হলে বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা কত একক?

সমাধান:
বর্গক্ষেত্রের একবাহুর দৈর্ঘ্য a একক 
বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য a√2 একক 
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা 4a  একক 

দেওয়া আছে
বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য 4√2 একক

প্রশ্নমতে
a√2 = 4√2
a = 4

বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = 4 × 4 একক 
= 16 একক 

৭১) একটি আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা 44 মিটার। এর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ অপেক্ষা 4 মিটার বেশি। উহার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত কত?

2 : 3

5 : 6

6 : 5

13 : 9

13 : 9

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা 44 মিটার। এর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ অপেক্ষা 4 মিটার বেশি। উহার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত কত?

সমাধান:
আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = x মিটার
আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = x + 4 মিটার

প্রশ্নমতে
2(x + 4 + x) = 44
⇒ 2(2x + 4) = 44
⇒  2x + 4 = 22
⇒ 2x = 22 - 4
⇒ 2x = 18
∴ x = 9

আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = 9 মিটার
আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = 9 + 4 = 13 মিটার

উহার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত = 13 : 9

৭২) একটি ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য 10 সেমি. ও ৪ সেমি.। উহার ক্ষেত্রফল 63 বর্গসেমি. হলে, সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব কত সেমি?

7

14

21

63

7

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: একটি ট্রাপিজিয়ামের সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য 10 সেমি. ও ৪ সেমি.। উহার ক্ষেত্রফল 63 বর্গসেমি. হলে, সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব কত সেমি?

সমাধান : 
আমরা জানি,
ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = ১/২ × সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল × সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব
⇒ সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব = ২ × ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল/ সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল
=  2 × 63/(10 + 8)
= (2 × 63)/18
= 7 সেমি

৭৩) একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফলের দ্বিগুণের সাথে পরিধির অনুপাত হলো-

জ্যা

ব্যাস

ব্যাসার্ধ

বৃত্তকলা

ব্যাসার্ধ

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ক্ষেত্রফলের দ্বিগুণের সাথে পরিধির অনুপাত হলো-

সমাধান:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ r 
বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2 
বৃত্তের পরিধি = 2πr

বৃত্তের ক্ষেত্রফলের দ্বিগুণের সাথে পরিধির অনুপাত = 2πr2/2πr
= r
= বৃত্তের ব্যাসার্ধ

৭৪) একটি বৃত্তে একই চাপের উপর অবস্থিত কেন্দ্রস্থ কোণ 140° হলে, উক্ত চাপের উপর অবস্থিত বৃত্তস্থ কোণের মান-

10°

60°

70°

280°

70°

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: একটি বৃত্তে একই চাপের উপর অবস্থিত কেন্দ্রস্থ কোণ 140° হলে, উক্ত চাপের উপর অবস্থিত বৃত্তস্থ কোণের মান-

সমাধান:
আমরা জানি,
একই চাপের উপর দণ্ডায়মান বৃত্তস্থ কোণ কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক।
তাই একটি বৃত্তের কেন্দ্রস্থ কোণ 140° হলে বৃত্তস্থ কোণের মান হবে 70°।

৭৫) ABCD রম্বসের ∠ABC = 120° এবং কর্ণদ্বয়ের ছেদবিন্দু O । OE ⊥ AB হলে, ∠BOE = কত?

30°

45°

60°

120°

30°

ব্যাখ্যা:
প্রশ্ন: ABCD রম্বসের ∠ABC = 120° এবং কর্ণদ্বয়ের ছেদবিন্দু O । OE ⊥ AB হলে, ∠BOE = কত?

সমাধান:

একটি রম্বসের কর্ণ প্রতিটি শীর্ষ কোণকে সমদ্বিখণ্ডিত করে।
∴ BD কর্ণ ∠ABC = 120° কে সমদ্বিখণ্ডিত করে
∴ ∠ABD = ∠EBO = 120°/2 = 60°

ΔOBE এ,
∠OEB + ∠EBO + ∠BOE = 180°
⇒ 90° + 60° + ∠BOE = 180°
⇒ ∠BOE = 180° - 150°
∴ ∠BOE = 30°

৭৬) পুণ্ড্রনগর কোন জেলায় অবস্থিত?

কুমিল্লা

নওগাঁ

বগুড়া

দিনাজপুর

বগুড়া

ব্যাখ্যা:
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭৭) বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

কক্সবাজার

নোয়াখালী

বরগুনা

ভোলা

কক্সবাজার

ব্যাখ্যা:
কক্সবাজারের খুরুশকুল বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- দেশের সবচেয়ে বড় বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র কক্সবাজারের খুরুশকুল বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ৬০ মেগাওয়াট।
- ১২ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে এই বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
- ডিসেম্বর, ২০২৩-এ কেন্দ্রটি থেকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হয়।

উল্লেখ্য,
- এই বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের ৩১ মার্চ।
- বেসরকারি উদ্যোগে বাস্তবায়িত হওয়া এই প্রকল্পে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিয়েছে চীন।
- বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মুকিত আলম।
- চীনের অর্থায়নে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯০০ কোটি টাকা।

উৎস: ১৩ অক্টোবর,, ২০২৩, কালের কন্ঠ।

৭৮) পুলিশী সাহায্য পাওয়ার শর্টকোড কোনটি?

১০৬

৩৩৩

৯৯৯

১২১

৯৯৯

ব্যাখ্যা:
বিভিন্ন সেবায় হেল্পলাইন:
- ৯৯৯: বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার। এখানে বিনামূল্যে ফোন করে আপনি জরুরী মুহুর্তে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও এ্যাম্বুলেন্স এর সাহায্য নিতে পারবেন। এছাড়া যে কোন অপরাধের তথ্যও পুলিশকে জানাতে পারবেন।

অন্যদিকে -
- ৩৩৩: জাতীয় তথ্যবাতায়ন কল সেন্টার। বাংলাদেশের যে কোন তথ্য জানতে ও সরকারি কর্মকর্তাদেরর সাথে কথা বলতে কল করুন এই নাম্বারে। 
- ১০৬: দুর্নীতি দমন কমিশনের কল সেন্টার। যে কোন দুর্নীতি চোখে পড়লে বিনামূল্যে কল করে জানিয়ে দিন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭৯) দেশের প্রথম টানেলের দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?

২.৪৫

৩.৩২

৩.৪০

৩.৪৩

৩.৩২

ব্যাখ্যা:
বঙ্গবন্ধু টানেল:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণ করা হয়েছে।
- এই টানেল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে।
- টানেলের প্রকল্প পরিচালক মোঃ হারুনুর রশীদ চৌধুরী।
- মোট দৈর্ঘ্য ৯.৩৯ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য ৫.৩৫ কিমি।
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম টানেল টিউব নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
- ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যৌথভাবে বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।
- বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা।
- নদীর নিচ দিয়ে টানেল দক্ষিণ এশিয়ায় এটাই প্রথম।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে।

উল্লেখ্য,
- প্রায় ৯১ বছর আগে এই নদীর ওপর প্রথম কালুরঘাট রেলসেতু নির্মাণ করা হয়েছিল।
- কালুরঘাট রেলসেতু থেকে সাত কিলোমিটার ভাটিতে ১৯৮৯ সালে প্রথম সড়ক সেতু নির্মাণ করা হয়।
- ২০১০ সালে একই স্থানে কর্ণফুলী তৃতীয় শাহ আমানত সেতু নির্মাণ করা হয়।
-  কক্সবাজারের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের টার্মিনাল চালু হবে ২০২৬ সালে। 

উৎস: i) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
         ii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
        iii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।

৮০) বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গণহত্যাটি কোথায় হয়?

আসামদিয়া

মোহাম্মদপুর বিধবা পল্লী

চুকনগর

রায়ের বাজার

চুকনগর

ব্যাখ্যা:
চুকনগর গণহত্যা:
- মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গণহত্যা ছিল চুকনগর গণহত্যা।
- চুকনগর ছিল খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের একটি গ্রাম।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ২০মে মাত্র এক প্লাটুন পাকিস্তানি সেনা ৪ ঘণ্টায় ব্রাশফায়ার করে হত্যা করে অন্তত ১২ হাজার নিরীহ মানুষকে।
- প্রকৃতপক্ষে এই গণহত্যায় এরচেয়ে বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন।
-  চুকনগরের পাশে ভদ্রা নদীর পানিতে লাশ ভাসিয়ে দেওয়ায় নিহতের প্রকৃত সংখ্যা পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে -
- মুক্তিযুদ্ধে ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি নৃশংসতা দেখেছে মিরপুর।
- একক শহর হিসেবে দেখলে মুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি বধ্যভূমির সন্ধান পাওয়া যায় চট্টগ্রামে। 
- মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যায় নৃশংসতার তালিকা করলে প্রথম দিকে থাকবে নীলফামারীর গোলাহাট গণহত্যা বা অপারেশন খরচাখাতা। 

উৎস: মার্চ ২৫, ২০২২, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা। 

৮১) ভারত কর্তৃক সম্প্রতি চাঁদে প্রেরিত চন্দ্রযানের নাম কী?

চন্দ্রযান-৩

চন্দ্রযান-২

বিক্রম

অশোক

চন্দ্রযান-৩

ব্যাখ্যা:
চন্দ্রযান-৩:
- ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাম ইসরো।
- ইসরো প্রধান শ্রীধরা পানিকার সোমনাথ।
- ২৩ আগস্ট ২০২৩ তারিখে চাঁদের বুকে অবতরণ করে চন্দ্রযান-৩।
- চন্দ্রযানটির ল্যান্ডারটির নাম ‘বিক্রম’।
- রোভারের নাম ‘প্রজ্ঞান’।
- অবতরণের করেছে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে।
- চাঁদের রহস্যময় দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছাতে পারা প্রথম দেশ ভারত।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন চন্দ্রপৃষ্ঠে সফলভাবে নভোযান অবতরণকারী চতুর্থ দেশ ভারত।
- ১৪ জুলাই, ২০২৩ ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশকেন্দ্র থেকে চন্দ্রযান-৩ উৎক্ষেপণ করা হয়।
- মোট ৬১৫ কোটি রুপি খরচ হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ২০১৯ সালে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে অবতরণের উদ্দেশ্যে চন্দ্রযান-২ পাঠিয়েছিল ভারত।
- কিন্তু অভিযানটি ব্যর্থ হয়।

উৎস: ২৩ আগস্ট ২০২৩, প্রথম আলো।

৮২) সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বিল-২০২৩ পাস হয় কবে?

১৪ জানুয়ারি-২০২৩

২৪ জানুয়ারি-২০২৩

১৫ অক্টোবর-২০২৩

২৫ অক্টোবর-২০২৩

২৪ জানুয়ারি-২০২৩

ব্যাখ্যা:
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম):
- ১৮ বছরের বেশি বয়সী যেকোনো নাগরিক ৬০ বছর বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধ করে অবসর জীবনের সময় পেনশন সুবিধা পেতে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
- ২৪ জানুয়ারি-২০২৩ জাতীয় সংসদে 'সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বিল ২০২৩' পাস হয়েছে।
- ১৭ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সরকার মোট ৬টি স্কিমের কথা ঘোষণা করেছে। 
- আপাতত চালু হয়েছে ৪টি স্কিম।

৪টি স্কিম:
• প্রবাস: 
- এটি শুধু বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানকারী বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য।
- এর মাসিক চাঁদার হার ধরা হয়েছে ৫ হাজার, সাড়ে ৭ হাজার ও ১০ হাজার টাকা করে।

• প্রগতি:
- এই স্কিম বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য।

• সুরক্ষা:
- এই স্কিমটা স্বনির্ভর ব্যক্তির জন্য।
- অর্থাৎ কেউ কোথাও চাকরি করছেন না কিন্তু নিজে উপার্জন করতে পারেন, তারা সুরক্ষা স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- এর আওতায় পড়েন ফ্রিল্যান্সার, কৃষক, শ্রমিক ইত্যাদি পেশার লোকজন।

• সমতা:
- এই স্কিমে চাঁদার হার একটিই: এক হাজার টাকা।
- তবে এক্ষেত্রে প্রতিমাসে ব্যক্তি দেবে পাঁচশ টাকা আর বাকি পাঁচশো দেবে সরকার।
- মূলত দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসরত স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এই স্কিম।

উৎস: ১৭ আগস্ট, ২০২৩, প্রথম আলো।

৮৩) "আমার দেখা নয়াচীন” কে লিখেছেন?

মওলানা ভাসানী

আবুল ফজল

শহীদুল্লা কায়সার

শেখ মুজিবুর রহমান

শেখ মুজিবুর রহমান

ব্যাখ্যা:
আমার দেখা নয়াচীন:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা তৃতীয় বই আমার দেখা নয়াচীন।
- প্রকাশিত হয় ২০২০ সালে।
- এই বইটিও কারাগারে রাজবন্দী থাকার সময়ে রচিত।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৫২ সালের অক্টোবর মাসে চীনের পিকিংয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক শান্তি সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন।
- সে সময় নয়াচীন দেখার অভিজ্ঞতার আলোকে বইটি রচিত।

উৎস: ১৪ আগস্ট ২০২০,  প্রথম আলো। 

৮৪) 'সিন্দুরী' বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে কীসের নাম?

বেগুন

আম

আলু

টমেটো

আলু

ব্যাখ্যা:
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা: উন্নত জাতের ধান।
• সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
• সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
• বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ উন্নত জাতের ভুট্টা।
• মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ উন্নত জাতের আম।
• বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
• যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।
• শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো: উন্নত জাতের বেগুন।
• হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা: উন্নত জাতের আলু।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৮৫) জাতীয় পতাকা ১৯৭১ সালের কোন তারিখে প্রথম উত্তোলিত হয়?

২৬ মার্চ

২৫ মার্চ

৭ মার্চ

২ মার্চ

২ মার্চ

ব্যাখ্যা:
প্রথম পতাকা উত্তোলন:
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- গৃহীত হয় ৬ মার্চ, ১৯৭১।
- ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করেন এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন: কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- মানচিত্র খচিত পতাকার নকশাকার: শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)।
- জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত: ১০:৬ (৫:৩)।

উৎস: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।

৮৬) ২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন কে?

নার্গিস মোহাম্মদী

শিরিন এবাদী

নাগিব মাহফুজ

প্রফেসর আবদুস সালাম

নার্গিস মোহাম্মদী

ব্যাখ্যা:
২০২৩ সালের নোবেল বিজয়ী:
- সাহিত্য: জন ফসে।
- শান্তি: নার্গিস মোহাম্মদী।
- চিকিৎসাবিজ্ঞান: ক্যাটালিন কারিকো এবং ড্রু উইসম্যান।
- পদার্থবিজ্ঞান: পিয়েরে অ্যাগোস্টনি, ফিরেন্স ক্রাসজ এবং অ্যান লরিয়েল।
- রসায়ন: মুঙ্গি জি বাউইন্ডি, লুইস ই ব্রাস এবং আলেক্সি ই.ইকিমভ।
- অর্থনীতি: ক্লদিয়া গোল্ডিন।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

৮৭) বান্দুং শহরটি কোন দেশে অবস্থিত?

চীন

ইন্দোনেশিয়া

মালয়েশিয়া

যুগোস্লাভিয়া

ইন্দোনেশিয়া

ব্যাখ্যা:
বান্দুং শহর:
- বান্দুং হলো ইন্দোনেশিয়ার জাভা প্রদেশের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।
- শহরটি জাভা দ্বীপ এর পশ্চিম অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে ন্যাম গঠিত হয়।

উৎস:  Britannica.

৮৮) গ্রিন পিস কী?

জাতিয়তাবাদী সংগঠন

রাজনৈতিক সংগঠন

মানবতাবাদী সংগঠন

পরিবেশবাদী সংগঠন

পরিবেশবাদী সংগঠন

ব্যাখ্যা:
Greenpeace International:
- গ্রিনপিস আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭১ সালে, কানাডায়।
- এর সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।
- পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধে ১৯৬৯ সালে Don't make a wave Committee গঠিত হয়।
- পরে ১৯৭১ সালে এটি ‘গ্রিনপিস’ নামে রুপান্তরিত হয়। 
- সংস্থাটির মূল উদ্দেশ্য পৃথিবী নামক এই গ্রহের সব ধরনের জীববৈচিত্রের প্রতিপালনের জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা। 
- সংস্থাটির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বানিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং পারমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো। 
- গ্রিনপিস ইউরোপ, আমেরিকা, আফ্রিকা, এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল জুড়ে ৫৫টিরও বেশি দেশে ২৫টি স্বাধীন জাতীয়/আঞ্চলিক সংস্থার একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের পাশাপাশি একটি সমন্বয়কারী সংস্থা, গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশনালের সমন্বয়ে গঠিত।

উৎস: Greenpeace International ওয়েবসাইট।

৮৯) খাদ্যশক্তি কীসের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়?

জুল

কিলো জুল

ক্যালোরী

কিলো ক্যালোরী

কিলো ক্যালোরী

ব্যাখ্যা:
ক্যালরি: 
- ১ গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১° সেলসিয়াস বাড়াতে প্রয়োজনীয় তাপ হচ্ছে ১ ক্যালরি। 
- ১০০০ ক্যালরি = ১ কিলোক্যালরি। 
- শর্করা, প্রোটিন ও স্নেহ জাতীয় খাদ্য উপাদান থেকে দেহে তাপ উৎপন্ন হয়। 
- এই তাপ আমাদের দেহের ভিতরে খাদ্যের পরিপাক, বিপাক, শ্বাসকার্য, রক্তসঞ্চালন ইত্যাদি কাজে সাহায্য করে। 
- শারীরিক পরিশ্রমে শক্তি ব্যয় হয়।
- খাদ্যে শক্তি সঞ্চিত থাকে আবার আমরা খাবার থেকেই শক্তি পাই। 
- খাদ্যের তাপশক্তি মাপার একক হলো কিলোক্যালরি। 
- যেসব খাদ্যে শর্করা, প্রোটিন ও স্নেহ পদার্থ থাকে, সেসব খাদ্য থেকে বেশি ক্যালরি পাওয়া যায়। 
- যেসব খাদ্যে পানি ও সেলুলোজের পরিমাণ বেশি থাকে, সেসব খাদ্যে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে। 
- তেল বা চর্বি জাতীয় পদার্থে ক্যালরির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৯০) অতিবেগুনি রশ্মি কোথা থেকে আসে?

চন্দ্র

তারকা

সূর্য

ব্লাক হোল

সূর্য

ব্যাখ্যা:
- জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হলাে গামা রশ্মি। 
- গামা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা অন্যান্য তেজস্ক্রিয় রশ্মি আলফা ও বিটা রশ্মির চেয়ে অনেক বেশি। 
- গামা রশ্মি প্রায় কয়েক সেন্টিমিটার পর্যন্ত সীসা ভেদ করতে পারে। 
- আলট্রাভায়ােলেট বা অতিবেগুনি রশ্মি সূর্য থেকে আসে যা তেজস্ক্রিয় রশ্মি থেকে কম ক্ষতিকর। 
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতাও সবচেয়ে বেশি। 
- পারমাণবিক বিস্ফোরণে গামা রশ্মি নির্গত হয়। 
- বিটা ও আলফা রশ্মি গামা রশ্মির তুলনায় কম ক্ষতিকর। 

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট।

৯১) কম্পিউটার শব্দের অর্থ কী?

হিসাবকারী যন্ত্র

গণনাকারী যন্ত্র

পরীক্ষার যন্ত্র

বিমান চালানোর যন্ত্র

গণনাকারী যন্ত্র

ব্যাখ্যা:
কম্পিউটার: 
- "কম্পিউটার" শব্দের মূল অর্থ হলো "গণনাকারী যন্ত্র"। 
- কম্পিউটার প্রাথমিকভাবে ব্যবহার করা হতো গণিতীয় হিসাব-নিকাশ ও গণনা করার জন্য। 
- যদিও "হিসাবকারী যন্ত্র" ও "গণনাকারী যন্ত্র" দুটি শব্দই কম্পিউটারের কাজের সাথে সম্পর্কিত, ঐতিহাসিক এবং প্রযুক্তিগত অর্থে "গণনা" শব্দটি আরও বেশি সঠিক এবং সুনির্দিষ্ট। 

- "হিসাব" শব্দটি সাধারণত অর্থনৈতিক, আর্থিক বা সামাজিক লেনদেনের হিসাব রাখার সাথে যুক্ত, যেখানে "গণনা" বা "কম্পিউটিং" শব্দটি গণিতীয় হিসেব যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি এবং জটিল সমস্যা সমাধানের প্রক্রিয়াকে বোঝায়। 
- আধুনিক কম্পিউটার কেবল গণনা সম্পাদন করে না; এগুলো ডেটা প্রসেসিং, স্টোরেজ, এবং যোগাযোগের মতো জটিল কাজও সম্পাদন করে। 
- তবে শব্দটির মূল অর্থ "গণনাকারী যন্ত্র" হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত। 

সুতরাং, কম্পিউটারের বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত ভূমিকা বিবেচনায় "গণনাকারী যন্ত্র" অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে।

৯২) বৌদ্ধ ধর্মের বিখ্যাত নিদর্শন তক্ষশীলা কোথায় অবস্থিত?

নেপাল

শ্রীলংকা

পাকিস্তান

থাইল্যান্ড

পাকিস্তান

ব্যাখ্যা:
গৌতম বুদ্ধ:
- গৌতম বুদ্ধের ব্যক্তিগত নাম সিদ্ধার্থ।
- তাঁর জন্ম খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ-৪র্থ শতাব্দীতে নেপালের কপিলাবস্তুর কাছে লুম্বিনীতে। 
- তিনি বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা।
- বুদ্ধ উপাধিটির অর্থ হল একজন আলোকিত সত্তা, যিনি অজ্ঞতার ঘুম থেকে জেগে উঠেছেন এবং যন্ত্রণা থেকে মুক্তি লাভ করেন।
- বৌদ্ধধর্মের সব রূপই গৌতম বুদ্ধের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা উদযাপন করে, যার মধ্যে রয়েছে তাঁর জন্ম, জ্ঞানার্জন এবং নির্বাণে উত্তরণ।
- তাঁর মৃত্যু কুশিনারা, মাল্লা প্রজাতন্ত্র, মগধ রাজ্যে।

উল্লেখ্য,
- পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় বৌদ্ধধর্মের স্মৃতিবিজড়িত স্থান তক্ষশীলা।
- গৌতম বুদ্ধের দিব্যজ্ঞান লাভের স্থান বুদ্ধগয়া।
- সারনাথ একটি উদ্যান যেখানে গৌতম বুদ্ধ সর্বপ্রথম ধর্ম নিয়ে ভেবেছিলেন। এই স্থানটি ভারতের উত্তর প্রদেশের বারানাশী শহর থেকে ১৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.

৯৩) কোথায় বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম?

ভূ-পৃষ্ঠে

মেরু অঞ্চলে

নিরক্ষীয় অঞ্চলে

পৃথিবীর কেন্দ্রে

নিরক্ষীয় অঞ্চলে

ব্যাখ্যা:
- বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর উপর নির্ভরশীল। 
- অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর আদর্শমান ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড। 
- যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি সেই স্থানে বস্তুর ওজন বেশি। 
- বিষুবীয় (নিরক্ষীয়) অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে কম তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়। 
- মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে বেশি তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়। 
- পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর ওজন শূন্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৯৪) জাতীয় সংবিধান দিবস কত তারিখে পালিত হয়?

৩ ডিসেম্বর

৩ নভেম্বর

৪ ডিসেম্বর

৪ নভেম্বর

৪ নভেম্বর

ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

উল্লেখ্য,
- ৪ নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৯৫) কোনটি উপদ্বীপ?

জার্মান

কোরিয়া

সৌদি আরব

মিয়ানমার

কোরিয়া

ব্যাখ্যা:
কোরীয় উপদ্বীপ:
- কোরীয় উপদ্বীপ পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত একটি উপদ্বীপ।
- কোরীয় উপদ্বীপ উত্তর-পশ্চিম এশিয়া থেকে প্রশান্ত মহাসাগরে এসে পড়েছে।
- উপদ্বীপটি জাপান সাগর (পূর্ব সাগর) এবং হলুদ সাগর দ্বারা আবদ্ধ। উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া উপদ্বীপ ভাগ করে নেয়।

উল্লেখ্য,
- উপদ্বীপের তিনদিকে পানি আর অপর অংশ স্থলভাগের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোরিয়ার তিনদিকে সাগর আর বাকি অংশ চীনের সাথে যুক্ত বিধায় কোরিয়াকে উপদ্বীপ বলা হয়।

উৎস: Britannica.

৯৬) ব্যাকটেরিয়া কী?

জড়বস্তু

প্রাণী

উদ্ভিদ

অণুজীব

অণুজীব

ব্যাখ্যা:
ব্যাকটেরিয়া: 
- ব্যাকটেরিয়া হলো আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত, অসবুজ, এককোষী অণুবীক্ষণিক জীব। 
- বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক সর্ব প্রথম ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান। 
- ব্যাকটেরিয়া কোষ গোলাকার, দণ্ডাকার, কমা আকার, প্যাঁচানো ইত্যাদি নানা ধরণের হতে পারে। 
- কোষের আকৃতি অনুসারে ব্যাকটেরিয়াকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- (১) কক্কাস, (২) ব্যাসিলাস, (৩) স্পাইরিলাম এবং (৪) কমা আকৃতি । 

ব্যাকটেরিয়ার উপকারিতা: 
- মৃত জীবদেহ ও আবর্জনা পঁচাতে সাহায্য করে। 
- একমাত্র ব্যাকটেরিয়াই প্রকৃতি থেকে মাটিতে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে। 
- পাট থেকে আঁশ ছাড়াতে ব্যাকটেরিয়া সাহায্য করে। 
- দই তৈরি করতেও ব্যাকটেরিয়ার সাহায্য নিতে হয়। 
- বিভিন্ন জীবন রক্ষাকারী এন্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া থেকে তৈরি হয়। 
- ব্যাকটেরিয়া জীন প্রকৌশলের মূল ভিত্তি। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

৯৭) গ্রিনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশের সময় কত ঘণ্টা আগে?

৬ ঘণ্টা

৫ ঘণ্টা

৪ ঘণ্টা

৩ ঘণ্টা

৬ ঘণ্টা

ব্যাখ্যা:
গ্রিনিচ মান সময়: 
- গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে। 
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।  
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। 
- গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৯৮) বিশ্ব অটিজম দিবস কবে পালিত হয়?

২ এপ্রিল

২ ফেব্রুয়ারি

২ জুন

২ জুলাই

২ এপ্রিল

ব্যাখ্যা:
বিশ্ব অটিজম দিবস:
- ২ এপ্রিল বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস।

উল্লেখ্য,
- অটিজমে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্কদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়তার প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০৭ সালে ২ এপ্রিলকে ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস’ হিসেবে পালনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর থেকে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হচ্ছে। 

উৎস: এপ্রিল ২, ২০১৮, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।

৯৯) বর্তমান বৃহত্তম ঢাকা জেলা প্রাচীনকালে কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?

সমতট

পুণ্ড্র

বঙ্গ

হরিকেল

বঙ্গ

ব্যাখ্যা:
বঙ্গ জনপদ:
- বৃহত্তম ঢাকা ও ময়মনসিংহ, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, ফরিদপুর আগে বঙ্গ জনপদের অধীনে ছিল।

অন্যদিকে -
বরেন্দ্র:
- উত্তরবঙ্গের জনপদ বরেন্দ্র।
- রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর এবং ভারতের মালদহ, মুর্শিদাবাদের কিছু অংশ, দার্জিলিং ও কোচবিহার এক সময় এ জনপদের আওতায় ছিল।

পুণ্ড্র:
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র।
- এ অঞ্চলের রাজধানী পুণ্ড্রনগর।
- এর বর্তমান নাম মহাস্থানগড়।

গৌঢ়:
- পাল রাজাদের আমলে গৌঢ়ের নাম-ডাক ছিল।
- ভারতের মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বর্ধমানের কিছু অংশ আগে গৌঢ়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

সমতট:
- বর্তমানের কুমিল্লা ও নোয়াখালী একসময় সমতট নামে পরিচিত ছিল।
- কুমিল্লা শহর থেকে ১২ মাইল দূরে বড় কামতা এ জনপদের রাজধানী ছিল।

হরিকেল:
- শ্রীহট্ট (সিলেট) থেকে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার পর্যন্ত হরিকেল জনপদের সীমানা ছিল।

উৎস: ২৯ আগস্ট, ২০১৭, কালের কন্ঠ।

১০০) লোহিত সাগর কোন দুটি মহাদেশকে আলাদা করেছে?

ইউরোপ ও আফ্রিকা

এশিয়া ও ইউরোপ

এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া

আফ্রিকা ও এশিয়া

আফ্রিকা ও এশিয়া

ব্যাখ্যা:
লোহিত সাগর:
- লোহিত সাগর (Red sea) ভারত মহাসাগরের একটি বিশেষ অংশ। 
- এশিয়া মহাদেশকে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে লোহিত সাগর।
- লোহিত সাগর সৌদি আরব (এশিয়া) এবং মিশর (আফ্রিকা) কে পৃথক করেছে।
- এর দক্ষিণে বাব এল মান্দের প্রণালী। 
- লোহিত সাগরে জলে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া আছে, যা বাতাস থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করে ট্রিকোডেসামিয়াম রিথ্রিয়াম নামে এক ধরনের অজৈব যৌগ গঠন করে।
- এর রং লাল হওয়ায় এই সাগরের জল লাল দেখায়।

উৎস: World Atlas.

You may like these posts

Post a Comment