ইরানের ড্রোন ১০০০-২০০০ কিমি কিভাবে উড়তে পারে
Shahed-136 (যেটাকে অনেকে “কামিকাজে ড্রোন” বলে) সম্পর্কে ওপেন সোর্স ধারণা অনুযায়ী:
🔸 জ্বালানি: প্রায় ৩০–৬০ লিটার পেট্রোল
🔸 রেঞ্জ: প্রায় ১০০০–২০০০ কিমি
🔸 উড়ার সময়: কয়েক ঘণ্টা
👉 শুনতে কম মনে হলেও, ড্রোন খুব কম জ্বালানিতে অনেক দূর যেতে পারে কারণ এটি খুবই efficient করে বানানো।
হ্যাঁ, পারে।
এই ধরনের ড্রোনে ছোট piston engine ব্যবহার করা হয়, যেমন:
MD550 engine
🔸 পাওয়ার: প্রায় ৩০–৫০ horsepower
👉 এটা অনেক মোটরসাইকেলের কাছাকাছি পাওয়ার।
ড্রোন একবার আকাশে উঠলে:
ডানা বাতাস থেকে লিফট তৈরি করে
ইঞ্জিন শুধু সামনে ঠেলে দেয়
👉 মানে ইঞ্জিনকে পুরো ওজন “তুলে রাখতে” হয় না
গতি: ~১৫০–২০০ কিমি/ঘণ্টা
মিসাইলের মতো দ্রুত না
👉 ধীরে গেলে জ্বালানি অনেক কম খরচ হয়
মোট ওজন ~১৫০–২০০ কেজি
হালকা বডি + ছোট warhead
👉 কম ওজন = কম শক্তি দরকার
লম্বা ডানা
বাতাস কাটতে সুবিধা (low drag)
👉 অনেকটা “ইঞ্জিন লাগানো ঘুড়ি/গ্লাইডার” এর মতো
ধরা যাক:
প্রতি ঘণ্টায় ৫–১০ লিটার জ্বালানি লাগে
৪০ লিটার জ্বালানি থাকলে → ৪–৮ ঘণ্টা উড়তে পারে
গতি ১৫০ কিমি/ঘণ্টা হলে → ৬০০–১২০০+ কিমি
🚀 মিসাইল: খুব দ্রুত, বেশি জ্বালানি খায়, কম সময় উড়ে
🛸 ড্রোন: ধীরে চলে, কম জ্বালানি খায়, অনেক দূর যায়
অথবা,
🏍️ রাস্তায় বাইক = সবসময় ঘর্ষণ
✈️ আকাশে ড্রোন = একবার উঠলে শুধু হালকা ঠেলা দিলেই চলে